ঢাকা ০৭:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ জুন ২০২৪, ১ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

দলগুলোর সম্মতি পেলেই আগামী নির্বাচনে ডিজিটাল ভোটিং মেশিন: সিইসি

জাতীয় ডেস্কঃ
নিরধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা বলেছেন, রাজনৈতিক দলগুলোর সম্মতি পেলেই আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ডিজিটাল ভোটিং মেশিন (ডিভিএম) ব্যবহার করা হবে।
তিনি বলেন, ‘একাদশ সংসদ নির্বাচনে সারা দেশে ডিভিএম’র মাধ্যমে ভোটগ্রহণ করতে চাইলে ৩ লাখ মেশিনের প্রয়োজন হবে। রাজনৈতিক দল ও সরকারের সম্মতি পেলে নির্বাচনের আগেই এসব মেশিন সংগ্রহ করা সম্ভব।’
বৃহস্পতিবার বিকেলে ইসি সচিবালয়ের সম্মেলন কক্ষে ইসির সঙ্গে রিপোর্টার্স ফোরাম ফর ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসির (আরএফইডি) নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দের পরিচিতি অনুষ্ঠানে সিইসি এ সব কথা বলেন।
এর আগে ইসি ডিভিএম নিয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে বৈঠক করে। বৈঠকে ডিভিএমের ব্যবহার তুলে ধরা হয়। আরএফইডির সঙ্গে আলাপকালে সিইসি এ সংগঠনের জন্য নির্বাচন ভবনে স্থায়ী কক্ষ বরাদ্দ ও সাংবাদিকদের সংবাদ সংগ্রহে অবাধ প্রবেশাধিকার নিশ্চিতের বিষয়ে প্রতিশ্রুতি দেন। তবে রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার স্বার্থে কিছু কক্ষে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ছাড়া সাংবাদিকসহ অন্যান্যের অবাধ গমনাগমন সংরক্ষিত থাকবে।
সিইসি বলেন, ‘আগে ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) বিষয়টি ছিল, কিন্তু এখন ডিজিটাল ভোটিং মেশিন (ডিভিএম) কনসেপ্ট চলে এসেছে। তা যে নামেই হোক না কেন, প্রযুক্তিটি সবার কাছে আগে গ্রহণযোগ্য হতে হবে। এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। ডিভিএম নিয়ে আমাদের ভাবনা চলছে। পরীক্ষামূলকভাবে ছোট ছোট নির্বাচনে ব্যবহারের পর রাজনৈতিক দলসহ সবার কাছে বিশ্বাসযোগ্যতা পেলেই এর ব্যবহার করা হবে। আমরা কারো ওপর এটা চাপিয়ে দিতে চাই না। ’
তিনি বলেন, জুলাইয়ের মাঝামাঝি সংলাপের পরিকল্পনা রয়েছে। একাদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রোডম্যাপ চূড়ান্ত করেই রাজনৈতিক দলসহ অংশীজনের সঙ্গে সংলাপের দিনক্ষণ ঠিক করা হবে। রমজানের পরে রোডম্যাপ চূড়ান্ত হবে।

ইত্তেফাক

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

দলগুলোর সম্মতি পেলেই আগামী নির্বাচনে ডিজিটাল ভোটিং মেশিন: সিইসি

আপডেট সময় ০৩:১১:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ মে ২০১৭
জাতীয় ডেস্কঃ
নিরধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা বলেছেন, রাজনৈতিক দলগুলোর সম্মতি পেলেই আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ডিজিটাল ভোটিং মেশিন (ডিভিএম) ব্যবহার করা হবে।
তিনি বলেন, ‘একাদশ সংসদ নির্বাচনে সারা দেশে ডিভিএম’র মাধ্যমে ভোটগ্রহণ করতে চাইলে ৩ লাখ মেশিনের প্রয়োজন হবে। রাজনৈতিক দল ও সরকারের সম্মতি পেলে নির্বাচনের আগেই এসব মেশিন সংগ্রহ করা সম্ভব।’
বৃহস্পতিবার বিকেলে ইসি সচিবালয়ের সম্মেলন কক্ষে ইসির সঙ্গে রিপোর্টার্স ফোরাম ফর ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসির (আরএফইডি) নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দের পরিচিতি অনুষ্ঠানে সিইসি এ সব কথা বলেন।
এর আগে ইসি ডিভিএম নিয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে বৈঠক করে। বৈঠকে ডিভিএমের ব্যবহার তুলে ধরা হয়। আরএফইডির সঙ্গে আলাপকালে সিইসি এ সংগঠনের জন্য নির্বাচন ভবনে স্থায়ী কক্ষ বরাদ্দ ও সাংবাদিকদের সংবাদ সংগ্রহে অবাধ প্রবেশাধিকার নিশ্চিতের বিষয়ে প্রতিশ্রুতি দেন। তবে রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার স্বার্থে কিছু কক্ষে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ছাড়া সাংবাদিকসহ অন্যান্যের অবাধ গমনাগমন সংরক্ষিত থাকবে।
সিইসি বলেন, ‘আগে ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) বিষয়টি ছিল, কিন্তু এখন ডিজিটাল ভোটিং মেশিন (ডিভিএম) কনসেপ্ট চলে এসেছে। তা যে নামেই হোক না কেন, প্রযুক্তিটি সবার কাছে আগে গ্রহণযোগ্য হতে হবে। এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। ডিভিএম নিয়ে আমাদের ভাবনা চলছে। পরীক্ষামূলকভাবে ছোট ছোট নির্বাচনে ব্যবহারের পর রাজনৈতিক দলসহ সবার কাছে বিশ্বাসযোগ্যতা পেলেই এর ব্যবহার করা হবে। আমরা কারো ওপর এটা চাপিয়ে দিতে চাই না। ’
তিনি বলেন, জুলাইয়ের মাঝামাঝি সংলাপের পরিকল্পনা রয়েছে। একাদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রোডম্যাপ চূড়ান্ত করেই রাজনৈতিক দলসহ অংশীজনের সঙ্গে সংলাপের দিনক্ষণ ঠিক করা হবে। রমজানের পরে রোডম্যাপ চূড়ান্ত হবে।

ইত্তেফাক