ঢাকা ০২:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ জুন ২০২৪, ৯ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

‘খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ায় যায়নি’

জাতীয় ডেস্কঃ

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ায় না গিয়ে শুধুশুধু আদালতকে ‍দুষছেন। অথচ এই আইনজীবীদের ভুলের কারণেই তিনি আজ কারাগারে। খালেদা জিয়ার কারাগারে যাওয়া বা জামিন হওয়া না হওয়ার বিষয়ে সরকারের কোনো হাত নেই। আপিল বিভাগ তার নিজের নিয়মেই চলছে।

মঙ্গলবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত ন্যাশনাল জাস্টিস কো-অর্ডিনেশন কমিটির (এনজেসিসি) উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ অভিযোগ করেন।

এ সময় পুরনো কারাবিধি সংশোধন হওয়া দরকার বলে মন্তব্য করেন আইনমন্ত্রী বলেন, সরকার মামলা জট কমিয়ে আনার বিভিন্ন উদ্যোগ হাতে নিয়েছে। আমরা ‘প্রিজন অ্যাক্ট ১৮৯৪’ সংশোধনের উদ্যোগও নিয়েছি। কেননা ১২৪ বছর আগের কলোনিয়াল আইনটি আমাদের শাস্তি দেওয়ার জন্য করা হয়েছিলো। তাই আইনটি সংশোধন করে আমরা ‘প্রিজন অ্যান্ড কারেক্টাল অ্যাক্ট ২০১৮’ করতে চাইছি।

আইনমন্ত্রী বলেন, মামলা জট না কমাতে পারলে বিচার বিভাগের প্রতি জনগণের আস্থা আসবে না। জট কমলে আস্থা বাড়বে। তখনই আমরা আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হবো।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বিভাগটির যুগ্ম সচিব বিকাশ কুমার সাহা, উম্মে কুলসুম, আইজি প্রিজন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ ইফতেখার উদ্দিন, অতিরিক্ত মহাপুলিশ পরিদর্শক মোখলেসুর রহমান, সুপ্রিম কোর্টের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ড. মো. জাকির হোসেন, ইউএনডিপি’র কান্ট্রি ডিরেক্টর সুদীপ্ত মুখার্জী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ায় যায়নি’

আপডেট সময় ০২:১৯:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০১৮
জাতীয় ডেস্কঃ

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ায় না গিয়ে শুধুশুধু আদালতকে ‍দুষছেন। অথচ এই আইনজীবীদের ভুলের কারণেই তিনি আজ কারাগারে। খালেদা জিয়ার কারাগারে যাওয়া বা জামিন হওয়া না হওয়ার বিষয়ে সরকারের কোনো হাত নেই। আপিল বিভাগ তার নিজের নিয়মেই চলছে।

মঙ্গলবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত ন্যাশনাল জাস্টিস কো-অর্ডিনেশন কমিটির (এনজেসিসি) উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ অভিযোগ করেন।

এ সময় পুরনো কারাবিধি সংশোধন হওয়া দরকার বলে মন্তব্য করেন আইনমন্ত্রী বলেন, সরকার মামলা জট কমিয়ে আনার বিভিন্ন উদ্যোগ হাতে নিয়েছে। আমরা ‘প্রিজন অ্যাক্ট ১৮৯৪’ সংশোধনের উদ্যোগও নিয়েছি। কেননা ১২৪ বছর আগের কলোনিয়াল আইনটি আমাদের শাস্তি দেওয়ার জন্য করা হয়েছিলো। তাই আইনটি সংশোধন করে আমরা ‘প্রিজন অ্যান্ড কারেক্টাল অ্যাক্ট ২০১৮’ করতে চাইছি।

আইনমন্ত্রী বলেন, মামলা জট না কমাতে পারলে বিচার বিভাগের প্রতি জনগণের আস্থা আসবে না। জট কমলে আস্থা বাড়বে। তখনই আমরা আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হবো।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বিভাগটির যুগ্ম সচিব বিকাশ কুমার সাহা, উম্মে কুলসুম, আইজি প্রিজন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ ইফতেখার উদ্দিন, অতিরিক্ত মহাপুলিশ পরিদর্শক মোখলেসুর রহমান, সুপ্রিম কোর্টের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ড. মো. জাকির হোসেন, ইউএনডিপি’র কান্ট্রি ডিরেক্টর সুদীপ্ত মুখার্জী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।