ঢাকা ০২:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৪, ৩ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

তিতাসে দুই গ্রামবাসীর দুঃখ বাঁশের সাঁকো

তিতাস (কুমিল্লা) প্রতিনিধিঃ

কুমিল্লার তিতাসে প্রথম সরস্বতির চর ও দ্বিতীয় সরস্বতির চর গ্রামের মাঝখানের খালের উপর কোনো পাকা সেতু না থাকায় ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিন শত শত শিক্ষার্থী ও সাধারণ লোকজন চলাচল করছে বাঁশের সাঁকো দিয়ে। স্বাধীনতার পরবর্তী সময় থেকে এখন পর্যন্ত ওই স্থানে কোনো সেতু বা কালভার্ট নির্মাণ না হওয়ায় দুই গ্রামবাসীর দুঃখের প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়ে আছে সাঁকোটি।

উপজেলার সাতানী ইউনিয়নের দ্বিতীয় সরস্বতির চর থেকে প্রথম সরস্বতির চর গ্রামে যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম এ সাঁকো। প্রথম সরস্বতির চর গ্রামে কোনো প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও মাদ্রাসা না থাকায় ওই গ্রামের শতাধিক শিক্ষার্থী প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে ইউনিয়ন কারিগরি উচ্চ বিদ্যালয়, সরস্বতির চর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দ্বিতীয় সরস্বতি চর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও চরকুমারিয়া মাদ্রাসায় যাতায়াত করে।

 

শুধু শিক্ষার্থী নয়, ওই সাঁকো দিয়ে প্রতিদিন প্রথম সরস্বতির চর গ্রামের দুই শতাধিক লোক জীবনের তাগিদে ও দৈনন্দিন কাজে যেমন যাতায়াত করে তেমনি দ্বিতীয় সরস্বতির চর গ্রামের শতাধিক কৃষক কৃষিকাজের জন্য ওই সাঁকোটি ব্যবহার করে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ নোমান জানান, জায়গাটি আমি পরিদর্শন করেছি। খালের প্রস্থ বেশি হওয়ায় এখানে ছোট ব্রিজ বা কালভার্ট নির্মাণ করা সম্ভব নয়। উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ আনোয়ার হোসেন জানান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিষয়টি আমার সঙ্গে শেয়ার করার পর স্থানটি পরিদর্শন করেছি। সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

মুরাদনগর ভয়াবহ আগুন কয়ক কাটি টাকার ক্ষতি 

তিতাসে দুই গ্রামবাসীর দুঃখ বাঁশের সাঁকো

আপডেট সময় ০৬:৫৩:৪৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ জুলাই ২০১৭
তিতাস (কুমিল্লা) প্রতিনিধিঃ

কুমিল্লার তিতাসে প্রথম সরস্বতির চর ও দ্বিতীয় সরস্বতির চর গ্রামের মাঝখানের খালের উপর কোনো পাকা সেতু না থাকায় ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিন শত শত শিক্ষার্থী ও সাধারণ লোকজন চলাচল করছে বাঁশের সাঁকো দিয়ে। স্বাধীনতার পরবর্তী সময় থেকে এখন পর্যন্ত ওই স্থানে কোনো সেতু বা কালভার্ট নির্মাণ না হওয়ায় দুই গ্রামবাসীর দুঃখের প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়ে আছে সাঁকোটি।

উপজেলার সাতানী ইউনিয়নের দ্বিতীয় সরস্বতির চর থেকে প্রথম সরস্বতির চর গ্রামে যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম এ সাঁকো। প্রথম সরস্বতির চর গ্রামে কোনো প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও মাদ্রাসা না থাকায় ওই গ্রামের শতাধিক শিক্ষার্থী প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে ইউনিয়ন কারিগরি উচ্চ বিদ্যালয়, সরস্বতির চর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দ্বিতীয় সরস্বতি চর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও চরকুমারিয়া মাদ্রাসায় যাতায়াত করে।

 

শুধু শিক্ষার্থী নয়, ওই সাঁকো দিয়ে প্রতিদিন প্রথম সরস্বতির চর গ্রামের দুই শতাধিক লোক জীবনের তাগিদে ও দৈনন্দিন কাজে যেমন যাতায়াত করে তেমনি দ্বিতীয় সরস্বতির চর গ্রামের শতাধিক কৃষক কৃষিকাজের জন্য ওই সাঁকোটি ব্যবহার করে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ নোমান জানান, জায়গাটি আমি পরিদর্শন করেছি। খালের প্রস্থ বেশি হওয়ায় এখানে ছোট ব্রিজ বা কালভার্ট নির্মাণ করা সম্ভব নয়। উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ আনোয়ার হোসেন জানান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিষয়টি আমার সঙ্গে শেয়ার করার পর স্থানটি পরিদর্শন করেছি। সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।