ঢাকা ০১:৩৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ইরানও উল্টো পথে হাঁটতে শুরু করেছে

অন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

ছয় বিশ্ব শক্তির সঙ্গে করা পরমাণু চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সরে যাওয়ার পর অন্যান্য দেশের কাছে চুক্তিটি টিকিয়ে রাখার দাবি জানিয়ে আসছে ইরান। তারপরও দেশটি তাদের পরমাণু জ্বালানির উৎপাদন ‘ব্যাপক পরিমাণে’ বাড়ানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। শুক্রবার টুইটারে পোস্ট করা এক বিবৃতিতে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রী জাভেদ জারিফ তার সরকারের প্রতিক্রিয়া জানান। সেখানেই এই কথা বলা হয়।

গত মঙ্গলবার ট্রাম্প তার ঘোষণায় ইরানের সঙ্গে চুক্তি থেকে বের হয়ে এসে ইরানের সঙ্গে ব্যবসায় জড়িত থাকলে বিদেশি কোম্পানিগুলোর ওপর নিষেধাজ্ঞা পুনরায় চালু করার ঘোষণা দেন।

জাভেদ জারিফ তার বিবৃতিতে বলেন, কোনও ধরনের বিধি-নিষেধ ছাড়াই পরমাণু জ্বালানি উৎপাদন ব্যাপক পরিমাণে বাড়ানোর প্রস্তুতির জন্য প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য ইরানের অ্যাটোমিক এনার্জি অর্গানাইজেশনের সভাপতিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এজন্য ইরানের সাহসী পরমাণু বিজ্ঞানীদের পূর্ববতী গবেষণা ও উন্নয়নের ফলাফলের ব্যবহার করার জন্য বলা হয়েছে।

জারিফের বিবৃতিতে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের চুক্তি প্রত্যাহারের পর ইরান তাদের ২০২৫ সালের সমৃদ্ধকরণ প্রক্রিয়া এখনই শুরু করার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রের গবেষণা প্রতিষ্ঠান ব্রুকিংস ইনস্টিটিউটের ইরান বিশ্লেষক সুজানে ম্যালোনে বলেন, জাফরির এই বিবৃতি যুক্তরাষ্ট্রের ইউরোপিয়ান মিত্রসহ চুক্তির অন্যান্য পক্ষের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছে। ট্রাম্প স্থগিত করার চেষ্টা করলেও তারা চুক্তিটি টিকিয়ে রাখার পথ খুঁজছেন।

তিনি আরও বলেন, জাফরি বলেছেন তারা কঠোর অবস্থানে রয়েছেন। কে জানে তারা কী করতে যাচ্ছে। ম্যালোনে বলেন, চুক্তি কার্যকর করার সময় তারা খুব দ্রুতপদক্ষেপ নিয়েছিল। আবার চুক্তি বাতিল হলেও তারা খুব দ্রুত পদক্ষেপ নিতে পারবে।

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

ইরানও উল্টো পথে হাঁটতে শুরু করেছে

আপডেট সময় ০৪:২৭:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ মে ২০১৮
অন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

ছয় বিশ্ব শক্তির সঙ্গে করা পরমাণু চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সরে যাওয়ার পর অন্যান্য দেশের কাছে চুক্তিটি টিকিয়ে রাখার দাবি জানিয়ে আসছে ইরান। তারপরও দেশটি তাদের পরমাণু জ্বালানির উৎপাদন ‘ব্যাপক পরিমাণে’ বাড়ানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। শুক্রবার টুইটারে পোস্ট করা এক বিবৃতিতে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রী জাভেদ জারিফ তার সরকারের প্রতিক্রিয়া জানান। সেখানেই এই কথা বলা হয়।

গত মঙ্গলবার ট্রাম্প তার ঘোষণায় ইরানের সঙ্গে চুক্তি থেকে বের হয়ে এসে ইরানের সঙ্গে ব্যবসায় জড়িত থাকলে বিদেশি কোম্পানিগুলোর ওপর নিষেধাজ্ঞা পুনরায় চালু করার ঘোষণা দেন।

জাভেদ জারিফ তার বিবৃতিতে বলেন, কোনও ধরনের বিধি-নিষেধ ছাড়াই পরমাণু জ্বালানি উৎপাদন ব্যাপক পরিমাণে বাড়ানোর প্রস্তুতির জন্য প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য ইরানের অ্যাটোমিক এনার্জি অর্গানাইজেশনের সভাপতিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এজন্য ইরানের সাহসী পরমাণু বিজ্ঞানীদের পূর্ববতী গবেষণা ও উন্নয়নের ফলাফলের ব্যবহার করার জন্য বলা হয়েছে।

জারিফের বিবৃতিতে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের চুক্তি প্রত্যাহারের পর ইরান তাদের ২০২৫ সালের সমৃদ্ধকরণ প্রক্রিয়া এখনই শুরু করার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রের গবেষণা প্রতিষ্ঠান ব্রুকিংস ইনস্টিটিউটের ইরান বিশ্লেষক সুজানে ম্যালোনে বলেন, জাফরির এই বিবৃতি যুক্তরাষ্ট্রের ইউরোপিয়ান মিত্রসহ চুক্তির অন্যান্য পক্ষের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছে। ট্রাম্প স্থগিত করার চেষ্টা করলেও তারা চুক্তিটি টিকিয়ে রাখার পথ খুঁজছেন।

তিনি আরও বলেন, জাফরি বলেছেন তারা কঠোর অবস্থানে রয়েছেন। কে জানে তারা কী করতে যাচ্ছে। ম্যালোনে বলেন, চুক্তি কার্যকর করার সময় তারা খুব দ্রুতপদক্ষেপ নিয়েছিল। আবার চুক্তি বাতিল হলেও তারা খুব দ্রুত পদক্ষেপ নিতে পারবে।