ঢাকা ১২:২৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ জুন ২০২৪, ৮ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরে পড়লো চীনা মহাকাশ কেন্দ্র

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্কঃ
চীনের তিয়ানগং-১ নামের স্পেস ল্যাবটির একটি অংশ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরে এসে পড়েছে। চীনের মহাকাশ কার্যালয়ের বরাত দিয়ে গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, সোমবার স্থানীয় সময় বেলা তিনটার দিকে স্পেস ল্যাবটি পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে ঢুকে পড়ে।
চীনের লক্ষ্য হচ্ছে ২০২২ সাল নাগাদ তারা মানুষের বসবাসের উপযোগী একটি মহাকাশ কেন্দ্র মহাশূন্যে পাঠাতে চায়। তিয়ানগং-১ ছিলো তারই পূর্ব প্রস্তুতি।
২০১১ সালে মহাকাশ কেন্দ্রটি কক্ষপথে প্রবেশ করতে সমর্থ হয়। প্রায় সাত বছর পর এটি এখন ধ্বংস হয়ে পৃথিবীতে আছড়ে পড়লো।
চীনা এবং ইউরোপীয় মহাকাশ বিজ্ঞানীরা আগে থেকেই ধারণা করছিলেন, সোমবার নাগাদ মহাকাশ কেন্দ্রটি পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করবে। তবে সায়েন্স ফিকশন সিনেমার মতো বড় ধরনের কোনো ক্ষয়ক্ষতি হবেনা বলে আশ্বাস দেন চীনের মহাকাশ প্রকৌশল দফতর।
২০১৬ সালে মার্চে তিয়ানগং ১ এর সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার পর থেকেই তিয়ানগং -২ নামের আরেকটি স্পেস স্টেশন নির্মাণ শুরু করে চীন। সমপ্রতি এটি মহাকাশে পাঠানো হয়েছে।
ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরে পড়লো চীনা মহাকাশ কেন্দ্র

আপডেট সময় ১২:৫৪:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ এপ্রিল ২০১৮
তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্কঃ
চীনের তিয়ানগং-১ নামের স্পেস ল্যাবটির একটি অংশ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরে এসে পড়েছে। চীনের মহাকাশ কার্যালয়ের বরাত দিয়ে গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, সোমবার স্থানীয় সময় বেলা তিনটার দিকে স্পেস ল্যাবটি পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে ঢুকে পড়ে।
চীনের লক্ষ্য হচ্ছে ২০২২ সাল নাগাদ তারা মানুষের বসবাসের উপযোগী একটি মহাকাশ কেন্দ্র মহাশূন্যে পাঠাতে চায়। তিয়ানগং-১ ছিলো তারই পূর্ব প্রস্তুতি।
২০১১ সালে মহাকাশ কেন্দ্রটি কক্ষপথে প্রবেশ করতে সমর্থ হয়। প্রায় সাত বছর পর এটি এখন ধ্বংস হয়ে পৃথিবীতে আছড়ে পড়লো।
চীনা এবং ইউরোপীয় মহাকাশ বিজ্ঞানীরা আগে থেকেই ধারণা করছিলেন, সোমবার নাগাদ মহাকাশ কেন্দ্রটি পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করবে। তবে সায়েন্স ফিকশন সিনেমার মতো বড় ধরনের কোনো ক্ষয়ক্ষতি হবেনা বলে আশ্বাস দেন চীনের মহাকাশ প্রকৌশল দফতর।
২০১৬ সালে মার্চে তিয়ানগং ১ এর সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার পর থেকেই তিয়ানগং -২ নামের আরেকটি স্পেস স্টেশন নির্মাণ শুরু করে চীন। সমপ্রতি এটি মহাকাশে পাঠানো হয়েছে।