ঢাকা ০৭:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৪, ৩ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

কক্সবাজারে বন্যায় পাঁচজনের মৃত্যু

জাতীয় ডেস্কঃ
কক্সবাজারের রামু, উখিয়া এবং নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলায় বন্যার পানিতে ডুবে ও মাটি চাপায় চার শিশুসহ পাঁচজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। নিখোঁজ রয়েছেন আরও একজন। জেলার মাতামুহুরী, বাঁকখালীসহ বিভিন্ন খাল ও নদীর পানি বিপদ সীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
কক্সবাজারের রামু উপজেলায় বন্যার পানিতে ডুবে তেখাঁরকুল ইউনিয়নের চালাইন্নাপাড়ার কামাল হোসেনের দুই ছেলে শাহিন (১০) ও ফাহিমের (৮) মৃত্যু হয়। বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টার দিকে লাশ দুইটি উদ্ধার হয়। অপরদিকে উখিয়ায় পাহাড় ধসে এবং বন্যার পানিতে ভেসে গিয়ে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তারা হলো উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের আঞ্জুমান পাড়ার সরওয়ারুল ইসলামের ছেলে শাহরিয়ার হোসেন (৭) এবং ওই ইউনিয়নের মধ্যম রত্নাপালং এলাকার অমূল্য বড়ুয়ার ছেলে ইতন বড়ুয়া (১৩)। এছাড়া নাইক্ষ্যংছড়িতে বসতঘরের দেয়াল ধসে এক বৃদ্ধার মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। নিখোঁজ ব্যক্তির বিস্তারিত পরিচয় পাওয়া যায়নি।
 সড়কের ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হওয়ায় কক্সবাজার-টেকনাফ সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। জেলার আটটি উপজেলার ৯শ’ গ্রামে বন্যা পরিস্থিতি আরো অবনতি হয়েছে। গত কয়েকদিনের বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে এ পর্যন্ত ১০ লাখ মানুষ পানিবন্দি রয়েছে। প্লাবিত হচ্ছে আরো নতুন নতুন এলাকা।উপকূলীয় অঞ্চলে বেড়িবাঁধ ভেঙে শতাধিক গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।
কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো. আলী হোসেন বলেন, ‘চকরিয়ায় বন্যা পরিস্থিতি অত্যন্ত প্রকট আকার ধারণ করেছে। রামুতেও পরিস্থিতি খারাপ হয়েছে। সব স্থানের বন্যা কবলিত মানুষকে সহযোগিতা করা হবে। এরই মধ্যে চকরিয়ার জন্য এক লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। অন্যান্য এলাকার জন্যও বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।’ বুধবার জেলার ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলো পরিদর্শন করা হয়েছে বলে তিনি জানান।’
ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

মুরাদনগর ভয়াবহ আগুন কয়ক কাটি টাকার ক্ষতি 

কক্সবাজারে বন্যায় পাঁচজনের মৃত্যু

আপডেট সময় ০৩:১১:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ জুলাই ২০১৭
জাতীয় ডেস্কঃ
কক্সবাজারের রামু, উখিয়া এবং নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলায় বন্যার পানিতে ডুবে ও মাটি চাপায় চার শিশুসহ পাঁচজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। নিখোঁজ রয়েছেন আরও একজন। জেলার মাতামুহুরী, বাঁকখালীসহ বিভিন্ন খাল ও নদীর পানি বিপদ সীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
কক্সবাজারের রামু উপজেলায় বন্যার পানিতে ডুবে তেখাঁরকুল ইউনিয়নের চালাইন্নাপাড়ার কামাল হোসেনের দুই ছেলে শাহিন (১০) ও ফাহিমের (৮) মৃত্যু হয়। বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টার দিকে লাশ দুইটি উদ্ধার হয়। অপরদিকে উখিয়ায় পাহাড় ধসে এবং বন্যার পানিতে ভেসে গিয়ে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তারা হলো উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের আঞ্জুমান পাড়ার সরওয়ারুল ইসলামের ছেলে শাহরিয়ার হোসেন (৭) এবং ওই ইউনিয়নের মধ্যম রত্নাপালং এলাকার অমূল্য বড়ুয়ার ছেলে ইতন বড়ুয়া (১৩)। এছাড়া নাইক্ষ্যংছড়িতে বসতঘরের দেয়াল ধসে এক বৃদ্ধার মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। নিখোঁজ ব্যক্তির বিস্তারিত পরিচয় পাওয়া যায়নি।
 সড়কের ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হওয়ায় কক্সবাজার-টেকনাফ সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। জেলার আটটি উপজেলার ৯শ’ গ্রামে বন্যা পরিস্থিতি আরো অবনতি হয়েছে। গত কয়েকদিনের বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে এ পর্যন্ত ১০ লাখ মানুষ পানিবন্দি রয়েছে। প্লাবিত হচ্ছে আরো নতুন নতুন এলাকা।উপকূলীয় অঞ্চলে বেড়িবাঁধ ভেঙে শতাধিক গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।
কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো. আলী হোসেন বলেন, ‘চকরিয়ায় বন্যা পরিস্থিতি অত্যন্ত প্রকট আকার ধারণ করেছে। রামুতেও পরিস্থিতি খারাপ হয়েছে। সব স্থানের বন্যা কবলিত মানুষকে সহযোগিতা করা হবে। এরই মধ্যে চকরিয়ার জন্য এক লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। অন্যান্য এলাকার জন্যও বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।’ বুধবার জেলার ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলো পরিদর্শন করা হয়েছে বলে তিনি জানান।’