ঢাকা ০৯:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ জুন ২০২৪, ২ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

তিন মামলায় খালেদা জিয়ার জামিন বিষয়ে আদেশ আজ

জাতীয় ডেস্কঃ
কুমিল্লার নাশকতার দুটি এবং নড়াইলের মানহানির একটি মামলায় বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার জামিন আবেদনের ওপর শুনানি শেষ হয়েছে। আজ সোমবার এ বিষয়ে আদেশ দেবে হাইকোর্ট। গতকাল রবিবার শুনানি শেষে বিচারপতি একেএম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি জেবিএম হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ আদেশের জন্য এদিন ধার্য করে দেন।
এদিকে ঢাকার দুটি মানহানির মামলায় খালেদা জিয়ার জামিন আবেদন শুনানির জন্য হাইকোর্টের দৈনন্দিন কার্যতালিকায় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সহিদুল করিমের সমন্বয়ে গঠিত ডিভিশন বেঞ্চে এ শুনানি হবে। জাতীয় পতাকা অবমাননা এবং ১৫ আগস্ট জন্মদিন পালনের অভিযোগে ঢাকার আদালতে এ দুটি মামলা করা হয়। এ মামলায় খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকরের জন্য সম্প্রতি আদেশ দিয়েছে ম্যাজিস্ট্রেট আদালত।
তিন মামলায় জামিনের শুনানিতে খালেদা জিয়ার আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, মানহানির মামলাটি জামিনযোগ্য। এ কারণে আবেদনকারীর জামিন পাওয়া হকদার। এরপরেও ম্যাজিস্ট্রেট আদালত জামিন আবেদনের ওপর আদেশ না দিয়ে তা নথিভুক্ত করে রেখেছে।
তিনি বলেন, খালেদা জিয়া অসুস্থ। তিনি জামিন পেলে পালিয়ে যাবেন না। এ কারণে আমরা উচ্চ আদালতে জামিন চেয়েছি। এটা জনগণের সর্বশেষ আশ্রয়স্থল। আর সরকারের সদিচ্ছা না থাকলে তিনি কারাগার থেকে বেরোতে পারবেন না।
অপর আইনজীবী ব্যারিস্টার এম মাহবুবউদ্দিন খোকন বলেন, কুমিল্লায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে যে মামলাটি করেছে তা ত্রুটিপূর্ণ। কারণ যে কাভার্ড ভ্যান পুড়িয়ে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে সেটা সরকারি সম্পত্তি নয়, ব্যক্তিগত। বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা করতে হলে সরকারি সম্পত্তি হতে হবে। আর ঘটনা সংঘটনের সময় খালেদা জিয়া গুলশানের দলীয় কার্যালয়ে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী দ্বারা অবরুদ্ধ ছিলেন।
অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেন, নড়াইলের মামলায় খালেদা জিয়াকে এখনো গ্রেপ্তার দেখায়নি পুলিশ। কিভাবে আদালত তাকে জামিন দেবে? ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে জামিন আবেদন বিচারাধীন। ওই আদালত যদি আবেদন খারিজ করে তাহলে জেলা জজ আদালতে আবেদন করার সুযোগ আছে। কিন্তু একটি ফোরাম বাদ দিয়ে সরাসরি হাইকোর্টে এসেছে। এ কারণে আবেদন খারিজ করা হোক।
শুনানি শেষে হাইকোর্ট আজ আদেশের জন্য দিন ধার্য করে দেয়। এ সময় খালেদা জিয়ার পক্ষে আইনজীবী মওদুদ আহমদ, এজে মোহাম্মদ আলী, জয়নুল আবেদীন, সানাউল্লাহ মিয়া, কায়সার কামাল প্রমুখ এবং রাষ্ট্রপক্ষে অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মোমতাজউদ্দিন ফকির ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ড. মো. বশিরউল্লাহ উপস্থিত ছিলেন।
ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

