ঢাকা ০৭:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ জুন ২০২৪, ১ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

তিতাসে ইফতার স্বল্পতা খালি হাতে ফিরে গেলেন মুসল্লিরা

নাজমুল করিম ফারুক , তিতাস (কুমিল্লা) প্রতিনিধিঃ

কুমিল্লার তিতাসে উপজেলা বিএনপি উদ্যোগে আয়োজিত ইফতার মাহফিলে ইফতার স্বল্পতার কারণে উপস্থিত অধিকাংশ মুসল্লি ইফতার ছাড়াই খালি হাতে ফিরে গেলেন।

শুক্রবার উপজেলার কড়িকান্দি বাজারস্থ ইভা কিন্ডার গার্টেন মাঠে এ ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। গত তিন বছর যাদের বিএনপি’র কোন অনুষ্ঠান বা আন্দোলন সংগ্রামে দেখা যায়নি হঠাৎ এমন মৌসুমী নেতাদের আবিরভাবে মাঠ পর্যায়ের কর্মীদের বিচলিত করে। মোনাজাত পরবর্তী সময়ে ইফতার স্বল্পতা নিয়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে সাময়িক হট্টগোল দেখা যায়। অনেকে ইফতার স্বল্পতার কারণ হিসেবে দলের ভেতরের মতবিরোধকে আখ্যায়িত করেন।

উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আক্তারুজ্জামান আক্তারের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি ছিলেন, কুমিল্লা (উত্তর) জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ আক্তারুজ্জামান সরকার। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, তিতাস উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সালাউদ্দিন সরকার ও হোমনা উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এড. আজিজুল হক মোল্লা। অন্যান্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আলী হোসেন মোল্লা, এমদাদ হোসেন আখন্দ, ছাদির মিয়া, দেলোয়ার হোসেন, আক্তারুল হক মাষ্টার, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ ওসমান গণি, উপজেলা যুবদলের সভাপতি তোফায়েল হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী কবির হোসেন সেন্টু, উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি মনির হোসেন ভূঁইয়া, উপজেলা জাসাসের সভাপতি মেহেদী হাসান সেলিম, সাধারণ সম্পাদক মোঃ শামির হোসেন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের সভাপতি ফারুক হোসেন সরকার, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আলাউদ্দিন, উপজেলা শ্রমিকদলের সভাপতি আদিলুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম জাদু প্রমূখ।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক নেতাকর্মী জানান, বিএনপির ঘাঁটি হিসাবে পরিচিত তিতাস উপজেলায় বিএনপির কোন অনুষ্ঠান হলেই নেতাকর্মীদের সমাগম ঘটে এটাই বাস্তব। অথচ উপজেলা পর্যায়ের একটি ইফতার মাহফিলে একহাজার লোকের মাঝে ইফতার সামগ্রী তুলে দিতে পারে না তা অত্যন্ত দুঃখের ও লজ্জার বিষয়। এদিকে বিতরণকৃত ৭শ প্যাকেট নিয়েও বির্তকের সৃষ্টি হয়। অনেকে অভিযোগ তুলেন এখানে বড়জোর ৩শ থেকে সাড়ে ৩শ প্যাকেট বিতরণ করা হয়েছে।

ইফতার তদারকিতে থাকা একাধিক ব্যক্তি জানান, ৭শ উপরে ইফতারের প্যাকেট বিতরণ করা হয়েছে। তারপরও লোক সমাগমের কারণে সকলের হাতে ইফতার তুলে দেয়া সম্ভব হয়নি।

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

তিতাসে ইফতার স্বল্পতা খালি হাতে ফিরে গেলেন মুসল্লিরা

আপডেট সময় ০৩:৫০:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ জুন ২০১৭
নাজমুল করিম ফারুক , তিতাস (কুমিল্লা) প্রতিনিধিঃ

কুমিল্লার তিতাসে উপজেলা বিএনপি উদ্যোগে আয়োজিত ইফতার মাহফিলে ইফতার স্বল্পতার কারণে উপস্থিত অধিকাংশ মুসল্লি ইফতার ছাড়াই খালি হাতে ফিরে গেলেন।

শুক্রবার উপজেলার কড়িকান্দি বাজারস্থ ইভা কিন্ডার গার্টেন মাঠে এ ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। গত তিন বছর যাদের বিএনপি’র কোন অনুষ্ঠান বা আন্দোলন সংগ্রামে দেখা যায়নি হঠাৎ এমন মৌসুমী নেতাদের আবিরভাবে মাঠ পর্যায়ের কর্মীদের বিচলিত করে। মোনাজাত পরবর্তী সময়ে ইফতার স্বল্পতা নিয়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে সাময়িক হট্টগোল দেখা যায়। অনেকে ইফতার স্বল্পতার কারণ হিসেবে দলের ভেতরের মতবিরোধকে আখ্যায়িত করেন।

উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আক্তারুজ্জামান আক্তারের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি ছিলেন, কুমিল্লা (উত্তর) জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ আক্তারুজ্জামান সরকার। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, তিতাস উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সালাউদ্দিন সরকার ও হোমনা উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এড. আজিজুল হক মোল্লা। অন্যান্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আলী হোসেন মোল্লা, এমদাদ হোসেন আখন্দ, ছাদির মিয়া, দেলোয়ার হোসেন, আক্তারুল হক মাষ্টার, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ ওসমান গণি, উপজেলা যুবদলের সভাপতি তোফায়েল হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী কবির হোসেন সেন্টু, উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি মনির হোসেন ভূঁইয়া, উপজেলা জাসাসের সভাপতি মেহেদী হাসান সেলিম, সাধারণ সম্পাদক মোঃ শামির হোসেন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের সভাপতি ফারুক হোসেন সরকার, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আলাউদ্দিন, উপজেলা শ্রমিকদলের সভাপতি আদিলুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম জাদু প্রমূখ।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক নেতাকর্মী জানান, বিএনপির ঘাঁটি হিসাবে পরিচিত তিতাস উপজেলায় বিএনপির কোন অনুষ্ঠান হলেই নেতাকর্মীদের সমাগম ঘটে এটাই বাস্তব। অথচ উপজেলা পর্যায়ের একটি ইফতার মাহফিলে একহাজার লোকের মাঝে ইফতার সামগ্রী তুলে দিতে পারে না তা অত্যন্ত দুঃখের ও লজ্জার বিষয়। এদিকে বিতরণকৃত ৭শ প্যাকেট নিয়েও বির্তকের সৃষ্টি হয়। অনেকে অভিযোগ তুলেন এখানে বড়জোর ৩শ থেকে সাড়ে ৩শ প্যাকেট বিতরণ করা হয়েছে।

ইফতার তদারকিতে থাকা একাধিক ব্যক্তি জানান, ৭শ উপরে ইফতারের প্যাকেট বিতরণ করা হয়েছে। তারপরও লোক সমাগমের কারণে সকলের হাতে ইফতার তুলে দেয়া সম্ভব হয়নি।