ঢাকা ১০:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুলাই ২০২৪, ২ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

‘জনজোয়ার দেখে বিএনপি নেতাকর্মীদের সমাবেশে আসতে বাধা দিচ্ছে’

জাতীয় ডেস্কঃ
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অভিযোগ করেছেন, বিএনপির সমাবেশকে বাধাগ্রস্ত করতে সর্বশক্তি নিয়ে মাঠে নেমেছে সরকার। ঢাকায় প্রবেশের সকল পয়েন্টে নেতাকর্মীদের বাধা দেওয়া হচ্ছে। ঢাকা-আরিচা, ঢাকা-গাজীপুর এবং ঢাকা-চট্টগ্রাম সড়কসহ সকল সড়কে যান চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। আমরা সকাল থেকেই খবর পাচ্ছি, বিভিন্ন দিকে রাস্তা-ঘাট বন্ধ করে দিয়েছে। মহাসড়ক বন্ধ করেছে যেন নেতাকর্মীরা সমাবেশে যোগ দিতে না পারেন।
আজ রবিবার সকালে সাংবাদিকদেরকে এই অভিযোগের কথা জানান মির্জা ফখরুল। এদিকে দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী অভিযোগ করেছেন, সমাবেশমুখী মানুষের জোয়ার দেখে সরকারের অন্তরাত্মা কেঁপে উঠেছে। তারা দেখছে সব সড়ক মিশে যাচ্ছে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অভিমুখে। এতে ভয় পেয়ে গণপরিবহন বন্ধ করে দিয়েছে সরকার। সমাবেশে মানুষ আসতে বাধাগ্রস্ত করা হচ্ছে।
প্রসঙ্গত, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে দুপুরে সমাবেশ শুরু হয়েছে। দলটির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন। এদিকে, সমাবেশ সফল করতে সকাল থেকেই আসতে শুরু করেছেন দলের নেতাকর্মীরা।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, সমাবেশে বিএনপির চেয়ারপারসন আগামী জাতীয় নির্বাচন, দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি, আইনশৃঙ্খলার অবনতি, গণতন্ত্রহীনতা, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, রোহিঙ্গা ইস্যুসহ সাধারণ মানুষের সমস্যাসহ বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরে ভাষণ দেবেন।
শনিবার সকালে ২৩টি শর্ত সাপেক্ষে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ করতে বিএনপিকে অনুমতি দেয় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। বিকেল ৫টার মধ্যে সমাবেশ শেষ করতে হবে- এটা অন্যতম প্রধান শর্ত। এ ছাড়া সমাবেশ স্থল ও এর আশপাশে বিএনপিকেই তাদের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় সিসি ক্যামেরা স্থাপন করতে বলেছে ডিএমপি। সমাবেশের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবক দিয়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিতের করাও অন্যতম প্রধান শর্ত। বিএনপির নেতা-কর্মীদেরকে মিছিল নিয়ে অনুষ্ঠানে না আসতেও বলেছে ডিএমপি।
উল্লেখ্য, দীর্ঘ উনিশ মাস পর রাজধানীতে জনসভার আয়োজন করতে যাচ্ছে বিএনপি। এ সমাবেশের মাধ্যমে নিজেদের জনপ্রিয়তা বা জনসমর্থনের বিষয়টি জানান দিতে চায় দলটি।
সর্বশেষ, ২০১৬ সালের ১ মে শ্রমিক দিবস উপলক্ষে শ্রমিক সমাবেশ করে বিএনপি। এর আয়োজন করে জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল। এর আগে ওই বছরের ৫ জানুয়ারি নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে সমাবেশ করার সুযোগ পায় দলটি। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির সং
ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষার্থীদের উপর হামলার প্রতিবাদে মুরাদনগরে বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ

‘জনজোয়ার দেখে বিএনপি নেতাকর্মীদের সমাবেশে আসতে বাধা দিচ্ছে’

আপডেট সময় ০২:২৮:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ নভেম্বর ২০১৭
জাতীয় ডেস্কঃ
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অভিযোগ করেছেন, বিএনপির সমাবেশকে বাধাগ্রস্ত করতে সর্বশক্তি নিয়ে মাঠে নেমেছে সরকার। ঢাকায় প্রবেশের সকল পয়েন্টে নেতাকর্মীদের বাধা দেওয়া হচ্ছে। ঢাকা-আরিচা, ঢাকা-গাজীপুর এবং ঢাকা-চট্টগ্রাম সড়কসহ সকল সড়কে যান চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। আমরা সকাল থেকেই খবর পাচ্ছি, বিভিন্ন দিকে রাস্তা-ঘাট বন্ধ করে দিয়েছে। মহাসড়ক বন্ধ করেছে যেন নেতাকর্মীরা সমাবেশে যোগ দিতে না পারেন।
আজ রবিবার সকালে সাংবাদিকদেরকে এই অভিযোগের কথা জানান মির্জা ফখরুল। এদিকে দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী অভিযোগ করেছেন, সমাবেশমুখী মানুষের জোয়ার দেখে সরকারের অন্তরাত্মা কেঁপে উঠেছে। তারা দেখছে সব সড়ক মিশে যাচ্ছে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অভিমুখে। এতে ভয় পেয়ে গণপরিবহন বন্ধ করে দিয়েছে সরকার। সমাবেশে মানুষ আসতে বাধাগ্রস্ত করা হচ্ছে।
প্রসঙ্গত, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে দুপুরে সমাবেশ শুরু হয়েছে। দলটির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন। এদিকে, সমাবেশ সফল করতে সকাল থেকেই আসতে শুরু করেছেন দলের নেতাকর্মীরা।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, সমাবেশে বিএনপির চেয়ারপারসন আগামী জাতীয় নির্বাচন, দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি, আইনশৃঙ্খলার অবনতি, গণতন্ত্রহীনতা, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, রোহিঙ্গা ইস্যুসহ সাধারণ মানুষের সমস্যাসহ বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরে ভাষণ দেবেন।
শনিবার সকালে ২৩টি শর্ত সাপেক্ষে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ করতে বিএনপিকে অনুমতি দেয় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। বিকেল ৫টার মধ্যে সমাবেশ শেষ করতে হবে- এটা অন্যতম প্রধান শর্ত। এ ছাড়া সমাবেশ স্থল ও এর আশপাশে বিএনপিকেই তাদের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় সিসি ক্যামেরা স্থাপন করতে বলেছে ডিএমপি। সমাবেশের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবক দিয়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিতের করাও অন্যতম প্রধান শর্ত। বিএনপির নেতা-কর্মীদেরকে মিছিল নিয়ে অনুষ্ঠানে না আসতেও বলেছে ডিএমপি।
উল্লেখ্য, দীর্ঘ উনিশ মাস পর রাজধানীতে জনসভার আয়োজন করতে যাচ্ছে বিএনপি। এ সমাবেশের মাধ্যমে নিজেদের জনপ্রিয়তা বা জনসমর্থনের বিষয়টি জানান দিতে চায় দলটি।
সর্বশেষ, ২০১৬ সালের ১ মে শ্রমিক দিবস উপলক্ষে শ্রমিক সমাবেশ করে বিএনপি। এর আয়োজন করে জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল। এর আগে ওই বছরের ৫ জানুয়ারি নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে সমাবেশ করার সুযোগ পায় দলটি। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির সং