তিন মামলায় খালেদা জিয়ার জামিন বিষয়ে আদেশ আজ

আপডেট সময় ১০:০২:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ মে ২০১৮
জাতীয় ডেস্কঃ
কুমিল্লার নাশকতার দুটি এবং নড়াইলের মানহানির একটি মামলায় বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার জামিন আবেদনের ওপর শুনানি শেষ হয়েছে। আজ সোমবার এ বিষয়ে আদেশ দেবে হাইকোর্ট। গতকাল রবিবার শুনানি শেষে বিচারপতি একেএম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি জেবিএম হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ আদেশের জন্য এদিন ধার্য করে দেন।
এদিকে ঢাকার দুটি মানহানির মামলায় খালেদা জিয়ার জামিন আবেদন শুনানির জন্য হাইকোর্টের দৈনন্দিন কার্যতালিকায় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সহিদুল করিমের সমন্বয়ে গঠিত ডিভিশন বেঞ্চে এ শুনানি হবে। জাতীয় পতাকা অবমাননা এবং ১৫ আগস্ট জন্মদিন পালনের অভিযোগে ঢাকার আদালতে এ দুটি মামলা করা হয়। এ মামলায় খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকরের জন্য সম্প্রতি আদেশ দিয়েছে ম্যাজিস্ট্রেট আদালত।
তিন মামলায় জামিনের শুনানিতে খালেদা জিয়ার আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, মানহানির মামলাটি জামিনযোগ্য। এ কারণে আবেদনকারীর জামিন পাওয়া হকদার। এরপরেও ম্যাজিস্ট্রেট আদালত জামিন আবেদনের ওপর আদেশ না দিয়ে তা নথিভুক্ত করে রেখেছে।
তিনি বলেন, খালেদা জিয়া অসুস্থ। তিনি জামিন পেলে পালিয়ে যাবেন না। এ কারণে আমরা উচ্চ আদালতে জামিন চেয়েছি। এটা জনগণের সর্বশেষ আশ্রয়স্থল। আর সরকারের সদিচ্ছা না থাকলে তিনি কারাগার থেকে বেরোতে পারবেন না।
অপর আইনজীবী ব্যারিস্টার এম মাহবুবউদ্দিন খোকন বলেন, কুমিল্লায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে যে মামলাটি করেছে তা ত্রুটিপূর্ণ। কারণ যে কাভার্ড ভ্যান পুড়িয়ে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে সেটা সরকারি সম্পত্তি নয়, ব্যক্তিগত। বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা করতে হলে সরকারি সম্পত্তি হতে হবে। আর ঘটনা সংঘটনের সময় খালেদা জিয়া গুলশানের দলীয় কার্যালয়ে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী দ্বারা অবরুদ্ধ ছিলেন।
অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেন, নড়াইলের মামলায় খালেদা জিয়াকে এখনো গ্রেপ্তার দেখায়নি পুলিশ। কিভাবে আদালত তাকে জামিন দেবে? ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে জামিন আবেদন বিচারাধীন। ওই আদালত যদি আবেদন খারিজ করে তাহলে জেলা জজ আদালতে আবেদন করার সুযোগ আছে। কিন্তু একটি ফোরাম বাদ দিয়ে সরাসরি হাইকোর্টে এসেছে। এ কারণে আবেদন খারিজ করা হোক।
শুনানি শেষে হাইকোর্ট আজ আদেশের জন্য দিন ধার্য করে দেয়। এ সময় খালেদা জিয়ার পক্ষে আইনজীবী মওদুদ আহমদ, এজে মোহাম্মদ আলী, জয়নুল আবেদীন, সানাউল্লাহ মিয়া, কায়সার কামাল প্রমুখ এবং রাষ্ট্রপক্ষে অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মোমতাজউদ্দিন ফকির ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ড. মো. বশিরউল্লাহ উপস্থিত ছিলেন।