ঢাকা ১১:৫৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৪, ৬ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

খালেদা জিয়া পালিয়ে গেছেন কোনো আহাম্মকও বিশ্বাস করবে না: ফখরুল

জাতীয় ডেস্কঃ
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, খালেদা জিয়া পালিয়ে গেছেন কোনো আহাম্মকও বিশ্বাস করবে না। আওয়ামী লীগের পালিয়ে যাওয়ার অভ্যাস আছে, আমাদের নয়।
বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে জাতীয়তাবাদী হেলপ সেলের উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ সব কথা বলেন।
খালেদা জিয়ার দেশে ফেরা নিয়ে আওয়ামী লীগ নেতাদের সন্দেহের জবাবে  মির্জা ফখরুল বলেন, ‘ওবায়দুল কাদেরকে একজন স্বজ্জন রাজনীতিবিদ মনে করি। কিন্তু সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পাওয়ার আগে এমন ভাষায় তিনি বলতেন না। আমরা বুঝি না কেন তার এই পরিবর্তন। সম্ভবত তিনি সাহিত্যের ছাত্র ছিলেন, আমি নিশ্চিত না। তবে তিনি নাট্যচর্চাতেও বিশেষভাবে পারদর্শী। সেই কারণে তারমধ্যে একটা পরিশীলিত রাজনৈতিক সংস্কৃতি দেখার প্রত্যাশায় ছিলাম। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে তার এই পরিবর্তনটা কেন। সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে তিনি এমন ভাষায় কথা বলছেন যা আগে তার কাছ থেকে শুনিনি। আমরা প্রত্যাশা করি না এতো বড় একটি রাজনৈতিক দল, একটি পুরানো দলের সাধারণ সম্পাদকের এমন ভাষায় কথা বলবেন। সমালোচনা তো হবেই। আমরা রাজনীতি করি। আমরা জনগণের সামনে আছি তারা আমাদের চুলচেরা বিশ্লেষণ করবে।’
সংসদীয় গণতন্ত্রের জন্যও খালেদা জিয়ার ব্যাপক অবদান রয়েছে বলে দাবি করে ফখরুল বলেন, আওয়ামী লীগের দাবি অনুযায়ী তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিও তিনি পূরণ করেছিলেন। সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে খালেদা জিয়াই নির্বাচন দিতে বাধ্য করেছেন বলে দাবি করে ফখরুল।
ফের সংলাপের আহ্বান জানিয়ে বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘বর্তমান সরকারের অধীনে কোনো সুষ্ঠু নির্বাচন হবে না। বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রীর অধীনে। তাই বিএনপি সহায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন দাবি করছে। যাতে করে সেই নির্বাচন অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয় এবং জনগণ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করার সুযোগ পায়।’
জাতীয়তাবাদী হেল্প সেলের পক্ষ থেকে এরমধ্যে ৬৫টি স্বজন হারানো পরিবারকে এককালীন আর্থিক অনুদান দেয়া হয়। চলমান কার্যকমের ধারাবাহিকতায় আজও ৫টি পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দেয়া হয়। পরিবারগুলো হলো- রংপুর জেলা যুবদল নেতা মোশাররফ হোসেন পদ্ম, আমিরপুর ইউনিয়ন (খুলনা) যুবদল নেতা নজরুল ইসলাম, ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রনেতা মেহেদী হাসান, পাবনা টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ ছাত্রদল নেতা মাসুম বিল্লাহ, সিলেট সদর ছাত্রদল নেতা মো. বদরুল আলম পঙ্গু প্রমুখ।
সংগঠনের সদস্য ও স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদের ভূঁইয়া জুয়েলের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন- বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শফিউল বারী বাবু, যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন হাসান, হেল্প লাইনের মাকসুদ আহমেদ খান রুবেল, রাজীব আহসান চৌধুরী পাপ্পু, ইটালী বিএনপি শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক মান্নান হীরা প্রমুখ।
ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

