ঢাকা ০৯:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ জুন ২০২৪, ২ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ইউটিউব ট্রেন্ডিংয়ে শীর্ষে ‘বেকার’

বিনোদন ডেস্কঃ

গত ১৩ ফেব্রুয়ারি রাতে নির্মাতা মাবরুর রশীদ বান্নাহ’র ভালোবাসা দিবসের নাটক ‘বেকার’ মুক্তি পায় অনলাইনে। নাটকটি নিয়ে তেমন আলোচনা সমালোচনা না থাকলেও গুগলের ইউটিউব ট্রেন্ডিংয়ে এখন শীর্ষে চলে এসেছে।

নাটকের গল্প লিখেছেন ফাহাদ আল মুক্তাদির। নাটকের গল্প আবর্তিত হয়েছে অনিক আহমেদ নামধারী জনপ্রিয় অভিনেতা অপূর্ব ও তারিন নাম নিয়ে অভিনেত্রী মেহজাবিন।

গতানুগতিক মনোভাব নিয়ে নাটকটি দেখতে বসলে দর্শকের ইকোয়েশন নষ্ট করে দেবে। কেননা একজন বেকার যুবকের হাহাকার ও এর পরিণতি পর্যন্তই দর্শকরা চিন্তা করে অভ্যস্ত, নির্মাতারাও সেখানেই ফুলস্টপ দিতে পছন্দ করেন। কিন্তু বান্নাহ গল্পকে নিয়ে গিয়েছেন আরো দূরে।

এ প্রসঙ্গে নির্মাতার বক্তব্য, একজন বেকারের জীবন ভয়াবহ দুর্বিসহ। নানা অভাব অনটন তার স্বাভাবিক জীবনকে স্থবির করে দেয়, হতাশায় নিমজ্জিত করে দেয়। তার মানে কি একজন বেকার মানুষ পড়াশোনা করে সারাজীবন বেকারই থেকে যায়?

তাহলে? বান্না বলেন, আমি গল্পের পেছনের আরো গভীরের গল্পকে দেখানোর চেষ্টা করেছি। একটা হ্যাপি এন্ডিং দিয়েছি। যাতা প্রতিটি মানুষ, নাটকের দর্শক অনুপ্রেরণা পায়। আর এই প্রেরণাদায়ী একজন নারী, লোভ, অভাব অনটনকে তুচ্ছ বা অবহেলা করতে পারে না। আর তারিন (মেহজাবীন) এর পিতা একজন অনুপ্রেরণাদায়ী অনুঘটক হিসেবে কাজ করেছেন।

বেকার নাটকটি দর্শকেরা বেশ ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেছে। অন্তত সোশ্যাল মিডিয়া তাই বলছে। বৃহস্পতিবার দুপুরেও এক ঘণ্টার এই নাটকটি ইউটিউব ট্রেন্ডিংয়ে তিন নম্বরে থাকলেও দুপুর নাগাদ এক নম্বরে চলে এসেছে। ইউটিউব ভিউও কম নয়। ভালোবাসা দিবসের বিশেষ এই নাটকটি বৃহস্পতিবার পর্যন্ত দেখেছেন ৮ লাখ।

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

ইউটিউব ট্রেন্ডিংয়ে শীর্ষে ‘বেকার’

আপডেট সময় ০১:১৮:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০১৮
বিনোদন ডেস্কঃ

গত ১৩ ফেব্রুয়ারি রাতে নির্মাতা মাবরুর রশীদ বান্নাহ’র ভালোবাসা দিবসের নাটক ‘বেকার’ মুক্তি পায় অনলাইনে। নাটকটি নিয়ে তেমন আলোচনা সমালোচনা না থাকলেও গুগলের ইউটিউব ট্রেন্ডিংয়ে এখন শীর্ষে চলে এসেছে।

নাটকের গল্প লিখেছেন ফাহাদ আল মুক্তাদির। নাটকের গল্প আবর্তিত হয়েছে অনিক আহমেদ নামধারী জনপ্রিয় অভিনেতা অপূর্ব ও তারিন নাম নিয়ে অভিনেত্রী মেহজাবিন।

গতানুগতিক মনোভাব নিয়ে নাটকটি দেখতে বসলে দর্শকের ইকোয়েশন নষ্ট করে দেবে। কেননা একজন বেকার যুবকের হাহাকার ও এর পরিণতি পর্যন্তই দর্শকরা চিন্তা করে অভ্যস্ত, নির্মাতারাও সেখানেই ফুলস্টপ দিতে পছন্দ করেন। কিন্তু বান্নাহ গল্পকে নিয়ে গিয়েছেন আরো দূরে।

এ প্রসঙ্গে নির্মাতার বক্তব্য, একজন বেকারের জীবন ভয়াবহ দুর্বিসহ। নানা অভাব অনটন তার স্বাভাবিক জীবনকে স্থবির করে দেয়, হতাশায় নিমজ্জিত করে দেয়। তার মানে কি একজন বেকার মানুষ পড়াশোনা করে সারাজীবন বেকারই থেকে যায়?

তাহলে? বান্না বলেন, আমি গল্পের পেছনের আরো গভীরের গল্পকে দেখানোর চেষ্টা করেছি। একটা হ্যাপি এন্ডিং দিয়েছি। যাতা প্রতিটি মানুষ, নাটকের দর্শক অনুপ্রেরণা পায়। আর এই প্রেরণাদায়ী একজন নারী, লোভ, অভাব অনটনকে তুচ্ছ বা অবহেলা করতে পারে না। আর তারিন (মেহজাবীন) এর পিতা একজন অনুপ্রেরণাদায়ী অনুঘটক হিসেবে কাজ করেছেন।

বেকার নাটকটি দর্শকেরা বেশ ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেছে। অন্তত সোশ্যাল মিডিয়া তাই বলছে। বৃহস্পতিবার দুপুরেও এক ঘণ্টার এই নাটকটি ইউটিউব ট্রেন্ডিংয়ে তিন নম্বরে থাকলেও দুপুর নাগাদ এক নম্বরে চলে এসেছে। ইউটিউব ভিউও কম নয়। ভালোবাসা দিবসের বিশেষ এই নাটকটি বৃহস্পতিবার পর্যন্ত দেখেছেন ৮ লাখ।