বুধবার, ২৫ মে ২০২২ ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
অ+
অ-

মুরাদনগরে ধর্ম ও হজ¦ নিয়ে কটুক্তির প্রতিবাদে ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ:আটক ৬

pc muradnagar barta 04-10-15

মো: মোশাররফ হোসেন মনিরঃ

রোজ রোববার, ০৪ অক্টোবর ২০১৫ ইং(মুরাদনগর বার্তা ডটকম):

কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার বাবুটিপাড়া ইউনিয়নের গান্দ্রা গ্রামে ইসলাম ধর্ম, হজ¦, মিনায় পাথড় নিক্ষেপ ও পাথড়ে চুম্মন নিয়ে কুটুক্তি করার অভিযোগের প্রতিবাদে শনিবার রাত সাড়ে ৯টায় দুই হিন্দু পরিবারের বাড়িঘরে ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করে স্থানীয় বিক্ষিপ্ত মুসলিম জনতা। ঘটনার পর স্থানীয় প্রশাসনের কর্তা ব্যাক্তিরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে ৬ মুসলিম যুবককে আটক করে থানা পুলিশ।

এ ঘটনায় গান্দ্রা গ্রামের অমূল চন্দ্র দাসের ছেলে শ্রী নিবাস চন্দ্র দাস শনিবার রাতে বাদী হয়ে ১৮ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতসহ মোট ৬০ জনের নামে মুরাদনগর থানায় একটি মামলা করে। কিন্তু ধর্ম কটুক্তি করিদের বিরুদ্ধে প্রশাসন কোন প্রকার ব্যবস্থা না নেওয়ায় জনমনে বিরুপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।

DSC_0077

আটককৃতরা হলেন, গান্দ্রা গ্রামের খোরশেদ আলম মেম্বারের ছেলে মিজানুর রহমান(২৬), একই গ্রামের আব্দুছ ছাত্তারের ছেলে মনির হোসেন(১৯), আব্দুল মবিনের ছেলে জুয়েল হোসেন(১৮), পহাড়পুর গ্রামের আব্দুল মজিদ মালের ছেলে সোহেল(২০) ও কালামুড়িয়া গ্রামের আনোয়ার হোসেনের ছেলে রাসেল(১৮)।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার গান্দ্রা গ্রামে গত বৃহস্পতিবার রাতে শ্যামল চন্দ্র দাস(শিমুল) ইসলাম ধর্ম, হজ¦, মিনারে পাথড় নিক্ষেপ ও পাথড়ে চুম্মন নিয়ে কটুক্তি করে গাল মন্দ করলে স্থানীয় মিজানুর রহমানের সাথে কথা কাটাকাটি হয়। একপযার্য়ে বিষয়টি স্থানীয়দের মধ্যে জানা যানি হলে এর জের ধরে  শনিবার রাত সাড়ে ৯টায় স্থানীয় বিক্ষুব্ধ মুসলমান জনতারা শ্যামল চন্দ্র দাস(শিমুল) কে জিজ্ঞাসাবাদ করতে গেলে এক পযার্য়ে বিক্ষিপ্ত কিছু জনতা শ্যামল চন্দ্র দাস(শিমুল) এর রান্না ঘরসহ ৩টি ও  সুরেশ চন্দ্র দাসের ১টি রান্ন্া ঘরে ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করে।

এ ব্যাপারে মুরাদনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, ঘটনার পর রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ঘটনার সাথে জাড়িত থাকার অভিযোগে ৬ জনকে আটক করা হয়েছে। আটককৃতদের কুমিল্লা জেল হাজতে প্রেরন করা হয়েছে। ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক মামুনুর রশিদ, জেলা পুলিশ সুপার, কুমিল্লা-বি সার্কেল ঘটনাস্থল পরির্দশন করেছেন বলেও জানান তিনি।

উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মনসুর উদ্দিন বলেন, আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি পরিস্থিতি শান্ত ও স্বাভাবিক রয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত প্রত্যক পরিবারকে জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসনের পক্ষথেকে ৬০ কেজি চাল, ৯হাজার টাকা ও ৩বান্ডিল টিন বিতরন করবেন।

print

আরো পড়ুন

আপনার মন্তব্য লিখুন