ঢাকা ০৪:১৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ মে ২০২৪, ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

আজ ৯ ডিসেম্বর তিতাস ও দাউদকান্দি হানাদার মুক্ত দিবস

নাজমুল করিম ফারুক, তিতাস (কুমিল্লা) প্রতিনিধি:

আজ ৯ ডিসেম্বর তিতাস ও দাউদকান্দি মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এ দিনে বীর মুক্তিযোদ্ধা আর মিত্র বাহিনীর যৌথ আক্রমণের মুখে টিকতে না পেরে হানাদার পাকিস্তানি বাহিনী দাউদকান্দি থেকে পালিয়ে যায়। মুক্তিযোদ্ধারা উড়িয়ে দেয় স্বাধীন বাংলার লাল সবুজ পতাকা।

দিবসটি পালন উপলক্ষে তিতাস ও দাউদকান্দি উপজেলায় নেয়া হয়েছে বিভিন্ন কর্মসূচি।

১৯৭১ সালে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের শেষ দিকে ৮ ডিসেম্বর দাউদকান্দির মুক্তিযোদ্ধাদের প্রচন্ড আক্রমণে পাক হানাদার বাহিনীর পিছু হটতে শুরু করে দাউদকান্দি থেকে। ৮ ডিসেম্বর দাউদকান্দির মুক্তিযোদ্ধারা মানসিকভাবে দ্বিগুণ শক্তিশালী হয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ইলিয়টগঞ্জ, শহীদনগর ওয়্যারলেস কেন্দ্র এবং সড়ক ও জনপথ বিভাগের দাউদকান্দিস্থ ডাকবাংলোতে অবস্থানরত পাকসেনাদের টার্গেট করে চারদিক থেকে একযোগে আক্রমণে শুরু করে। মোহাম্মদপুর, ডাকখোলা, গোয়ালমারী, বাতাকান্দি প্রভূতি এলাকার ক্যাম্প থেকে মুক্তিযোদ্ধারা অগ্রসর হতে থাকে। পূর্বদিক থেকে মিত্র বাহিনীর আর্টিলারির কার নিয়ে মুক্তিযোদ্ধারা আক্রমণ করলে পাকসেনার পশ্চি¬ম দিকে হটতে থাকে। মিত্রবাহিনীর সোলিংয়ের তোড়ে শহীদনগর ওয়্যারলেস এলাকা ছেড়ে পাক সেনারা এক পর্যায়ে দাউদকান্দি সদরের দিকে দৌড়াতে থাকে। এ সময় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পার্শ্ববর্তী গ্রামগুলোর জনসাধারণ উত্তর দিকে গোমতী নদীতে ঝাঁপিয়ে পড়ে। ৮ ডিসেম্বর সারা রাত এবং ৯ ডিসেম্বর ১১টা পর্যন্ত যুদ্ধের পর পাকসেনারা দাউদকান্দিতে তাদের শেষ আশ্রয়স্থল সড়ক ও জনপথের ডাকবাংলোতে উঠে এবং সেখান থেকে লঞ্চ যোগে মেঘনা নদী দিয়ে গজারিয়া হয়ে ঢাকায় পালিয়ে যায়। দুপুরে মুক্তিযোদ্ধারা দাউদকান্দি পৌছে হানাদর মুক্ত করে দাউদকান্দিতে প্রথম ম্বাধীন বাংলার পতাকা উড়ান।

ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

মুরাদনগর বাবুটিপাড়া ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতির ইন্তেকাল

আজ ৯ ডিসেম্বর তিতাস ও দাউদকান্দি হানাদার মুক্ত দিবস

আপডেট সময় ০১:০৮:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ ডিসেম্বর ২০১৬
নাজমুল করিম ফারুক, তিতাস (কুমিল্লা) প্রতিনিধি:

আজ ৯ ডিসেম্বর তিতাস ও দাউদকান্দি মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এ দিনে বীর মুক্তিযোদ্ধা আর মিত্র বাহিনীর যৌথ আক্রমণের মুখে টিকতে না পেরে হানাদার পাকিস্তানি বাহিনী দাউদকান্দি থেকে পালিয়ে যায়। মুক্তিযোদ্ধারা উড়িয়ে দেয় স্বাধীন বাংলার লাল সবুজ পতাকা।

দিবসটি পালন উপলক্ষে তিতাস ও দাউদকান্দি উপজেলায় নেয়া হয়েছে বিভিন্ন কর্মসূচি।

১৯৭১ সালে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের শেষ দিকে ৮ ডিসেম্বর দাউদকান্দির মুক্তিযোদ্ধাদের প্রচন্ড আক্রমণে পাক হানাদার বাহিনীর পিছু হটতে শুরু করে দাউদকান্দি থেকে। ৮ ডিসেম্বর দাউদকান্দির মুক্তিযোদ্ধারা মানসিকভাবে দ্বিগুণ শক্তিশালী হয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ইলিয়টগঞ্জ, শহীদনগর ওয়্যারলেস কেন্দ্র এবং সড়ক ও জনপথ বিভাগের দাউদকান্দিস্থ ডাকবাংলোতে অবস্থানরত পাকসেনাদের টার্গেট করে চারদিক থেকে একযোগে আক্রমণে শুরু করে। মোহাম্মদপুর, ডাকখোলা, গোয়ালমারী, বাতাকান্দি প্রভূতি এলাকার ক্যাম্প থেকে মুক্তিযোদ্ধারা অগ্রসর হতে থাকে। পূর্বদিক থেকে মিত্র বাহিনীর আর্টিলারির কার নিয়ে মুক্তিযোদ্ধারা আক্রমণ করলে পাকসেনার পশ্চি¬ম দিকে হটতে থাকে। মিত্রবাহিনীর সোলিংয়ের তোড়ে শহীদনগর ওয়্যারলেস এলাকা ছেড়ে পাক সেনারা এক পর্যায়ে দাউদকান্দি সদরের দিকে দৌড়াতে থাকে। এ সময় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পার্শ্ববর্তী গ্রামগুলোর জনসাধারণ উত্তর দিকে গোমতী নদীতে ঝাঁপিয়ে পড়ে। ৮ ডিসেম্বর সারা রাত এবং ৯ ডিসেম্বর ১১টা পর্যন্ত যুদ্ধের পর পাকসেনারা দাউদকান্দিতে তাদের শেষ আশ্রয়স্থল সড়ক ও জনপথের ডাকবাংলোতে উঠে এবং সেখান থেকে লঞ্চ যোগে মেঘনা নদী দিয়ে গজারিয়া হয়ে ঢাকায় পালিয়ে যায়। দুপুরে মুক্তিযোদ্ধারা দাউদকান্দি পৌছে হানাদর মুক্ত করে দাউদকান্দিতে প্রথম ম্বাধীন বাংলার পতাকা উড়ান।