মুরাদনগর ভয়াবহ আগুন কয়ক কাটি টাকার ক্ষতি 

খালেদা জিয়া পালিয়ে গেছেন কোনো আহাম্মকও বিশ্বাস করবে না: ফখরুল

আপডেট সময় ০১:৫৪:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ জুলাই ২০১৭
জাতীয় ডেস্কঃ
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, খালেদা জিয়া পালিয়ে গেছেন কোনো আহাম্মকও বিশ্বাস করবে না। আওয়ামী লীগের পালিয়ে যাওয়ার অভ্যাস আছে, আমাদের নয়।
বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে জাতীয়তাবাদী হেলপ সেলের উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ সব কথা বলেন।
খালেদা জিয়ার দেশে ফেরা নিয়ে আওয়ামী লীগ নেতাদের সন্দেহের জবাবে  মির্জা ফখরুল বলেন, ‘ওবায়দুল কাদেরকে একজন স্বজ্জন রাজনীতিবিদ মনে করি। কিন্তু সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পাওয়ার আগে এমন ভাষায় তিনি বলতেন না। আমরা বুঝি না কেন তার এই পরিবর্তন। সম্ভবত তিনি সাহিত্যের ছাত্র ছিলেন, আমি নিশ্চিত না। তবে তিনি নাট্যচর্চাতেও বিশেষভাবে পারদর্শী। সেই কারণে তারমধ্যে একটা পরিশীলিত রাজনৈতিক সংস্কৃতি দেখার প্রত্যাশায় ছিলাম। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে তার এই পরিবর্তনটা কেন। সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে তিনি এমন ভাষায় কথা বলছেন যা আগে তার কাছ থেকে শুনিনি। আমরা প্রত্যাশা করি না এতো বড় একটি রাজনৈতিক দল, একটি পুরানো দলের সাধারণ সম্পাদকের এমন ভাষায় কথা বলবেন। সমালোচনা তো হবেই। আমরা রাজনীতি করি। আমরা জনগণের সামনে আছি তারা আমাদের চুলচেরা বিশ্লেষণ করবে।’
সংসদীয় গণতন্ত্রের জন্যও খালেদা জিয়ার ব্যাপক অবদান রয়েছে বলে দাবি করে ফখরুল বলেন, আওয়ামী লীগের দাবি অনুযায়ী তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিও তিনি পূরণ করেছিলেন। সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে খালেদা জিয়াই নির্বাচন দিতে বাধ্য করেছেন বলে দাবি করে ফখরুল।
ফের সংলাপের আহ্বান জানিয়ে বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘বর্তমান সরকারের অধীনে কোনো সুষ্ঠু নির্বাচন হবে না। বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রীর অধীনে। তাই বিএনপি সহায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন দাবি করছে। যাতে করে সেই নির্বাচন অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয় এবং জনগণ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করার সুযোগ পায়।’
জাতীয়তাবাদী হেল্প সেলের পক্ষ থেকে এরমধ্যে ৬৫টি স্বজন হারানো পরিবারকে এককালীন আর্থিক অনুদান দেয়া হয়। চলমান কার্যকমের ধারাবাহিকতায় আজও ৫টি পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দেয়া হয়। পরিবারগুলো হলো- রংপুর জেলা যুবদল নেতা মোশাররফ হোসেন পদ্ম, আমিরপুর ইউনিয়ন (খুলনা) যুবদল নেতা নজরুল ইসলাম, ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রনেতা মেহেদী হাসান, পাবনা টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ ছাত্রদল নেতা মাসুম বিল্লাহ, সিলেট সদর ছাত্রদল নেতা মো. বদরুল আলম পঙ্গু প্রমুখ।
সংগঠনের সদস্য ও স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদের ভূঁইয়া জুয়েলের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন- বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শফিউল বারী বাবু, যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন হাসান, হেল্প লাইনের মাকসুদ আহমেদ খান রুবেল, রাজীব আহসান চৌধুরী পাপ্পু, ইটালী বিএনপি শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক মান্নান হীরা প্রমুখ।