ঢাকা ০৯:১৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ জুলাই ২০২৪, ৫ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

কোথাও নেই রওশন ফের শঙ্কায় কাদের

জাতীয় ডেস্ক:

ক্যাসিনো-টেন্ডারবাজি-চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে অভিযান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সম্প্রতি ভারত সফরে চুক্তি-সমঝোতা স্বাক্ষর, বুয়েটের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে ছাত্রলীগের পিটিয়ে হত্যা, মহানবিকে (স) নিয়ে ফেসবুকে কটূক্তিকে কেন্দ করে ভোলায় হতাহতের ঘটনা এবং ১১ দফা দাবিতে ক্রিকেটারদের ধর্মঘট—এরকম নানা ইস্যুতে দেশে গত এক মাসের বেশি সময় ধরে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় বইছে। তবে এসব ঘটনার কোনোটিতেই ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া নেই সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদের। নিন্দা, প্রতিবাদ কিংবা সমর্থন জানিয়েও তিনি কোনো বক্তব্য-বিবৃতি দেননি। দলীয় কোনো কার্যক্রমেও তাকে দেখা যাচ্ছে না। সব মিলিয়ে কোনো কিছুতেই নেই বিরোধীদলীয় নেতা। এ নিয়ে শুধু রাজনৈতিক অঙ্গনেই নয়, খোদ জাতীয় পার্টির (জাপা) ভেতরেও দলীয় নেতাকর্মীরা নিজেদের আড্ডা-আলোচনায় প্রশ্ন তুলছেন।

অন্যদিকে আগামী ২৮ ডিসেম্বর দলের জাতীয় কাউন্সিলকে সামনে রেখে অঙ্গ ও সহযোগী-ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনগুলোকে গোছানোর কাজ করছেন জাপার চেয়ারম্যান জি এম কাদের। ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে তিনি মতবিনিময় করছেন। এর মধ্যেও কাউন্সিলে ‘চেয়ারম্যান’ পদ ধরে রাখতে পারা নিয়ে এক ধরনের শঙ্কা তাড়া করছে তাকে। কারণ কাউন্সিলকে সামনে রেখে দলের নিয়ন্ত্রণ ও নেতৃত্বের প্রশ্নে জাপার ভেতরে নতুন করে দ্বন্দ্ব-বিবাদ দানা বাঁধছে।

জাপার দায়িত্বশীল কয়েক জন নেতা ইত্তেফাকের সঙ্গে পৃথক আলাপকালে জানান, বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে রাজনৈতিক অঙ্গনে রওশন এরশাদের যে ধরনের সক্রিয়তা ও ভূমিকা থাকার কথা সেটির সিকিভাগও প্রতীয়মান নেই। দলটির প্রেসিডিয়ামের পাঁচ জন সদস্য প্রায় অভিন্ন ভাষায় ইত্তেফাককে বলেন, দেশে এত ঘটনা ঘটছে, কোনোটিতেই কোনো প্রতিক্রিয়া নেই রওশনের। দেশে যে একজন বিরোধীদলীয় নেতা রয়েছেন, সামগ্রিক রাজনৈতিক দৃশ্যপটে সেটি অনুপস্থিত। প্রেসিডিয়ামের একজন সদস্য কিছুটা ক্ষোভের সঙ্গেই বললেন, শুধু সংসদে শোক প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশগ্রহণ, বাজেট আলোচনা ও রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর সংসদে বক্তব্য রাখা এবং রেওয়াজ অনুযায়ী সংসদের অধিবেশনের সমাপনী দিনে বক্তব্য রাখা ছাড়া বিরোধীদলীয় নেতার আর কোনো কার্যক্রম দৃশ্যমান নয়। অথচ বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে একজন পূর্ণ মন্ত্রীর মর্যাদায় প্রাপ্ত সমস্ত সুযোগ-সুবিধাই ভোগ করছেন রওশন।

