ঢাকা ০৬:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ মে ২০২৪, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

অবশেষে মামলা ইউপি চেয়ারম্যানের ছেলেসহ আসামী ১৫ জন

মো: মোশাররফ হোসেন মনিরঃ

কুমিল্লা মুরাদনগর উপজেলার কামাল্লা গ্রামে সঞ্চয়ী মাটির ব্যাংক থেকে ১লক্ষ ৭০ হাজার টাকা চুরির অভিযোগে মা-মেয়ের দু’হাত পিছনে বেধেঁ পরিবারের চার সদস্যকে মধ্যযোগেীয কায়দায় নির্যাতনের ঘটনা স্থানীয় সাংবাদিকদের তৎপরতায় অবশেষে মামলা গ্রহন করে মুরাদনগর থানা পুলিশ।

রবিবার গভীর রাতে মুরাদনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় থাকা সদস্যদের মধ্যে মেয়ে শামসুন্নাহারকে বাদী করে ঘটনার সময় উপস্থিত স্থানীয় মোড়ল ১০ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ৫ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা করা হয়।

সোমবার সকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রাসেলুল কাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় থাকা নির্যাতিত পরিবারটিকে দেখতে যান। তাদের চিকিৎসার খোজঁখবর নেন। এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত সকল ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে বলে পরিবারটিকে আশ্বস্ত করেন।

জানা যায়, উপজের কামাল্লা গ্রামের ব্যবসায়ী মোছলে উদ্দিনের বাড়িতে গৃহপরিচালিকার কাজ করতেন একই গ্রামের আ: হকের মেয়ে শামসুন নাহার (১৬)। গত বৃহস্পতিবার রাতে মোছলে উদ্দিন তার বাড়ির সঞ্চয়ী মাটির ব্যাংক থেকে ১লাখ ৭০ হাজার টাকা চুরির অভিযোগ আনে গৃহপরিচালিকা শামসুন নাহারের বিরুদ্ধে। পরদিন শুক্রবার সকালে শামসুর নাহার, মা শাহানা বেগম (৪০), বাবা আ: হক, ছোট ভাই রবিউলকে (১০) কয়েকজন লোকের মাধ্যমে বাড়ি থেকে ধরে আনে। মোছলে উদ্দিনের বাড়ির একটি কক্ষে সাতঘন্টা আটক রেখে অমানসিক নির্ষাতন চালায়। আর জোরপূর্বক টাকা চুরির স্বীকারোক্তি আদায় করে মোবাইলে ভিডিও করে রাখা হয়। তখন কয়েকটি নন জুডিশিয়াল ষ্ট্যাম ও সাদা কাগজে স্বাক্ষর ও টিপসই রাখে। আগামী মঙ্গলবারের মধ্যে জদি ঐ টাকা পরিশোধ করতে না পারলে তাদের একমাত্র ভিটে বাড়িটি মোছলে উদ্দিনের নামে লিখে দেয়ার স্বর্থে বিকাল তিনটায় তাদেরকে ছেড়ে দেয়া হয়।

রবিবার গভীর রাতে মুরাদনগর থানা পুলিশ মেয়ে শামসুন্নাহারকে বাদী করে ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে কামাল্লা ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের ছেলে আবুল বাশার মাষ্টারসহ স্থানীয় মোড়ল দরবেশ চৌধুরী, আল-হেলাল চৌধুরী সিন্ধাবাদ, সাবেক মেম্বার বজলু মিয়া, মোছলেম মুন্সি মেম্বার, জজ মিয়া,  আরিফসহ ১০ জনের নাম উল্লেখ্যসহ অজ্ঞাত নাম আরো ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়।

এ বিষয়ে মুরাদনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, অভিযোক্তদের আটকের জন্য অভিযান চলচ্ছে। জড়িতদের ছাড় দেওয়া হবেনা।

ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

অবশেষে মামলা ইউপি চেয়ারম্যানের ছেলেসহ আসামী ১৫ জন

আপডেট সময় ০২:৪২:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ নভেম্বর ২০১৬
মো: মোশাররফ হোসেন মনিরঃ

কুমিল্লা মুরাদনগর উপজেলার কামাল্লা গ্রামে সঞ্চয়ী মাটির ব্যাংক থেকে ১লক্ষ ৭০ হাজার টাকা চুরির অভিযোগে মা-মেয়ের দু’হাত পিছনে বেধেঁ পরিবারের চার সদস্যকে মধ্যযোগেীয কায়দায় নির্যাতনের ঘটনা স্থানীয় সাংবাদিকদের তৎপরতায় অবশেষে মামলা গ্রহন করে মুরাদনগর থানা পুলিশ।

রবিবার গভীর রাতে মুরাদনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় থাকা সদস্যদের মধ্যে মেয়ে শামসুন্নাহারকে বাদী করে ঘটনার সময় উপস্থিত স্থানীয় মোড়ল ১০ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ৫ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা করা হয়।

সোমবার সকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রাসেলুল কাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় থাকা নির্যাতিত পরিবারটিকে দেখতে যান। তাদের চিকিৎসার খোজঁখবর নেন। এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত সকল ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে বলে পরিবারটিকে আশ্বস্ত করেন।

জানা যায়, উপজের কামাল্লা গ্রামের ব্যবসায়ী মোছলে উদ্দিনের বাড়িতে গৃহপরিচালিকার কাজ করতেন একই গ্রামের আ: হকের মেয়ে শামসুন নাহার (১৬)। গত বৃহস্পতিবার রাতে মোছলে উদ্দিন তার বাড়ির সঞ্চয়ী মাটির ব্যাংক থেকে ১লাখ ৭০ হাজার টাকা চুরির অভিযোগ আনে গৃহপরিচালিকা শামসুন নাহারের বিরুদ্ধে। পরদিন শুক্রবার সকালে শামসুর নাহার, মা শাহানা বেগম (৪০), বাবা আ: হক, ছোট ভাই রবিউলকে (১০) কয়েকজন লোকের মাধ্যমে বাড়ি থেকে ধরে আনে। মোছলে উদ্দিনের বাড়ির একটি কক্ষে সাতঘন্টা আটক রেখে অমানসিক নির্ষাতন চালায়। আর জোরপূর্বক টাকা চুরির স্বীকারোক্তি আদায় করে মোবাইলে ভিডিও করে রাখা হয়। তখন কয়েকটি নন জুডিশিয়াল ষ্ট্যাম ও সাদা কাগজে স্বাক্ষর ও টিপসই রাখে। আগামী মঙ্গলবারের মধ্যে জদি ঐ টাকা পরিশোধ করতে না পারলে তাদের একমাত্র ভিটে বাড়িটি মোছলে উদ্দিনের নামে লিখে দেয়ার স্বর্থে বিকাল তিনটায় তাদেরকে ছেড়ে দেয়া হয়।

রবিবার গভীর রাতে মুরাদনগর থানা পুলিশ মেয়ে শামসুন্নাহারকে বাদী করে ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে কামাল্লা ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের ছেলে আবুল বাশার মাষ্টারসহ স্থানীয় মোড়ল দরবেশ চৌধুরী, আল-হেলাল চৌধুরী সিন্ধাবাদ, সাবেক মেম্বার বজলু মিয়া, মোছলেম মুন্সি মেম্বার, জজ মিয়া,  আরিফসহ ১০ জনের নাম উল্লেখ্যসহ অজ্ঞাত নাম আরো ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়।

এ বিষয়ে মুরাদনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, অভিযোক্তদের আটকের জন্য অভিযান চলচ্ছে। জড়িতদের ছাড় দেওয়া হবেনা।