ঢাকা ০৯:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ জুন ২০২৪, ১ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

অন্ধত্বকে রুখে জিপিএ-৫ পেল রাফি

অজাতীয় ডেস্কঃ
ন্ধত্বও রুখতে পারলো না সাইফুদ্দিন রাফিকে। এবার এসএসসি পরীক্ষায় সে জিপিএ-৫ পেয়েছে। রাফি চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার উজিরপুর ইউনিয়ন কৃষি স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে পরীক্ষা দিয়েছিল।
রাফি ওই স্কুলের শিক্ষক মরহুম আজহার উদ্দীনের একমাত্র পুত্র। তার মা নাজনিন আক্তার একজন গৃহিণী। এসএসসি পরীক্ষার রাফি শ্রুতি লেখক হিসেবে পটিয়া হাই স্কুলের ৮ম শ্রেণির ছাত্র দীপ্ত বড়ুয়াকে নিয়ে পরীক্ষা দেয়। রাফি চার বছর বয়সে ঘরের ছাদ থেকে দাদুর জন্য চুনের ডিব্বা নিতে গিয়ে চুন ছিটকে তার চোখে পড়ে। এর পর থেকে সে দৃষ্টি শক্তি হারিয়ে অন্ধ হয়ে যায়।
রাফির বাবা ভারতে সহ বিভিন্ন জায়গায় নিয়েও তার দৃষ্টি শক্তি ফিরে পায়নি। সে প্রাথমিক ও জেএসসি পরীক্ষায় বৃত্তি লাভ করে। সে বড় হয়ে একজন কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার হতে চায়। এই সাফল্যের জন্য তার মা, বোন, শিক্ষক-শিক্ষিকার প্রতি কৃতজ্ঞ বলে জানায় রাফি।
ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

অন্ধত্বকে রুখে জিপিএ-৫ পেল রাফি

আপডেট সময় ০৪:১৬:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ মে ২০১৭
অজাতীয় ডেস্কঃ
ন্ধত্বও রুখতে পারলো না সাইফুদ্দিন রাফিকে। এবার এসএসসি পরীক্ষায় সে জিপিএ-৫ পেয়েছে। রাফি চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার উজিরপুর ইউনিয়ন কৃষি স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে পরীক্ষা দিয়েছিল।
রাফি ওই স্কুলের শিক্ষক মরহুম আজহার উদ্দীনের একমাত্র পুত্র। তার মা নাজনিন আক্তার একজন গৃহিণী। এসএসসি পরীক্ষার রাফি শ্রুতি লেখক হিসেবে পটিয়া হাই স্কুলের ৮ম শ্রেণির ছাত্র দীপ্ত বড়ুয়াকে নিয়ে পরীক্ষা দেয়। রাফি চার বছর বয়সে ঘরের ছাদ থেকে দাদুর জন্য চুনের ডিব্বা নিতে গিয়ে চুন ছিটকে তার চোখে পড়ে। এর পর থেকে সে দৃষ্টি শক্তি হারিয়ে অন্ধ হয়ে যায়।
রাফির বাবা ভারতে সহ বিভিন্ন জায়গায় নিয়েও তার দৃষ্টি শক্তি ফিরে পায়নি। সে প্রাথমিক ও জেএসসি পরীক্ষায় বৃত্তি লাভ করে। সে বড় হয়ে একজন কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার হতে চায়। এই সাফল্যের জন্য তার মা, বোন, শিক্ষক-শিক্ষিকার প্রতি কৃতজ্ঞ বলে জানায় রাফি।