ঢাকা ০২:১১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ জুন ২০২৪, ৮ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

তিতাসে স্ত্রীর ওড়না দিয়ে স্বামীর আত্মহত্যা

তিতাস (কুমিল্লা) সংবাদদাতা

কুমিল্লার তিতাসে স্ত্রীর ওড়না দিয়ে স্বামীর আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। রবিবার দুপুরে উপজেলার বন্দরামপুর গ্রাম সংলগ্ন বিদ্যুত্ খুঁটি থেকে স্বামী মাজারুল ইসলামের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত মাজারুল বন্দরামপুর গ্রামের মৃত মঙ্গল মিয়ার ছেলে। স্ত্রী শানু আক্তারের অনৈতিক কর্মকাণ্ডের ফলে সে গত একমাস আগে ওমান থেকে দেশে ফিরে আসে। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বন্দরামপুর গ্রামের মঙ্গল মিয়ার তৃতীয় ছেলে মাজারুল ইসলাম ১১ বছর পূর্বে একই গ্রামের শাহজাহান মিয়ার মেয়ে শানু আক্তারকে বিয়ে করে।

তাদের সংসারে এক পুত্র ও এক কন্যা সন্তান রয়েছে। পারিবারিক সচ্ছলতার জন্য মাজারুল বিদেশ চলে যায়। স্বামীর বিদেশি টাকায় ভালোই চলতো শানু সংসার। গত প্রায় দুই মাস পূর্বে একই গ্রামের বাসিন্দার ও কড়িকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আবুল কাশেম মেম্বারের ছেলে দেলোয়ার হোসেনের সঙ্গে অন্তরঙ্গতার একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। বিষয়টি থানা পর্যন্ত গড়ালেও দেলোয়ারের বাবার প্রভাবে তা ধামাচাপা পড়ে যায়। বিষয়টি ভালোভাবে নিতে পারেনি মাজারুল।

ঘটনার কিছুদিন পরে সে দেশে ফিরে আসে। এরপর বন্দরামপুর গ্রাম থেকে বাসা পরিবর্তন করে দাউদকান্দির গৌরীপুর বাজার সংলগ্ন হাটচান্দিনা ভাড়া বাসায় স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে বসবাস করে আসছিলেন। এরই মধ্যে এলাকার লোকজন রবিবার সকালে প্রায় সাত কিলোমিটার দূরে মাজারুলের বন্দরামপুরস্থ বাড়ি সংলগ্ন বিদ্যুতের খুঁটিতে তার ঝুলন্ত লাশ দেখতে পায়। নিজের স্ত্রীর ওড়না দিয়ে কেন এত দূরে এসে গলায় ফাঁস দিলো এ নিয়ে চলছে জল্পনা কল্পনা। এ বিষয়ে স্ত্রী শানুর ব্যবহূত মোবাইল ফোনে বারবার চেষ্টা করলে তা বন্ধ পাওয়া যায়।

তিতাস থানার এসআই কমল মালাকার জানান, খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করেছে। এ বিষয়ে একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। সে আত্মহত্যা করতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তিতাসে স্ত্রীর ওড়না দিয়ে স্বামীর আত্মহত্যা

আপডেট সময় ০৮:৪১:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ মে ২০১৮
তিতাস (কুমিল্লা) সংবাদদাতা

কুমিল্লার তিতাসে স্ত্রীর ওড়না দিয়ে স্বামীর আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। রবিবার দুপুরে উপজেলার বন্দরামপুর গ্রাম সংলগ্ন বিদ্যুত্ খুঁটি থেকে স্বামী মাজারুল ইসলামের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত মাজারুল বন্দরামপুর গ্রামের মৃত মঙ্গল মিয়ার ছেলে। স্ত্রী শানু আক্তারের অনৈতিক কর্মকাণ্ডের ফলে সে গত একমাস আগে ওমান থেকে দেশে ফিরে আসে। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বন্দরামপুর গ্রামের মঙ্গল মিয়ার তৃতীয় ছেলে মাজারুল ইসলাম ১১ বছর পূর্বে একই গ্রামের শাহজাহান মিয়ার মেয়ে শানু আক্তারকে বিয়ে করে।

তাদের সংসারে এক পুত্র ও এক কন্যা সন্তান রয়েছে। পারিবারিক সচ্ছলতার জন্য মাজারুল বিদেশ চলে যায়। স্বামীর বিদেশি টাকায় ভালোই চলতো শানু সংসার। গত প্রায় দুই মাস পূর্বে একই গ্রামের বাসিন্দার ও কড়িকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আবুল কাশেম মেম্বারের ছেলে দেলোয়ার হোসেনের সঙ্গে অন্তরঙ্গতার একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। বিষয়টি থানা পর্যন্ত গড়ালেও দেলোয়ারের বাবার প্রভাবে তা ধামাচাপা পড়ে যায়। বিষয়টি ভালোভাবে নিতে পারেনি মাজারুল।

ঘটনার কিছুদিন পরে সে দেশে ফিরে আসে। এরপর বন্দরামপুর গ্রাম থেকে বাসা পরিবর্তন করে দাউদকান্দির গৌরীপুর বাজার সংলগ্ন হাটচান্দিনা ভাড়া বাসায় স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে বসবাস করে আসছিলেন। এরই মধ্যে এলাকার লোকজন রবিবার সকালে প্রায় সাত কিলোমিটার দূরে মাজারুলের বন্দরামপুরস্থ বাড়ি সংলগ্ন বিদ্যুতের খুঁটিতে তার ঝুলন্ত লাশ দেখতে পায়। নিজের স্ত্রীর ওড়না দিয়ে কেন এত দূরে এসে গলায় ফাঁস দিলো এ নিয়ে চলছে জল্পনা কল্পনা। এ বিষয়ে স্ত্রী শানুর ব্যবহূত মোবাইল ফোনে বারবার চেষ্টা করলে তা বন্ধ পাওয়া যায়।

তিতাস থানার এসআই কমল মালাকার জানান, খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করেছে। এ বিষয়ে একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। সে আত্মহত্যা করতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।