সংসদের কয়েকটি নির্ধারিত কার্যক্রমেই নিজের কর্মকাণ্ড সীমাবদ্ধ রাখা, দলীয় কোনো কার্যক্রমে দেখা না যাওয়া এবং দেশে আলোচিত বিভিন্ন ইস্যুতে নীরব থাকার বিষয়ে বক্তব্য জানার জন্য বারবার যোগাযোগ করেও রওশন এরশাদকে পাওয়া সম্ভব হয়নি। তবে রওশনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ থাকা জাপার মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গা ও দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য ফখরুল ইমাম জানান, রওশন এরশাদ বেশ কিছুদিন ধরেই শারীরিকভাবে অসুস্থ।

এদিকে এইচ এম এরশাদের মৃত্যুর পর জাপার নিয়ন্ত্রণ ও নেতৃত্বের প্রশ্নে রওশন এরশাদ ও জি এম কাদেরের অনুসারী পৃথক দুটি বলয়ের মধ্যে বিরোধ সম্প্রতি তুঙ্গে ওঠে। একপর্যায়ে রওশনকে দলের পালটা চেয়ারম্যান ঘোষণা করা হলে দল ভাঙনের মুখে পড়তে গিয়েও শেষ পর্যন্ত দুই পক্ষের মধ্যরাতের সমঝোতায় সেই দফায় দল আবারও টুকরো হওয়া থেকে রক্ষা পায়। সমঝোতায় ভূমিকা রাখা জাপা মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গা তখনই বলেছিলেন, সমঝোতা অনুযায়ী দলের কাউন্সিল পর্যন্ত জি এম কাদের দলের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। কাউন্সিলের মাধ্যমে দলের পরবর্তী চেয়ারম্যান নির্বাচিত করা হবে।

জাপার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ‘সমঝোতা অনুযায়ী দলের কাউন্সিল পর্যন্ত জি এম কাদের দলের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন’—এই বাক্যটির মধ্যে অভ্যন্তরীণ রাজনীতি রয়েছে। দুই পক্ষের সমঝোতা অনুযায়ী রওশন এরশাদ সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা এবং জি এম কাদের দলের চেয়ারম্যান ও সংসদের বিরোধীদলীয় উপনেতা হলেও দলটিতে দেবর-ভাবীকে ঘিরে গড়ে ওঠা দুটি বলয়ের মধ্যে বিবাদরেখা এখনও বিদ্যমান। প্রকাশ্য বিবাদ না থাকলেও পৃথক বলয়ে থাকা নেতারা আগের মতোই বিভাজিত। বরং রওশনের সঙ্গে বিরোধের সময় যারা জি এম কাদেরের পক্ষে প্রকাশ্য অবস্থান নিয়েছিলেন তাদের অনেকেই বর্তমানে দলীয় কার্যক্রমে নিষ্ক্রিয়।

রওশন ও জি এম কাদেরের বলয়ের একাধিক নেতার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কাউন্সিলকে সামনে রেখে দলের একটি অংশের ভিন্ন পরিকল্পনাও রয়েছে। রওশনকে দলের চেয়ারম্যান, জি এম কাদেরকে সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান ও রওশনপুত্র সাদ এরশাদকে কো-চেয়ারম্যান করার চিন্তা-ভাবনা নিয়ে নিজেদের মধ্যে মাঝে-মধ্যেই আলোচনা করছেন এই নেতারা। তবে এই পরিকল্পনা সম্পর্কে জি এম কাদেরের অনুসারীরাও অবগত। ভিন্ন এই পরিকল্পনাকে বিবেচনায় রেখে কাদেরপন্থিরাও কাউন্সিলে নিজেদের একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখার লক্ষ্যে প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

যদিও জি এম কাদেরের দাবি, জাপা ভাঙবে না। জাপার নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধ রয়েছেন। কাউন্সিলের মাধ্যমে দলের নেতৃত্ব নির্বাচিত হবে। জাপা হবে কর্মীদের দল, দুই-চার জন নেতার দল হবে না। তিনি জানান, কাউন্সিলের সর্বাত্মক প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। দলের জাতীয় কাউন্সিলকে সামনে রেখে এর আগে অঙ্গ ও সহযোগী-ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনগুলো গোছানোর কাজ চলছে। তৃণমূলেও দলকে সংগঠিত করা হচ্ছে।

