ঢাকা ০২:৫৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ জুন ২০২৪, ৬ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

তিতাসে প্রাকৃতিক দুর্যোগকবলিত মানুষের মাঝে অনুদান

তিতাস (কুমিল্লা) প্রতিনিধি:
কুমিল্লার তিতাসের অগ্নিকাণ্ড, কালবৈশাখী ঝড়ো হাওয়া কিবাং বজ্রপাতে প্রাণহানির মতো ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়াচ্ছে প্রশাসন। প্রদান করা হচ্ছে তাত্ক্ষণিক নগদ অর্থও।
জানা যায়, বুধবার বিকেলে উপজেলার সাতানী ইউনিয়নের নয়াকান্দি গ্রামের আবদুল বারেক (২৮) জমিতে কাজ করার সময় নিহত হয়। এসময় তাত্ক্ষণিক নিহতের স্ত্রী ও সন্তানদের হাতে নগদ ২০ হাজার টাকা প্রদান করা হয়। ৩০ এপ্রিল উপজেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া কালবৈশাখী ঝড়ে উপজেলার অধিকাংশ এলাকার ঘর-বাড়ি, গাছ-পালা ও ফসলী জমি নষ্ট হয়। পহেলা মে উপজেলার সাতানী ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর গ্রামের অসহায় দিনমুজুর আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে রিপন ও ফারুক এবং শাহজুদ্দিনের ছেলে রুহুল আমিনের ক্ষতিগ্রস্ত বসতঘর পরিদর্শন করে তাত্ক্ষণিক ২ মেট্রিকটন চাল অনুদান দেয় উপজেলা প্রশাসন।
তিতাসবাসীর একাংশের দুঃখ গোমতী নদীর ভাঙনের যন্ত্রণা সইতে হয় প্রতিবছর বর্ষার শুরু ও শেষে। এবছর একাধিকবার প্রশাসনের কর্মকর্তাগণ উক্ত ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা করে প্রয়োজনীয় অনুদান দেয়ার আশ্বাস দেন। যা এখনও চলমান। এছাড়া বাল্যবিবাহ, যৌতুক বা পারিবারিক সংহিসতার প্রতিকারে প্রয়োজনীয় সচেতনতামূলক সভা সমাবেশ ও সেমিনার করে যাচ্ছেন কর্মকর্তারা।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি তাত্ক্ষণিক অসহায় হয়ে পড়ে। এসময় অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে সহানুভূতি প্রকাশ করা প্রশাসনের একটি বড় কাজ।
ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

তিতাসে প্রাকৃতিক দুর্যোগকবলিত মানুষের মাঝে অনুদান

আপডেট সময় ০৫:৩২:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ মে ২০১৮
তিতাস (কুমিল্লা) প্রতিনিধি:
কুমিল্লার তিতাসের অগ্নিকাণ্ড, কালবৈশাখী ঝড়ো হাওয়া কিবাং বজ্রপাতে প্রাণহানির মতো ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়াচ্ছে প্রশাসন। প্রদান করা হচ্ছে তাত্ক্ষণিক নগদ অর্থও।
জানা যায়, বুধবার বিকেলে উপজেলার সাতানী ইউনিয়নের নয়াকান্দি গ্রামের আবদুল বারেক (২৮) জমিতে কাজ করার সময় নিহত হয়। এসময় তাত্ক্ষণিক নিহতের স্ত্রী ও সন্তানদের হাতে নগদ ২০ হাজার টাকা প্রদান করা হয়। ৩০ এপ্রিল উপজেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া কালবৈশাখী ঝড়ে উপজেলার অধিকাংশ এলাকার ঘর-বাড়ি, গাছ-পালা ও ফসলী জমি নষ্ট হয়। পহেলা মে উপজেলার সাতানী ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর গ্রামের অসহায় দিনমুজুর আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে রিপন ও ফারুক এবং শাহজুদ্দিনের ছেলে রুহুল আমিনের ক্ষতিগ্রস্ত বসতঘর পরিদর্শন করে তাত্ক্ষণিক ২ মেট্রিকটন চাল অনুদান দেয় উপজেলা প্রশাসন।
তিতাসবাসীর একাংশের দুঃখ গোমতী নদীর ভাঙনের যন্ত্রণা সইতে হয় প্রতিবছর বর্ষার শুরু ও শেষে। এবছর একাধিকবার প্রশাসনের কর্মকর্তাগণ উক্ত ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা করে প্রয়োজনীয় অনুদান দেয়ার আশ্বাস দেন। যা এখনও চলমান। এছাড়া বাল্যবিবাহ, যৌতুক বা পারিবারিক সংহিসতার প্রতিকারে প্রয়োজনীয় সচেতনতামূলক সভা সমাবেশ ও সেমিনার করে যাচ্ছেন কর্মকর্তারা।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি তাত্ক্ষণিক অসহায় হয়ে পড়ে। এসময় অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে সহানুভূতি প্রকাশ করা প্রশাসনের একটি বড় কাজ।