ঢাকা ০৭:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৪, ৩ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

তিতাসে দুই সতীনের ঝগড়া থামাতে গিয়ে দেবরের মৃত্যু ॥ আটক ৭

নাজমুল করিম ফারুক, তিতাস (কুমিল্লা) সংবাদদাতা ঃ

কুমিল্লা তিতাস উপজেলায় দুই সতীনের ঝগড়া থামাতে গিয়ে দেবরের মৃত্যুর অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় পুলিশ ৭ জনকে আটক করেছে।

মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার আফজালকান্দি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত ব্যক্তি আফজালকান্দি গ্রামের মৃত আঃ ছালামের ছেলে এনু মিয়া (৫০)।

আটককৃতরা হলেন, নিহতের বড় ভাই মফিজ উদ্দিন (৫৭), ছোট ভাই সজল মিয়া (৪৫), বড় ভাই মোস্তফার দুই স্ত্রী ফাতেমা বেগম (৪০) ও হাছিনা বেগম (৪৭), ছেলে হায়দার আলী (২১), মেয়ে আছনেছার বেগম (২২) ও আকলিমা আক্তার (২৫)।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে উপজেলার কলাকান্দি ইউনিয়নের আফজালকান্দি গ্রামের মৃত মোস্তফার দুই স্ত্রী ও সন্তানদের মধ্যে ঝগড়ার সৃষ্টি হয়। এসময় মোস্তফার ছোট ভাই এনু মিয়া তাদের ঝগড়া থামাতে গেলে তাকে মাথায় আঘাত করে। এক পর্যায়ে সে মাটিতে লুটিয়ে পড়লে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করে। পরে তিতাস থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে লাশ উদ্ধার করে এবং প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৭জনকে আটক করে।

তিতাস থানার এসআই শেখ কামাল উদ্দিন জানান, নিহতের শরীরে কোন আঘাতের চিহ্ন নেই তবে ময়না তদন্ত প্রতিবেদনের পর মৃত্যুর কারণ বলা যাবে।

তিতাস থানার ওসি মো. নুরুল আমিন বলেন, “দুই সতিনের পরিবারে  ঝগড়া থামাতে গিয়েছিল দেবর। তবে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন ছাড়া কিছু বলা যাচ্ছে না। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাতজনকে থানায় আনা হয়েছে। “

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

মুরাদনগর ভয়াবহ আগুন কয়ক কাটি টাকার ক্ষতি 

তিতাসে দুই সতীনের ঝগড়া থামাতে গিয়ে দেবরের মৃত্যু ॥ আটক ৭

আপডেট সময় ০২:৪০:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ অক্টোবর ২০১৭
নাজমুল করিম ফারুক, তিতাস (কুমিল্লা) সংবাদদাতা ঃ

কুমিল্লা তিতাস উপজেলায় দুই সতীনের ঝগড়া থামাতে গিয়ে দেবরের মৃত্যুর অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় পুলিশ ৭ জনকে আটক করেছে।

মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার আফজালকান্দি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত ব্যক্তি আফজালকান্দি গ্রামের মৃত আঃ ছালামের ছেলে এনু মিয়া (৫০)।

আটককৃতরা হলেন, নিহতের বড় ভাই মফিজ উদ্দিন (৫৭), ছোট ভাই সজল মিয়া (৪৫), বড় ভাই মোস্তফার দুই স্ত্রী ফাতেমা বেগম (৪০) ও হাছিনা বেগম (৪৭), ছেলে হায়দার আলী (২১), মেয়ে আছনেছার বেগম (২২) ও আকলিমা আক্তার (২৫)।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে উপজেলার কলাকান্দি ইউনিয়নের আফজালকান্দি গ্রামের মৃত মোস্তফার দুই স্ত্রী ও সন্তানদের মধ্যে ঝগড়ার সৃষ্টি হয়। এসময় মোস্তফার ছোট ভাই এনু মিয়া তাদের ঝগড়া থামাতে গেলে তাকে মাথায় আঘাত করে। এক পর্যায়ে সে মাটিতে লুটিয়ে পড়লে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করে। পরে তিতাস থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে লাশ উদ্ধার করে এবং প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৭জনকে আটক করে।

তিতাস থানার এসআই শেখ কামাল উদ্দিন জানান, নিহতের শরীরে কোন আঘাতের চিহ্ন নেই তবে ময়না তদন্ত প্রতিবেদনের পর মৃত্যুর কারণ বলা যাবে।

তিতাস থানার ওসি মো. নুরুল আমিন বলেন, “দুই সতিনের পরিবারে  ঝগড়া থামাতে গিয়েছিল দেবর। তবে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন ছাড়া কিছু বলা যাচ্ছে না। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাতজনকে থানায় আনা হয়েছে। “