ঢাকা ১০:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ মে ২০২৪, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

চান্দিনায় চুরি হওয়া পিতলের মূর্তি উদ্ধার

চান্দিনা (কুমিল্লা) প্রতিনিধিঃ
কুমিল্লার চান্দিনায় একটি মন্দির থেকে ১৭ কেজি ওজনের পিতলের রাধা-কৃষ্ণ মুর্তি চুরি হওয়ায় তিন পর মুর্তিটি উদ্ধার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (৮ অক্টোবর) সকালে উপজেলার মাইজখার ইউনিয়নের পানিপাড়া গ্রামের উত্তরপাড়া এলাকার সুশেন ভৌমিন এর বাড়ি কাছ থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় মুর্তিটি উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয়রা জানায়, গত ৪ নভেম্বর (শুক্রবার) গভীর রাতে পানিপাড়া গ্রামের সুভাষ চন্দ্র মাস্টারের বাড়ির পূজা মন্ডপ থেকে মুর্তিটি চুরি হয়। এ ঘটনায় সুভাষ মাস্টার বাদী হয়ে চান্দিনা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। এ ঘটনায় এলাকায় প্রশাসনিক তৎপরতা বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে সাথে আতংক ছড়িয়ে পড়ে। অবশেষে সোমবার ভোরে ওই গ্রামের শেষ সীমান্তের একটি পরিত্যক্ত স্থানে মুর্তি ফেলে দিয়ে যায়। সকালে স্থানীয় লোকজন মুর্তি দেখতে পেয়ে থানায় খবর দিলে পুলিশ সকালে মুর্তিটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা (এস.আই) স্বপন কুমার দাশ জানান, মুর্তি চুরি হওয়ার পরপর আমাদের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং তাদের পরামর্শক্রমে আমরা বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করি যাতে মুর্তিটি ফিরিয়ে দিতে বাধ্য হয় চোরচক্র। তবে চক্রটি এখন আমাদের নজরদারীতে রয়েছে। যে কোন সময় তাদেরকে গ্রেফতার করা হবে।
ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

মুরাদনগর বাবুটিপাড়া ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতির ইন্তেকাল

চান্দিনায় চুরি হওয়া পিতলের মূর্তি উদ্ধার

আপডেট সময় ০১:৫৫:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ নভেম্বর ২০১৬
চান্দিনা (কুমিল্লা) প্রতিনিধিঃ
কুমিল্লার চান্দিনায় একটি মন্দির থেকে ১৭ কেজি ওজনের পিতলের রাধা-কৃষ্ণ মুর্তি চুরি হওয়ায় তিন পর মুর্তিটি উদ্ধার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (৮ অক্টোবর) সকালে উপজেলার মাইজখার ইউনিয়নের পানিপাড়া গ্রামের উত্তরপাড়া এলাকার সুশেন ভৌমিন এর বাড়ি কাছ থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় মুর্তিটি উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয়রা জানায়, গত ৪ নভেম্বর (শুক্রবার) গভীর রাতে পানিপাড়া গ্রামের সুভাষ চন্দ্র মাস্টারের বাড়ির পূজা মন্ডপ থেকে মুর্তিটি চুরি হয়। এ ঘটনায় সুভাষ মাস্টার বাদী হয়ে চান্দিনা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। এ ঘটনায় এলাকায় প্রশাসনিক তৎপরতা বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে সাথে আতংক ছড়িয়ে পড়ে। অবশেষে সোমবার ভোরে ওই গ্রামের শেষ সীমান্তের একটি পরিত্যক্ত স্থানে মুর্তি ফেলে দিয়ে যায়। সকালে স্থানীয় লোকজন মুর্তি দেখতে পেয়ে থানায় খবর দিলে পুলিশ সকালে মুর্তিটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা (এস.আই) স্বপন কুমার দাশ জানান, মুর্তি চুরি হওয়ার পরপর আমাদের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং তাদের পরামর্শক্রমে আমরা বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করি যাতে মুর্তিটি ফিরিয়ে দিতে বাধ্য হয় চোরচক্র। তবে চক্রটি এখন আমাদের নজরদারীতে রয়েছে। যে কোন সময় তাদেরকে গ্রেফতার করা হবে।