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষার্থীদের উপর হামলার প্রতিবাদে মুরাদনগরে বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ

কোথাও নেই রওশন ফের শঙ্কায় কাদের

আপডেট সময় ০৪:০৫:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ অক্টোবর ২০১৯
জাতীয় ডেস্ক:

ক্যাসিনো-টেন্ডারবাজি-চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে অভিযান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সম্প্রতি ভারত সফরে চুক্তি-সমঝোতা স্বাক্ষর, বুয়েটের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে ছাত্রলীগের পিটিয়ে হত্যা, মহানবিকে (স) নিয়ে ফেসবুকে কটূক্তিকে কেন্দ করে ভোলায় হতাহতের ঘটনা এবং ১১ দফা দাবিতে ক্রিকেটারদের ধর্মঘট—এরকম নানা ইস্যুতে দেশে গত এক মাসের বেশি সময় ধরে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় বইছে। তবে এসব ঘটনার কোনোটিতেই ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া নেই সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদের। নিন্দা, প্রতিবাদ কিংবা সমর্থন জানিয়েও তিনি কোনো বক্তব্য-বিবৃতি দেননি। দলীয় কোনো কার্যক্রমেও তাকে দেখা যাচ্ছে না। সব মিলিয়ে কোনো কিছুতেই নেই বিরোধীদলীয় নেতা। এ নিয়ে শুধু রাজনৈতিক অঙ্গনেই নয়, খোদ জাতীয় পার্টির (জাপা) ভেতরেও দলীয় নেতাকর্মীরা নিজেদের আড্ডা-আলোচনায় প্রশ্ন তুলছেন।

অন্যদিকে আগামী ২৮ ডিসেম্বর দলের জাতীয় কাউন্সিলকে সামনে রেখে অঙ্গ ও সহযোগী-ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনগুলোকে গোছানোর কাজ করছেন জাপার চেয়ারম্যান জি এম কাদের। ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে তিনি মতবিনিময় করছেন। এর মধ্যেও কাউন্সিলে ‘চেয়ারম্যান’ পদ ধরে রাখতে পারা নিয়ে এক ধরনের শঙ্কা তাড়া করছে তাকে। কারণ কাউন্সিলকে সামনে রেখে দলের নিয়ন্ত্রণ ও নেতৃত্বের প্রশ্নে জাপার ভেতরে নতুন করে দ্বন্দ্ব-বিবাদ দানা বাঁধছে।

জাপার দায়িত্বশীল কয়েক জন নেতা ইত্তেফাকের সঙ্গে পৃথক আলাপকালে জানান, বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে রাজনৈতিক অঙ্গনে রওশন এরশাদের যে ধরনের সক্রিয়তা ও ভূমিকা থাকার কথা সেটির সিকিভাগও প্রতীয়মান নেই। দলটির প্রেসিডিয়ামের পাঁচ জন সদস্য প্রায় অভিন্ন ভাষায় ইত্তেফাককে বলেন, দেশে এত ঘটনা ঘটছে, কোনোটিতেই কোনো প্রতিক্রিয়া নেই রওশনের। দেশে যে একজন বিরোধীদলীয় নেতা রয়েছেন, সামগ্রিক রাজনৈতিক দৃশ্যপটে সেটি অনুপস্থিত। প্রেসিডিয়ামের একজন সদস্য কিছুটা ক্ষোভের সঙ্গেই বললেন, শুধু সংসদে শোক প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশগ্রহণ, বাজেট আলোচনা ও রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর সংসদে বক্তব্য রাখা এবং রেওয়াজ অনুযায়ী সংসদের অধিবেশনের সমাপনী দিনে বক্তব্য রাখা ছাড়া বিরোধীদলীয় নেতার আর কোনো কার্যক্রম দৃশ্যমান নয়। অথচ বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে একজন পূর্ণ মন্ত্রীর মর্যাদায় প্রাপ্ত সমস্ত সুযোগ-সুবিধাই ভোগ করছেন রওশন।

