ঢাকা ১১:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ মে ২০২৪, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

তিতাসে স্কুল ছাত্র হৃদয় হত্যাকান্ডে ৩জনের স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি

নাজমুল করিম ফারুক, তিতাস (কুমিল্লা) প্রতিনিধিঃ

কুমিল্লার তিতাসে ৭ম শ্রেণির ছাত্র আবু তাহের হৃদয় (১৪) কে অপহরণের পর মুক্তিপন না পাওয়ায়  হত্যা করে হোমনা উপজেলার তিতাস নদীতে বস্তাভর্তি লাশ ভাসিয়ে দেয়া কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে আটককৃত তিন আসামী। এদিকে হৃদয়ের বস্তাভর্তি লাশ তৃতীয়দিনেও উদ্ধার করতে পারেনি ডুবুরি দল।

মঙ্গলবার বিকেলে আটকৃকদের জেলা আদালতে হাজির করা হলে তাদের মধ্যে ৩জন স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে।

তিতাস থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আ.স.ম আব্দুন নূর জানান, আটককৃতদের আদালতে হাজির করা হলে রিয়াদ হোসেন, মহিন আহমেদ ও সাকিব দোষ স্বীকার করে জবাববন্দি দেন এবং অপর আরেক জনের মোহাম্মদ আলীর রিমান্ড চাওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ২১ ডিসেম্বর বুধবার সন্ধ্যায় হৃদয় তার নিজ বাড়ি মধ্য আকালিয়ার পশ্চিম পাশে ব্যাডমিন্টন খেলতে গেলে আর বাড়ি ফিরে আসেনি। পরদিন বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় হৃদয়ের পিতা বশির মিয়ার নিকট মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ২০লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে একটি ফোন আসে। উক্ত ফোনের সূত্র ধরে একই গ্রামের রেনু মিয়ার ছেলে রিয়াদ হোসেন, আবদুল মতিনের ছেলে মোহাম্মদ আলী, নজরুল ইসলামের ছেলে মহিন আহমেদ ও কালাইগোবিন্দপুর গ্রামের ভাড়াটিয়া জাকির হোসেনের ছেলে সাকিবকে আটক করে থানা পুলিশ। গ্রেফতারকৃতদের জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানায় হৃদয়কে অপহরণের পর ওই রাতেই বস্তাবন্দী করে হোমনা-বাঞ্ছারামপুর সংযোগ সেতুর ওপর থেকে তিতাস নদীতে ফেলে দেয়।

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মুরাদনগর বাবুটিপাড়া ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতির ইন্তেকাল

তিতাসে স্কুল ছাত্র হৃদয় হত্যাকান্ডে ৩জনের স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি

আপডেট সময় ০৭:৫৩:৫০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০১৬
নাজমুল করিম ফারুক, তিতাস (কুমিল্লা) প্রতিনিধিঃ

কুমিল্লার তিতাসে ৭ম শ্রেণির ছাত্র আবু তাহের হৃদয় (১৪) কে অপহরণের পর মুক্তিপন না পাওয়ায়  হত্যা করে হোমনা উপজেলার তিতাস নদীতে বস্তাভর্তি লাশ ভাসিয়ে দেয়া কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে আটককৃত তিন আসামী। এদিকে হৃদয়ের বস্তাভর্তি লাশ তৃতীয়দিনেও উদ্ধার করতে পারেনি ডুবুরি দল।

মঙ্গলবার বিকেলে আটকৃকদের জেলা আদালতে হাজির করা হলে তাদের মধ্যে ৩জন স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে।

তিতাস থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আ.স.ম আব্দুন নূর জানান, আটককৃতদের আদালতে হাজির করা হলে রিয়াদ হোসেন, মহিন আহমেদ ও সাকিব দোষ স্বীকার করে জবাববন্দি দেন এবং অপর আরেক জনের মোহাম্মদ আলীর রিমান্ড চাওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ২১ ডিসেম্বর বুধবার সন্ধ্যায় হৃদয় তার নিজ বাড়ি মধ্য আকালিয়ার পশ্চিম পাশে ব্যাডমিন্টন খেলতে গেলে আর বাড়ি ফিরে আসেনি। পরদিন বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় হৃদয়ের পিতা বশির মিয়ার নিকট মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ২০লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে একটি ফোন আসে। উক্ত ফোনের সূত্র ধরে একই গ্রামের রেনু মিয়ার ছেলে রিয়াদ হোসেন, আবদুল মতিনের ছেলে মোহাম্মদ আলী, নজরুল ইসলামের ছেলে মহিন আহমেদ ও কালাইগোবিন্দপুর গ্রামের ভাড়াটিয়া জাকির হোসেনের ছেলে সাকিবকে আটক করে থানা পুলিশ। গ্রেফতারকৃতদের জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানায় হৃদয়কে অপহরণের পর ওই রাতেই বস্তাবন্দী করে হোমনা-বাঞ্ছারামপুর সংযোগ সেতুর ওপর থেকে তিতাস নদীতে ফেলে দেয়।