ঢাকা ১১:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুলাই ২০২৪, ৭ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

দায় অ্যাটর্নি জেনারেলের : খন্দকার মাহবুব

জাতীয় ডেস্ক:

খালেদা জিয়ার আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেছেন, ‘আজকের ঘটনার সকল দায় অ্যাটর্নি জেনারেলের। কারণ তার বক্তব্যের উপর ভিত্তি করেই আদালত শুনানি পিছিয়েছে। যুবক আইনজীবীরা শান্তিপূর্ণভাবে স্লোগান দিয়েছেন। আমরা সিনিয়র আইনজীবিরা না থাকলে হয়ত পরিস্থিতি অন্যরকম হতে পারত।’

এর আগে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন না হওয়ায় আজ বৃহস্পতিবার জামিন আবেদনের শুনানি হয়নি। আগামী বৃহস্পতিবার মেডিকেল রিপোর্ট আসা সাপেক্ষ জামিন শুনানির দিন ধার্য করে আপিল বিভাগ। প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের ছয় বিচারপতির বেঞ্চ আজ বৃহস্পতিবার এ আদেশ দেন।

অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম আদালতে বলেন, খালেদা জিয়ার কিছু স্বাস্থ্যগত পরীক্ষা বাকি রয়েছে। সেগুলো সম্পন্ন না হওয়ায় সময় চান তিনি।

আদালতের আদেশের পর খালেদা জিয়ার আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, মানবিক কারণে আমরা জামিন চাই। পরে আদালত বৃহস্পতিবার শুনানির জন্য দিন ধার্য করেন।

এদিকে বৃহস্পতিবারের পরিবর্তে শুনানির দিন এগিয়ে আনার আবেদন জানান খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা। কিন্তু আদালত আগামী বৃহস্পতিবারই দিন ধার্য রাখেন। পরে এ নিয়ে সরকার ও বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের মধ্যে হট্টগোলের সৃষ্টি হয়। এ সময় আদালতে বেশ কিছুক্ষণ হট্টগোল চলে। একপর্যায়ে আদালত বলেন, যদি আপনারা শান্ত না হন তাহলে আমরা এজলাস ত্যাগ করবো।

পরে সিনিয়র আইনজীবীদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হলেও বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা শুনানির দিন এগিয়ে আনার দাবিতে অনড় থাকে। এ সময় আবারো হট্টগোলের সৃষ্টি হয়। নজিরবিহীন এই হট্টগোলে এজলাস ত্যাগ করেন বিচারপতিরা। এ অবস্থায় দুপক্ষের আইনজীবীরা আদালত কক্ষে অবস্থান করছিলেন। বন্ধ বিচারকাজ।

জামিন শুনানিকে কেন্দ্র করে সুপ্রিম কোর্টে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়। কোর্টে প্রবেশের প্রতিটি ফটকে বাড়তি পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষার্থীদের উপর হামলার প্রতিবাদে মুরাদনগরে বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ

দায় অ্যাটর্নি জেনারেলের : খন্দকার মাহবুব

আপডেট সময় ০২:০৫:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ডিসেম্বর ২০১৯

জাতীয় ডেস্ক:

খালেদা জিয়ার আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেছেন, ‘আজকের ঘটনার সকল দায় অ্যাটর্নি জেনারেলের। কারণ তার বক্তব্যের উপর ভিত্তি করেই আদালত শুনানি পিছিয়েছে। যুবক আইনজীবীরা শান্তিপূর্ণভাবে স্লোগান দিয়েছেন। আমরা সিনিয়র আইনজীবিরা না থাকলে হয়ত পরিস্থিতি অন্যরকম হতে পারত।’

এর আগে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন না হওয়ায় আজ বৃহস্পতিবার জামিন আবেদনের শুনানি হয়নি। আগামী বৃহস্পতিবার মেডিকেল রিপোর্ট আসা সাপেক্ষ জামিন শুনানির দিন ধার্য করে আপিল বিভাগ। প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের ছয় বিচারপতির বেঞ্চ আজ বৃহস্পতিবার এ আদেশ দেন।

অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম আদালতে বলেন, খালেদা জিয়ার কিছু স্বাস্থ্যগত পরীক্ষা বাকি রয়েছে। সেগুলো সম্পন্ন না হওয়ায় সময় চান তিনি।

আদালতের আদেশের পর খালেদা জিয়ার আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, মানবিক কারণে আমরা জামিন চাই। পরে আদালত বৃহস্পতিবার শুনানির জন্য দিন ধার্য করেন।

এদিকে বৃহস্পতিবারের পরিবর্তে শুনানির দিন এগিয়ে আনার আবেদন জানান খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা। কিন্তু আদালত আগামী বৃহস্পতিবারই দিন ধার্য রাখেন। পরে এ নিয়ে সরকার ও বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের মধ্যে হট্টগোলের সৃষ্টি হয়। এ সময় আদালতে বেশ কিছুক্ষণ হট্টগোল চলে। একপর্যায়ে আদালত বলেন, যদি আপনারা শান্ত না হন তাহলে আমরা এজলাস ত্যাগ করবো।

পরে সিনিয়র আইনজীবীদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হলেও বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা শুনানির দিন এগিয়ে আনার দাবিতে অনড় থাকে। এ সময় আবারো হট্টগোলের সৃষ্টি হয়। নজিরবিহীন এই হট্টগোলে এজলাস ত্যাগ করেন বিচারপতিরা। এ অবস্থায় দুপক্ষের আইনজীবীরা আদালত কক্ষে অবস্থান করছিলেন। বন্ধ বিচারকাজ।

জামিন শুনানিকে কেন্দ্র করে সুপ্রিম কোর্টে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়। কোর্টে প্রবেশের প্রতিটি ফটকে বাড়তি পুলিশ মোতায়েন করা হয়।