ঢাকা ০২:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৪, ৩ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

দাউদকান্দি ড.মোশাররফ কলেজে জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাস বিরোধী সভা

সৌরভ মাহমুদ হারুনঃ

জঙ্গিবাদ আজ সারা বিশ্বের প্রধান সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমাদের সকলকে ঐকবদ্ধ হয়ে এ জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদকে মোকাবেলা করতে হবে। এজন্য দেশের প্রতিটি মানুষকেই দায়িত্ব পালন করতে হবে। কারণ আমরা সকলেই এ দেশটাকে অনেক ভালোবাসি। আমাদের সকলের দেশের প্রতি মায়া ও ভালোবাসা রয়েছে। তাই আমরা জঙ্গিবাদের কারণে দেশটাকে ধ্বংস হতে দিতে পারি না। আমরা সকলে মিলে এ দেশ থেকে জঙ্গিবাদ দূর করবো।

শনিবার কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার ইলিয়টগঞ্জ ড.মোশাররফ ফাউন্ডেশন কলেজে জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাস বিরোধী সচেতনতামূলক এক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন বক্তারা।

কলেজের অধ্যক্ষ মো.আবদুর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন, দাউদকান্দি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আবু ছালাম মিয়া, দৈনিক আমাদের কুমিল্লার ব্যবস্থাপনা সম্পাদক ও দৈনিক মানবকন্ঠের কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি শাহাজাদা এমরান, দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন ও নিউজ ২৪ এর কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি মহিউদ্দিন মোল্লা, সমাজসেবক অধ্যাপক মতিন সৈকত, কলেজ পরিচালনা কমিটির সদস্য ডা.মো.আহসান হাবিব, সমাজসেবক কামরুল ইসলাম, কলেজ পরিচালনা কমিটির সাবেক সদস্য মোরশেদ মোল্লা, সদস্য তানিছ ফাতেমা প্রমুখ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন কলেজে প্রভাষক মাহাবুব আলী খান।

অনুষ্ঠানের বক্তারা কলেজের শিক্ষার্থীদের উদ্দ্যেশে বলেন, তোমাদের সকলকে সু-শিক্ষায় শিক্ষিত হতে হবে। প্রত্যেককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্ব পালন করতে হবে। কারন এক সময় বলা হতো মাদ্রাসা থেকে জঙ্গি তৈরি হয়। কিন্তু আজ দেশের বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়–য়া উচ্চ পরিবারের সন্তানরাও এ কাজে জড়িয়ে পড়েছে। তবে আমরা বিশ্বাস করি, তোমরাই পারো এ দেশ থেকে জঙ্গিবাদ দূর করতে। জঙ্গিবাদ দমনে প্রত্যেক শিক্ষার্থীদের ভূমিকা প্রসংশনীয় হবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।

অনুষ্ঠানের আলোচকরা আরও বলেন, জঙ্গিরা আস্তে আস্তে সমাজ ও পরিবার থেকে বিছিন্ন হয়ে পড়ে। তাই সকল শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদেরও সচেতন হতে হবে। পরিবারের সন্তানদের সঙ্গে বন্ধুর মতো সর্ম্পক গড়ে তুলতে হবে। সন্তানরা কি করছে সেই খোঁজ খবর রাখতে হবে। তাহলেই এ দেশ থেকে জঙ্গিবাদ দূর করা সম্ভব হবে।

আলোচকরা আরও বলেন, জঙ্গি তৈরির হোতারা প্রথমে সমাজের মেধাবি ও ভালো ছেলে-মেয়েদের টার্গেট করে। এরপর তাদের সঙ্গে মিশে ধীরে ধীরে জঙ্গিবাদে উৎসাহিত করতে থাকে। এক পর্যায়ে এ কাজ করলে জান্নাত পাওয়া যায় এমন প্রলোভন দিয়ে তাদের বাড়ি থেকে বের করে নেয়। এরপর তাদের লেলিয়ে দেওয়া হয় জঙ্গিবাদ তৈরির প্রশিক্ষণে। এ বিষয় গুলো আজ আমাদের সকলের কাঝে অনেকটাই পরিষ্কার হয়ে গেছে। আমরা সকলে একটু সচেতন হলেই এ দেশ থেকে জঙ্গিবাদ দূর করা সম্ভব হবে।