সংসদের কয়েকটি নির্ধারিত কার্যক্রমেই নিজের কর্মকাণ্ড সীমাবদ্ধ রাখা, দলীয় কোনো কার্যক্রমে দেখা না যাওয়া এবং দেশে আলোচিত বিভিন্ন ইস্যুতে নীরব থাকার বিষয়ে বক্তব্য জানার জন্য বারবার যোগাযোগ করেও রওশন এরশাদকে পাওয়া সম্ভব হয়নি। তবে রওশনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ থাকা জাপার মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গা ও দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য ফখরুল ইমাম জানান, রওশন এরশাদ বেশ কিছুদিন ধরেই শারীরিকভাবে অসুস্থ।

এদিকে এইচ এম এরশাদের মৃত্যুর পর জাপার নিয়ন্ত্রণ ও নেতৃত্বের প্রশ্নে রওশন এরশাদ ও জি এম কাদেরের অনুসারী পৃথক দুটি বলয়ের মধ্যে বিরোধ সম্প্রতি তুঙ্গে ওঠে। একপর্যায়ে রওশনকে দলের পালটা চেয়ারম্যান ঘোষণা করা হলে দল ভাঙনের মুখে পড়তে গিয়েও শেষ পর্যন্ত দুই পক্ষের মধ্যরাতের সমঝোতায় সেই দফায় দল আবারও টুকরো হওয়া থেকে রক্ষা পায়। সমঝোতায় ভূমিকা রাখা জাপা মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গা তখনই বলেছিলেন, সমঝোতা অনুযায়ী দলের কাউন্সিল পর্যন্ত জি এম কাদের দলের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। কাউন্সিলের মাধ্যমে দলের পরবর্তী চেয়ারম্যান নির্বাচিত করা হবে।

জাপার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ‘সমঝোতা অনুযায়ী দলের কাউন্সিল পর্যন্ত জি এম কাদের দলের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন’—এই বাক্যটির মধ্যে অভ্যন্তরীণ রাজনীতি রয়েছে। দুই পক্ষের সমঝোতা অনুযায়ী রওশন এরশাদ সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা এবং জি এম কাদের দলের চেয়ারম্যান ও সংসদের বিরোধীদলীয় উপনেতা হলেও দলটিতে দেবর-ভাবীকে ঘিরে গড়ে ওঠা দুটি বলয়ের মধ্যে বিবাদরেখা এখনও বিদ্যমান। প্রকাশ্য বিবাদ না থাকলেও পৃথক বলয়ে থাকা নেতারা আগের মতোই বিভাজিত। বরং রওশনের সঙ্গে বিরোধের সময় যারা জি এম কাদেরের পক্ষে প্রকাশ্য অবস্থান নিয়েছিলেন তাদের অনেকেই বর্তমানে দলীয় কার্যক্রমে নিষ্ক্রিয়।

রওশন ও জি এম কাদেরের বলয়ের একাধিক নেতার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কাউন্সিলকে সামনে রেখে দলের একটি অংশের ভিন্ন পরিকল্পনাও রয়েছে। রওশনকে দলের চেয়ারম্যান, জি এম কাদেরকে সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান ও রওশনপুত্র সাদ এরশাদকে কো-চেয়ারম্যান করার চিন্তা-ভাবনা নিয়ে নিজেদের মধ্যে মাঝে-মধ্যেই আলোচনা করছেন এই নেতারা। তবে এই পরিকল্পনা সম্পর্কে জি এম কাদেরের অনুসারীরাও অবগত। ভিন্ন এই পরিকল্পনাকে বিবেচনায় রেখে কাদেরপন্থিরাও কাউন্সিলে নিজেদের একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখার লক্ষ্যে প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

যদিও জি এম কাদেরের দাবি, জাপা ভাঙবে না। জাপার নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধ রয়েছেন। কাউন্সিলের মাধ্যমে দলের নেতৃত্ব নির্বাচিত হবে। জাপা হবে কর্মীদের দল, দুই-চার জন নেতার দল হবে না। তিনি জানান, কাউন্সিলের সর্বাত্মক প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। দলের জাতীয় কাউন্সিলকে সামনে রেখে এর আগে অঙ্গ ও সহযোগী-ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনগুলো গোছানোর কাজ চলছে। তৃণমূলেও দলকে সংগঠিত করা হচ্ছে।