ঢাকা ০৯:১৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুলাই ২০২৪, ৩১ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

উত্তর কোরিয়ায় ১৬ জেলে খুন

আন্তর্জাতিক :

উত্তর কোরিয়ায় এক মাছ ধরার জাহাজে তিন জেলের হাতে খুন হয়েছেন অন্য ১৬ জেলে। খুন করার পর দুই জেলে দক্ষিণ কোরিয়ায় পালিয়ে গেলে তাদেরকে আটক করে ফেরত পাঠিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ান নৌবাহিনী। খবর বিবিসি’র।

দক্ষিণ কোরিয়া কর্তৃপক্ষ দুই জেলেকে আটকের সত্যতা স্বীকার করে বলেছে, সাধারণত উত্তর কোরিয়া থেকে পালিয়ে আসা নাগরিককে রাজনৈতিক আশ্রয় দেওয়া হয়। তবে এই দুই ব্যক্তিকে তারা জাতীয় নিরাত্তার জন্য হুমকি হিসেবে মনে করছেন। তাই তাদেরকে ফেরত পাঠানো হয়েছে। আটক দুজনকে দুই কোরিয়ার সীমান্তবর্তী গ্রাম পানমুনজম দিয়ে উত্তর কোরিয়ার হাতে হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও নিশ্চিত করেছে সিউল।

বার্তা সংস্থা ইয়োনহাপ জানিয়েছে, আটক দুই ব্যক্তি জবানবন্দিতে হত্যার কথা স্বীকার করেছে। তারা দুজন অন্য আরেকজনের সহায়তায় অক্টোবরের শেষের দিকে জাহাজের ক্যাপ্টেনকে হত্যা করেছিল, কারণ ক্যাপ্টেন তাদের সাথে খারাপ ব্যবহার করেছিলেন।

তারা আরও জানায়, ক্যাপ্টেনকে হত্যার পর জাহাজের অন্য জেলেরা বিদ্রোহ ঘোষণা করলে তারা তিনজন মিলে একে একে ১৬ জনকে হত্যা করে লাশ সাগরে ফেলে দেয়।

হত্যার পর তারা তিনজন উপকূলে ফিরে এলে তাদের একজন পুলিশের হাতে ধরা পড়লে বাকি দুইজন দক্ষিণ কোরিয়ায় পালিয়ে যায়।

উত্তর কোরিয়া থেকে দক্ষিণ কোরিয়ায় পালিয়ে যাওয়ার ঘটনা প্রতিনিয়ত ঘটে। ২০১৭ সালের পর অন্তত ১১’শ ২৭ জন উত্তর কোরিয়ান নাগরিক দক্ষিণে আশ্রয় নিয়েছেন। তবে আশ্রয় চাওয়া ব্যক্তিদের প্রমাণ করতে হয় যে তারা সমাজের জন্য হুমকি নন।

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

মুরাদনগরে হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামী গ্রেফতার

উত্তর কোরিয়ায় ১৬ জেলে খুন

আপডেট সময় ০১:৪৫:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ নভেম্বর ২০১৯

আন্তর্জাতিক :

উত্তর কোরিয়ায় এক মাছ ধরার জাহাজে তিন জেলের হাতে খুন হয়েছেন অন্য ১৬ জেলে। খুন করার পর দুই জেলে দক্ষিণ কোরিয়ায় পালিয়ে গেলে তাদেরকে আটক করে ফেরত পাঠিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ান নৌবাহিনী। খবর বিবিসি’র।

দক্ষিণ কোরিয়া কর্তৃপক্ষ দুই জেলেকে আটকের সত্যতা স্বীকার করে বলেছে, সাধারণত উত্তর কোরিয়া থেকে পালিয়ে আসা নাগরিককে রাজনৈতিক আশ্রয় দেওয়া হয়। তবে এই দুই ব্যক্তিকে তারা জাতীয় নিরাত্তার জন্য হুমকি হিসেবে মনে করছেন। তাই তাদেরকে ফেরত পাঠানো হয়েছে। আটক দুজনকে দুই কোরিয়ার সীমান্তবর্তী গ্রাম পানমুনজম দিয়ে উত্তর কোরিয়ার হাতে হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও নিশ্চিত করেছে সিউল।

বার্তা সংস্থা ইয়োনহাপ জানিয়েছে, আটক দুই ব্যক্তি জবানবন্দিতে হত্যার কথা স্বীকার করেছে। তারা দুজন অন্য আরেকজনের সহায়তায় অক্টোবরের শেষের দিকে জাহাজের ক্যাপ্টেনকে হত্যা করেছিল, কারণ ক্যাপ্টেন তাদের সাথে খারাপ ব্যবহার করেছিলেন।

তারা আরও জানায়, ক্যাপ্টেনকে হত্যার পর জাহাজের অন্য জেলেরা বিদ্রোহ ঘোষণা করলে তারা তিনজন মিলে একে একে ১৬ জনকে হত্যা করে লাশ সাগরে ফেলে দেয়।

হত্যার পর তারা তিনজন উপকূলে ফিরে এলে তাদের একজন পুলিশের হাতে ধরা পড়লে বাকি দুইজন দক্ষিণ কোরিয়ায় পালিয়ে যায়।

উত্তর কোরিয়া থেকে দক্ষিণ কোরিয়ায় পালিয়ে যাওয়ার ঘটনা প্রতিনিয়ত ঘটে। ২০১৭ সালের পর অন্তত ১১’শ ২৭ জন উত্তর কোরিয়ান নাগরিক দক্ষিণে আশ্রয় নিয়েছেন। তবে আশ্রয় চাওয়া ব্যক্তিদের প্রমাণ করতে হয় যে তারা সমাজের জন্য হুমকি নন।