ঢাকা ০৩:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৪, ১১ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

লাঙ্গলকোটে কিশোরী হত্যা মামলায় বখাটে বেঁচু মিয়ার ফাঁসি বহাল

স্টাফ রির্পোটারঃ
কুমিল্লার লাঙ্গলকোটে কিশোরী সাহেনা আক্তারকে হত্যার দায়ে বখাটে মীর হোসেন ওরফে বেঁচু মিয়ার মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছে হাইকোর্ট। আসামির আপিল খারিজ করে দিয়ে এ রায় দেন বিচারপতি আবু বকর সিদ্দিকী ও বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলামের ডিভিশন বেঞ্চ। বেঁচু মিয়া হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই পলাতক রয়েছেন। সাজা পরোয়ানা থাকার পরেও আজ পর্যন্ত তাকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
১৯৯৮ সালের ৫ সেপ্টেম্বর কুমিল্লার লাঙ্গলকোটের কাঠালিয়ার বাতুপাড়ার নিজ বাড়িতে রাতে খুন হন কিশোরী সাহেনা আক্তার (১৫)। চাইনিজ কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে এ হত্যার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় সাহেনার পিতা রিকশাচালক আব্দুল খালেক টুকু মিয়া মামলা দায়ের করেন।
মামলার এজাহারে বলা হয়, সাহেনাকে বার বার প্রেম নিবেদন ও বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে ব্যর্থ হয়ে বেঁচু মিয়া ও তার সহযোগীরা তাকে হত্যা করেন। পুলিশ তদন্ত করে বেঁচুসহ চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোপত্র দাখিল করেন। এ মামলায় ২০১১ সালে ৮ মার্চ কুমিল্লার বিশেষ জজ আদালত বেঁচু মিয়াকে মৃত্যুদণ্ড এবং আব্দুল ওয়াহাব মজুমদারকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়। তবে জসিম উদ্দিন এবং খুরশিদ আলম খোকনকে খালাস দেয় আদালত। ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের শুনানি শেষে হাইকোর্ট মঙ্গলবার বেঁচু মিয়ার ফাঁসি বহাল রাখে। খালাস দেয় ওয়াহাব মজুমদারকে।
আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. মনিরুজ্জামান রুবেল, সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল কাজী বজলুল রশিদ ও দেলোয়ারা বেগম বেলা। মীর হোসেনের পক্ষে ছিলেন রাষ্ট্র নিযুক্ত আইনজীবী আশরাফুল ইসলাম।
ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

লাঙ্গলকোটে কিশোরী হত্যা মামলায় বখাটে বেঁচু মিয়ার ফাঁসি বহাল

আপডেট সময় ০২:১৯:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ জানুয়ারী ২০১৭
স্টাফ রির্পোটারঃ
কুমিল্লার লাঙ্গলকোটে কিশোরী সাহেনা আক্তারকে হত্যার দায়ে বখাটে মীর হোসেন ওরফে বেঁচু মিয়ার মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছে হাইকোর্ট। আসামির আপিল খারিজ করে দিয়ে এ রায় দেন বিচারপতি আবু বকর সিদ্দিকী ও বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলামের ডিভিশন বেঞ্চ। বেঁচু মিয়া হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই পলাতক রয়েছেন। সাজা পরোয়ানা থাকার পরেও আজ পর্যন্ত তাকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
১৯৯৮ সালের ৫ সেপ্টেম্বর কুমিল্লার লাঙ্গলকোটের কাঠালিয়ার বাতুপাড়ার নিজ বাড়িতে রাতে খুন হন কিশোরী সাহেনা আক্তার (১৫)। চাইনিজ কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে এ হত্যার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় সাহেনার পিতা রিকশাচালক আব্দুল খালেক টুকু মিয়া মামলা দায়ের করেন।
মামলার এজাহারে বলা হয়, সাহেনাকে বার বার প্রেম নিবেদন ও বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে ব্যর্থ হয়ে বেঁচু মিয়া ও তার সহযোগীরা তাকে হত্যা করেন। পুলিশ তদন্ত করে বেঁচুসহ চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোপত্র দাখিল করেন। এ মামলায় ২০১১ সালে ৮ মার্চ কুমিল্লার বিশেষ জজ আদালত বেঁচু মিয়াকে মৃত্যুদণ্ড এবং আব্দুল ওয়াহাব মজুমদারকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়। তবে জসিম উদ্দিন এবং খুরশিদ আলম খোকনকে খালাস দেয় আদালত। ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের শুনানি শেষে হাইকোর্ট মঙ্গলবার বেঁচু মিয়ার ফাঁসি বহাল রাখে। খালাস দেয় ওয়াহাব মজুমদারকে।
আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. মনিরুজ্জামান রুবেল, সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল কাজী বজলুল রশিদ ও দেলোয়ারা বেগম বেলা। মীর হোসেনের পক্ষে ছিলেন রাষ্ট্র নিযুক্ত আইনজীবী আশরাফুল ইসলাম।