ঢাকা ১০:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ জুন ২০২৪, ২ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ইসরাইলিদের নিজস্ব ভূমি অধিকার আছে : সৌদি যুবরাজ

অন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

ইসরাইলিদের নিজেদের রাষ্ট্র স্থাপন ও সেখানে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাসের অধিকার রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন সৌদি আরবের বর্তমান যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান। যুক্তরাষ্ট্রের একটি ম্যাগাজিন দি আটলান্টিকে সোমবার প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেন তিনি।

নিজেদের পূর্বসূরীদের ভূমির কোনো একটি অংশে রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার অধিকার ইহুদিদের রয়েছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে মোহাম্মদ বিন সালমান বলেন, ‘আমি মনে করি ফিলিস্তিনি ও ইসরায়েলিদের অধিকার রয়েছে নিজেদের রাষ্ট্র স্থাপনের। তবে সবার জন্য স্থিতিশীলতা ও স্বাভাবিক সম্পর্ক নিশ্চিত করার জন্য আমাদেরকে শান্তি চুক্তিতে আসতে হবে।’

সৌদি যুবরাজ আরো বলেন, ‘জেরুজালেমের পবিত্র মসজিদ ও ফিলিস্তিনি জনগণের অধিকার নিয়ে আমাদের ধর্মীয় উদ্বেগ রয়েছে। এটা নিয়েই আমাদের আপত্তি। অন্য কোনো জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে আমাদের কোনো অভিযোগ নেই।’

এদিকে সৌদি আরব রাষ্ট্র হিসেবে ইসরাইলকে স্বীকার করে না। সৌদি আরব এতদিন সবসময়ই বলে এসেছে, ইসরায়েলের সাথে স্বাভাবিক সম্পর্ক তখনই সম্ভব হবে যখন ইসরায়েল ১৯৬৭ সালের মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের সময় দখল করে নেওয়া আরব ভূমি ফিরিয়ে দেবে, যে ভূমিতে ফিলিস্তিনিরা তাদের ভবিষ্যৎ রাষ্ট্রের স্বপ্ন দেখে।

অন্যদিকে এএফপির খবরে বলা হয়, ২০০২ সাল থেকে চলা আরব শান্তি উদ্যোগের প্রধান পৃষ্ঠপোষক সৌদি আরব। তাদের স্বপ্ন দুটি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে ফিলিস্তিনি এবং ইসরায়েলিদের সংকট সমাধান হবে। কিন্তু মোহাম্মদ বিন সালমানের আগে কোনো সৌদি কর্মকর্তা ইসরায়েলের ভূমি অধিকারের বিষয়টি মেনে নেননি।

তবে সম্প্রতি ইসরায়েলের সঙ্গে সৌদি আরবের সম্পর্ক বেশ গাঢ় হচ্ছে। গত মাসে সৌদির আকাশকে বাণিজ্যিক ব্যবহারের জন্য সুযোগ দেওয়া হয়েছে ইসরায়েলকে। মধ্যপ্রাচ্যে ইরানকে আটকাতে ইসরায়েলকে পাশে রাখার কৌশল নিয়েছে সৌদি আরব।

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

ইসরাইলিদের নিজস্ব ভূমি অধিকার আছে : সৌদি যুবরাজ

আপডেট সময় ০৯:১২:০৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ এপ্রিল ২০১৮
অন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

ইসরাইলিদের নিজেদের রাষ্ট্র স্থাপন ও সেখানে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাসের অধিকার রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন সৌদি আরবের বর্তমান যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান। যুক্তরাষ্ট্রের একটি ম্যাগাজিন দি আটলান্টিকে সোমবার প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেন তিনি।

নিজেদের পূর্বসূরীদের ভূমির কোনো একটি অংশে রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার অধিকার ইহুদিদের রয়েছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে মোহাম্মদ বিন সালমান বলেন, ‘আমি মনে করি ফিলিস্তিনি ও ইসরায়েলিদের অধিকার রয়েছে নিজেদের রাষ্ট্র স্থাপনের। তবে সবার জন্য স্থিতিশীলতা ও স্বাভাবিক সম্পর্ক নিশ্চিত করার জন্য আমাদেরকে শান্তি চুক্তিতে আসতে হবে।’

সৌদি যুবরাজ আরো বলেন, ‘জেরুজালেমের পবিত্র মসজিদ ও ফিলিস্তিনি জনগণের অধিকার নিয়ে আমাদের ধর্মীয় উদ্বেগ রয়েছে। এটা নিয়েই আমাদের আপত্তি। অন্য কোনো জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে আমাদের কোনো অভিযোগ নেই।’

এদিকে সৌদি আরব রাষ্ট্র হিসেবে ইসরাইলকে স্বীকার করে না। সৌদি আরব এতদিন সবসময়ই বলে এসেছে, ইসরায়েলের সাথে স্বাভাবিক সম্পর্ক তখনই সম্ভব হবে যখন ইসরায়েল ১৯৬৭ সালের মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের সময় দখল করে নেওয়া আরব ভূমি ফিরিয়ে দেবে, যে ভূমিতে ফিলিস্তিনিরা তাদের ভবিষ্যৎ রাষ্ট্রের স্বপ্ন দেখে।

অন্যদিকে এএফপির খবরে বলা হয়, ২০০২ সাল থেকে চলা আরব শান্তি উদ্যোগের প্রধান পৃষ্ঠপোষক সৌদি আরব। তাদের স্বপ্ন দুটি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে ফিলিস্তিনি এবং ইসরায়েলিদের সংকট সমাধান হবে। কিন্তু মোহাম্মদ বিন সালমানের আগে কোনো সৌদি কর্মকর্তা ইসরায়েলের ভূমি অধিকারের বিষয়টি মেনে নেননি।

তবে সম্প্রতি ইসরায়েলের সঙ্গে সৌদি আরবের সম্পর্ক বেশ গাঢ় হচ্ছে। গত মাসে সৌদির আকাশকে বাণিজ্যিক ব্যবহারের জন্য সুযোগ দেওয়া হয়েছে ইসরায়েলকে। মধ্যপ্রাচ্যে ইরানকে আটকাতে ইসরায়েলকে পাশে রাখার কৌশল নিয়েছে সৌদি আরব।