ঢাকা ১০:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০২৪, ৪ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

কুমিল্লায় হোম কোয়ারেন্টাইনে ১৭৪ জন

কুমিল্লা ;

কুমিল্লায় করোনাভাইরাস আক্রান্ত দেশ থেকে আসা ১৭৪ জন প্রবাসী হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন।

 এ তথ্য নিশ্চিত করে জেলার সিভিল সার্জন ডা. নিয়াতুজ্জামান জানান, মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত কুমিল্লার বিভিন্ন উপজেলায় করোনা ভাইরাস আক্রান্ত দেশ থেকে আসা নতুন এবং পুরাতন সর্বমোট ১৭৪ জন প্রবাসী হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন। এই সংখ্যার সবচেয়ে বেশি জেলার মনোহরগঞ্জ উপজেলায়। ওই উপজেলায় ৩৪ জন প্রবাসী রয়েছে। জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে ১৪ দিন পর্যন্ত হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার জন্য তাদের পরামর্শ দেয়া হয়েছে। ১৪ দিন পরে করোনা ভাইরাসের কোনো লক্ষণ দেখা না গেলে তারা স্বাভাবিক চলাফেরা করতে পারবেন। হোম কোয়ারেন্টাইনের নির্দেশনা না মানলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

তিনি আরও জানান, হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা অবস্থায় ১৭৪ জন প্রবাসী কারোর মধ্যে করোনার লক্ষণ দেখা গেলে ঢাকায় পাঠানো হবে। এছাড়া করোনা ভাইরাস নিয়ে আতঙ্কিত না হওয়ার জন্য সবাইকে পরামর্শ দিচ্ছেন তিনি।

এদিকে অভিযোগ উঠেছে জেলার বিভিন্ন উপজেলায় হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা এসব প্রবাসী জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের নিয়মনীতি মানছেন না। প্রবাসীরা হোম কোয়ারেন্টাইনে না থেকে রীতিমত ঘরের বাইরে ঘুরাফেরা করছেন। মিশে বেড়াচ্ছেন পরিবার ও আত্মীয়স্বজনদের সঙ্গে। এতে জেলায় করোনা ভাইরাসের জীবানু ছড়ানোর আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

কুমিল্লার লাকসামের জংশন এলাকায় এক ইতালি প্রবাসী স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের নির্দেশনা অমান্য করে হোম কোয়ারেন্টাইনে না থেকে জনসাধারণের সঙ্গে মেলামেশা করছেন। এমন অভিযোগে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কোয়ারেন্টাইনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, পৌরসভার মেয়র এবং স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা ওই প্রবাসীর বাড়িতে যায়।

লাকসাম উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এ কে এম সাইফুল আলম বলেন, অভিযোগ পেয়ে ইতালি প্রবাসীকে কোয়ারেন্টাইনে আনতে গেলে তিনি হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকবেন বলে জানান। তাকে করোনা ভাইরাস সম্পর্কে পরামর্শ দিয়ে সতর্ক করে দেয়া হয়েছে।

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষার্থীদের উপর হামলার প্রতিবাদে মুরাদনগরে বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ

কুমিল্লায় হোম কোয়ারেন্টাইনে ১৭৪ জন

আপডেট সময় ০৬:২৩:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২০

কুমিল্লা ;

কুমিল্লায় করোনাভাইরাস আক্রান্ত দেশ থেকে আসা ১৭৪ জন প্রবাসী হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন।

 এ তথ্য নিশ্চিত করে জেলার সিভিল সার্জন ডা. নিয়াতুজ্জামান জানান, মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত কুমিল্লার বিভিন্ন উপজেলায় করোনা ভাইরাস আক্রান্ত দেশ থেকে আসা নতুন এবং পুরাতন সর্বমোট ১৭৪ জন প্রবাসী হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন। এই সংখ্যার সবচেয়ে বেশি জেলার মনোহরগঞ্জ উপজেলায়। ওই উপজেলায় ৩৪ জন প্রবাসী রয়েছে। জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে ১৪ দিন পর্যন্ত হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার জন্য তাদের পরামর্শ দেয়া হয়েছে। ১৪ দিন পরে করোনা ভাইরাসের কোনো লক্ষণ দেখা না গেলে তারা স্বাভাবিক চলাফেরা করতে পারবেন। হোম কোয়ারেন্টাইনের নির্দেশনা না মানলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

তিনি আরও জানান, হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা অবস্থায় ১৭৪ জন প্রবাসী কারোর মধ্যে করোনার লক্ষণ দেখা গেলে ঢাকায় পাঠানো হবে। এছাড়া করোনা ভাইরাস নিয়ে আতঙ্কিত না হওয়ার জন্য সবাইকে পরামর্শ দিচ্ছেন তিনি।

এদিকে অভিযোগ উঠেছে জেলার বিভিন্ন উপজেলায় হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা এসব প্রবাসী জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের নিয়মনীতি মানছেন না। প্রবাসীরা হোম কোয়ারেন্টাইনে না থেকে রীতিমত ঘরের বাইরে ঘুরাফেরা করছেন। মিশে বেড়াচ্ছেন পরিবার ও আত্মীয়স্বজনদের সঙ্গে। এতে জেলায় করোনা ভাইরাসের জীবানু ছড়ানোর আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

কুমিল্লার লাকসামের জংশন এলাকায় এক ইতালি প্রবাসী স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের নির্দেশনা অমান্য করে হোম কোয়ারেন্টাইনে না থেকে জনসাধারণের সঙ্গে মেলামেশা করছেন। এমন অভিযোগে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কোয়ারেন্টাইনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, পৌরসভার মেয়র এবং স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা ওই প্রবাসীর বাড়িতে যায়।

লাকসাম উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এ কে এম সাইফুল আলম বলেন, অভিযোগ পেয়ে ইতালি প্রবাসীকে কোয়ারেন্টাইনে আনতে গেলে তিনি হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকবেন বলে জানান। তাকে করোনা ভাইরাস সম্পর্কে পরামর্শ দিয়ে সতর্ক করে দেয়া হয়েছে।