ঢাকা ০৬:৫৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ মে ২০২৪, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

কুমিল্লায় যুবলীগ নেতা হত্যা মামলা, আরো এক আসামি গ্রেফতার

স্টাফ রির্পোটার, কুমিল্লাঃ
কুমিল্লায় যুবলীগ নেতা তারিকুল হাসান টিটু হত্যা মামলায় আরো এক আসামিকে গ্রেফতার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। গ্রেফতার মমিন ওরফে কানা মমিনকে (২৮) কুমিল্লা নগরীর ঠাকুরপাড়া এলাকার বাসিন্দা।
বৃহস্পতিবার ভোরে নগরীর মনোহরপুর এলাকার লাকসাম সড়ক থেকে একটি বিদেশি রিভলবার ও এক রাউন্ড গুলিসহ তাকে গ্রেফতার করা হয়। দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। এ মামলায় এখন পর্যন্ত চারজনকে গ্রেফতার করা হলো। গ্রেফতার বাকি তিনজন হলো, লিমন ওরফে চোরা লিমন, হৃদয় ও লিমন ওরফে মোটা লিমন।
পুলিশ জানায়, নগরীর ঠাকুরপাড়া এলাকার একটি পরিত্যক্ত বাড়ির সেপটিক ট্যাংক থেকে ৩০ আগস্ট জেলার দেবিদ্বার পৌর যুবলীগের সহ-সভাপতি তারিকুল হাসান টিটুর মাথার খুলি ও শরীরের বিভিন্ন অংশের হাড় উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় টিটুর মা রাজিয়া সুলতানা বাদী হয়ে সাতজনকে আসামি করে কোতয়ালী মডেল থানায় হত্যা মামলা করেন।

জেলা ডিবির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একেএম মনজুর আলম জানান, কানা মমিন একজন চিহ্নিত সন্ত্রাসী। তার বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজি ও দখলসহ বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে। এ মামলার অপর আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।
উল্লেখ্য, ২০১৫ সালের ২ জুলাই গভীর রাতে নগরীর ঠাকুরপাড়া শ্মশানঘাটে পূর্ব বিরোধ নিয়ে বাক্বিতণ্ডার একপর্যায়ে টিটুকে তার বন্ধুরা গুলি করলে তিনি গুরুতর আহত হন। এ সময় তাকে পার্শ্ববর্তী একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে নিয়ে অতিমাত্রায় ঘুমের ওষুধ সেবন করিয়ে অচেতন করে রাখা হয়। ভোর রাতে তাকে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যার পর ওই পরিত্যক্ত বাড়িতেই মাটিচাপা দেয়া হয়। পরে তারা টিটুর লাশ মাটির নিচ থেকে তুলে লবণ মিশিয়ে একটি বস্তায় ভর্তি করে পাশের সেপটিক ট্যাংকে ফেলে গুম করে রাখে।
ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

মুরাদনগর বাবুটিপাড়া ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতির ইন্তেকাল

কুমিল্লায় যুবলীগ নেতা হত্যা মামলা, আরো এক আসামি গ্রেফতার

আপডেট সময় ০১:৪৩:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৬
স্টাফ রির্পোটার, কুমিল্লাঃ
কুমিল্লায় যুবলীগ নেতা তারিকুল হাসান টিটু হত্যা মামলায় আরো এক আসামিকে গ্রেফতার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। গ্রেফতার মমিন ওরফে কানা মমিনকে (২৮) কুমিল্লা নগরীর ঠাকুরপাড়া এলাকার বাসিন্দা।
বৃহস্পতিবার ভোরে নগরীর মনোহরপুর এলাকার লাকসাম সড়ক থেকে একটি বিদেশি রিভলবার ও এক রাউন্ড গুলিসহ তাকে গ্রেফতার করা হয়। দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। এ মামলায় এখন পর্যন্ত চারজনকে গ্রেফতার করা হলো। গ্রেফতার বাকি তিনজন হলো, লিমন ওরফে চোরা লিমন, হৃদয় ও লিমন ওরফে মোটা লিমন।
পুলিশ জানায়, নগরীর ঠাকুরপাড়া এলাকার একটি পরিত্যক্ত বাড়ির সেপটিক ট্যাংক থেকে ৩০ আগস্ট জেলার দেবিদ্বার পৌর যুবলীগের সহ-সভাপতি তারিকুল হাসান টিটুর মাথার খুলি ও শরীরের বিভিন্ন অংশের হাড় উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় টিটুর মা রাজিয়া সুলতানা বাদী হয়ে সাতজনকে আসামি করে কোতয়ালী মডেল থানায় হত্যা মামলা করেন।

জেলা ডিবির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একেএম মনজুর আলম জানান, কানা মমিন একজন চিহ্নিত সন্ত্রাসী। তার বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজি ও দখলসহ বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে। এ মামলার অপর আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।
উল্লেখ্য, ২০১৫ সালের ২ জুলাই গভীর রাতে নগরীর ঠাকুরপাড়া শ্মশানঘাটে পূর্ব বিরোধ নিয়ে বাক্বিতণ্ডার একপর্যায়ে টিটুকে তার বন্ধুরা গুলি করলে তিনি গুরুতর আহত হন। এ সময় তাকে পার্শ্ববর্তী একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে নিয়ে অতিমাত্রায় ঘুমের ওষুধ সেবন করিয়ে অচেতন করে রাখা হয়। ভোর রাতে তাকে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যার পর ওই পরিত্যক্ত বাড়িতেই মাটিচাপা দেয়া হয়। পরে তারা টিটুর লাশ মাটির নিচ থেকে তুলে লবণ মিশিয়ে একটি বস্তায় ভর্তি করে পাশের সেপটিক ট্যাংকে ফেলে গুম করে রাখে।