ঢাকা ০৮:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০২৪, ৩ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

টাকার অভাবে স্ত্রীর লাশ কাঁধে ১২ কিলোমিটার পাড়ি!

প্রবাস ডেস্কঃ
অর্থাভাবে হাসপাতাল থেকে অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া করতে ব্যর্থ এক স্বামী স্ত্রীর লাশ কাঁধে নিয়ে চলেছেন বাড়ির পথে। পাশেই হেটে চলেছে ১২ বছর বয়সী মেয়ে চাওলা। এভাবেই হতদরিদ্র এক স্বামীকে পাড়ি দিতে হলো ১২ কিলোমিটার পথ। এই করুণ চিত্র দেখা গেছে ভারতের উড়িষ্যা রাজ্যে।
এই ব্যক্তিটির নাম দানা মাঝি। তার স্ত্রী ৪২ বছর বয়সী আমাঙ যক্ষায় আক্রান্ত হয়ে বাওয়ানিপাটনা শহরের হাসপাতালে মারা যান। শহর থেকে ৬০ কিলোমিটার দূরে মাঝির গ্রাম। সেখানে লাশ নিয়ে যাওয়ার জন্য গাড়ি কিংবা অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া করার মতো আর্থিক সঙ্গতি তার ছিল না বলেই জানিয়েছেন মাঝি। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষও তাকে কোনও গাড়ি সরবরাহ করতে অপারগতা প্রকাশ করে।
তবে হাসপাতালের জ্যেষ্ঠ কর্তকর্তা বি বর্মন বলেছেন, ওই নারীকে মঙ্গলবার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। সে রাতেই তিনি মারা যান। তার স্বামী তার লাশ হাসপাতালের কোনো কর্মীকে না জানিয়েই নিয়ে গেছেন।
অবশ্য দানা মাঝির অভিযোগ, তার স্ত্রী মঙ্গলবার রাতে মারা যাওয়ার পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাকে লাশ সরিয়ে নিয়ে যেতে বলে। এরপর বুধবার তিনি লাশ কাঁধে নিয়ে হাঁটা শুরু করেন।
তিনি অভিযোগ করে আরও বলেন, আমি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে আমার স্ত্রীর লাশ বাড়ি নিয়ে যাওয়ার জন্য একটি গাড়ির ব্যবস্থা করে দিতে কাতর মিনতি জানালেও কোনো কাজ হয়নি। আমি গরিব মানুষ, গাড়িভাড়া করার সামর্থ্য নেই। স্ত্রীর লাশ কাঁধে করে নিয়ে যাওয়া ছাড়া আমার কোনও উপায় ছিল না।
তিনি ১২ কিলোমিটার পথ হাঁটার পর পথে কিছু মানুষ তার অবস্থা দেখে একটি অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করে দেয়।
ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষার্থীদের উপর হামলার প্রতিবাদে মুরাদনগরে বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ

টাকার অভাবে স্ত্রীর লাশ কাঁধে ১২ কিলোমিটার পাড়ি!

আপডেট সময় ০৭:০১:৩৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ অগাস্ট ২০১৬
প্রবাস ডেস্কঃ
অর্থাভাবে হাসপাতাল থেকে অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া করতে ব্যর্থ এক স্বামী স্ত্রীর লাশ কাঁধে নিয়ে চলেছেন বাড়ির পথে। পাশেই হেটে চলেছে ১২ বছর বয়সী মেয়ে চাওলা। এভাবেই হতদরিদ্র এক স্বামীকে পাড়ি দিতে হলো ১২ কিলোমিটার পথ। এই করুণ চিত্র দেখা গেছে ভারতের উড়িষ্যা রাজ্যে।
এই ব্যক্তিটির নাম দানা মাঝি। তার স্ত্রী ৪২ বছর বয়সী আমাঙ যক্ষায় আক্রান্ত হয়ে বাওয়ানিপাটনা শহরের হাসপাতালে মারা যান। শহর থেকে ৬০ কিলোমিটার দূরে মাঝির গ্রাম। সেখানে লাশ নিয়ে যাওয়ার জন্য গাড়ি কিংবা অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া করার মতো আর্থিক সঙ্গতি তার ছিল না বলেই জানিয়েছেন মাঝি। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষও তাকে কোনও গাড়ি সরবরাহ করতে অপারগতা প্রকাশ করে।
তবে হাসপাতালের জ্যেষ্ঠ কর্তকর্তা বি বর্মন বলেছেন, ওই নারীকে মঙ্গলবার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। সে রাতেই তিনি মারা যান। তার স্বামী তার লাশ হাসপাতালের কোনো কর্মীকে না জানিয়েই নিয়ে গেছেন।
অবশ্য দানা মাঝির অভিযোগ, তার স্ত্রী মঙ্গলবার রাতে মারা যাওয়ার পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাকে লাশ সরিয়ে নিয়ে যেতে বলে। এরপর বুধবার তিনি লাশ কাঁধে নিয়ে হাঁটা শুরু করেন।
তিনি অভিযোগ করে আরও বলেন, আমি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে আমার স্ত্রীর লাশ বাড়ি নিয়ে যাওয়ার জন্য একটি গাড়ির ব্যবস্থা করে দিতে কাতর মিনতি জানালেও কোনো কাজ হয়নি। আমি গরিব মানুষ, গাড়িভাড়া করার সামর্থ্য নেই। স্ত্রীর লাশ কাঁধে করে নিয়ে যাওয়া ছাড়া আমার কোনও উপায় ছিল না।
তিনি ১২ কিলোমিটার পথ হাঁটার পর পথে কিছু মানুষ তার অবস্থা দেখে একটি অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করে দেয়।