ট্যাগস

মুরাদনগর ভয়াবহ আগুন কয়ক কাটি টাকার ক্ষতি 

দাউদকান্দি ড.মোশাররফ কলেজে জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাস বিরোধী সভা

আপডেট সময় ০২:৫৪:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০১৬
সৌরভ মাহমুদ হারুনঃ

জঙ্গিবাদ আজ সারা বিশ্বের প্রধান সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমাদের সকলকে ঐকবদ্ধ হয়ে এ জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদকে মোকাবেলা করতে হবে। এজন্য দেশের প্রতিটি মানুষকেই দায়িত্ব পালন করতে হবে। কারণ আমরা সকলেই এ দেশটাকে অনেক ভালোবাসি। আমাদের সকলের দেশের প্রতি মায়া ও ভালোবাসা রয়েছে। তাই আমরা জঙ্গিবাদের কারণে দেশটাকে ধ্বংস হতে দিতে পারি না। আমরা সকলে মিলে এ দেশ থেকে জঙ্গিবাদ দূর করবো।

শনিবার কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার ইলিয়টগঞ্জ ড.মোশাররফ ফাউন্ডেশন কলেজে জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাস বিরোধী সচেতনতামূলক এক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন বক্তারা।

কলেজের অধ্যক্ষ মো.আবদুর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন, দাউদকান্দি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আবু ছালাম মিয়া, দৈনিক আমাদের কুমিল্লার ব্যবস্থাপনা সম্পাদক ও দৈনিক মানবকন্ঠের কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি শাহাজাদা এমরান, দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন ও নিউজ ২৪ এর কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি মহিউদ্দিন মোল্লা, সমাজসেবক অধ্যাপক মতিন সৈকত, কলেজ পরিচালনা কমিটির সদস্য ডা.মো.আহসান হাবিব, সমাজসেবক কামরুল ইসলাম, কলেজ পরিচালনা কমিটির সাবেক সদস্য মোরশেদ মোল্লা, সদস্য তানিছ ফাতেমা প্রমুখ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন কলেজে প্রভাষক মাহাবুব আলী খান।

অনুষ্ঠানের বক্তারা কলেজের শিক্ষার্থীদের উদ্দ্যেশে বলেন, তোমাদের সকলকে সু-শিক্ষায় শিক্ষিত হতে হবে। প্রত্যেককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্ব পালন করতে হবে। কারন এক সময় বলা হতো মাদ্রাসা থেকে জঙ্গি তৈরি হয়। কিন্তু আজ দেশের বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়–য়া উচ্চ পরিবারের সন্তানরাও এ কাজে জড়িয়ে পড়েছে। তবে আমরা বিশ্বাস করি, তোমরাই পারো এ দেশ থেকে জঙ্গিবাদ দূর করতে। জঙ্গিবাদ দমনে প্রত্যেক শিক্ষার্থীদের ভূমিকা প্রসংশনীয় হবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।

অনুষ্ঠানের আলোচকরা আরও বলেন, জঙ্গিরা আস্তে আস্তে সমাজ ও পরিবার থেকে বিছিন্ন হয়ে পড়ে। তাই সকল শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদেরও সচেতন হতে হবে। পরিবারের সন্তানদের সঙ্গে বন্ধুর মতো সর্ম্পক গড়ে তুলতে হবে। সন্তানরা কি করছে সেই খোঁজ খবর রাখতে হবে। তাহলেই এ দেশ থেকে জঙ্গিবাদ দূর করা সম্ভব হবে।

আলোচকরা আরও বলেন, জঙ্গি তৈরির হোতারা প্রথমে সমাজের মেধাবি ও ভালো ছেলে-মেয়েদের টার্গেট করে। এরপর তাদের সঙ্গে মিশে ধীরে ধীরে জঙ্গিবাদে উৎসাহিত করতে থাকে। এক পর্যায়ে এ কাজ করলে জান্নাত পাওয়া যায় এমন প্রলোভন দিয়ে তাদের বাড়ি থেকে বের করে নেয়। এরপর তাদের লেলিয়ে দেওয়া হয় জঙ্গিবাদ তৈরির প্রশিক্ষণে। এ বিষয় গুলো আজ আমাদের সকলের কাঝে অনেকটাই পরিষ্কার হয়ে গেছে। আমরা সকলে একটু সচেতন হলেই এ দেশ থেকে জঙ্গিবাদ দূর করা সম্ভব হবে।