ঢাকা ০৭:৪৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুলাই ২০২৪, ৩১ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

নুরদের ওপর হামলায় গ্রেপ্তার তিনজন রিমান্ডে

জাতয়ি ডেস্ক:

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহ-সভাপতি (ভিপি) নুরুল হক নুরসহ তার সঙ্গীদের ওপর হামলার মামলায় তিন আসামির জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে তিন দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত।

পাঁচ দিন করে রিমান্ড আবেদনের শুনানি শেষে মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর হাকিম মাঈনুল ইসলাম এই রিমান্ডের আদেশ দেন।

রিমান্ডে যাওয়া আসামিরা হলেন, মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক আল মামুন, ঢাবি শাখার সাধারণ সম্পাদক ইয়াসির আরাফাত তূর্য ও মেহেদী হাসান শান্ত।

রাজধানীর শাহবাগ থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) আরিফুর রহমান সরদার আসামিদের আদালতে হাজির করে পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। রিমান্ডকৃতদের মধ্যে আসামি মামুন ও তূর্য এজাহারনামীয় আসামি।

এর আগে সোমবার আসামিদের গ্রেপ্তার করা হয়। পরে সোমবার রাত ১২টা ৪৫ মিনিটে শাহবাগ থানায় নীলক্ষেত পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই মো. রইচ হোসেন বাদী হয়ে এই মামলা দায়ের করেন।

মামলার এজাহারভুক্ত অপর আসামিরা হলেন-মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল, ঢাবি শাখার সভাপতি এ এস এম সনেট, এ এফ রহমান হল শাখা মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক ইমরান সরকার, কবি জসিম উদ্দিন হল শাখার সাধারণ সম্পাদক ইয়াদ আল রিয়াদ (হল থেকে অস্থায়ী বহিষ্কৃত), জিয়া হল শাখা মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের সভাপতি দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী তৌহিদুল ইসলাম মাহিম ও মাহবুব হাসান নিলয়। এছাড়া মামলার এজাহারে অজ্ঞাত আরও ৩০/৩৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।

গত রবিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি নুরুল হককে তার কক্ষে ঢুকে আলো নিভিয়ে পেটান মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের নেতাকর্মীরা। এই মঞ্চের অনেকেই ছাত্রলীগের নেতাকর্মী। এ সময় নুরুলের সঙ্গে থাকা বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের অন্তত ৩০ জনকে বেধড়ক মারধর করা হয়। তাদের মধ্যে ১৪ জন এখনো হাসপাতালে ভর্তি আছেন।

প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, দুই দফায় নুরুল হক ও তার সহযোগীদের রড, লাঠি ও বাঁশ দিয়ে পেটানো হয়। প্রথম দফায় মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের একাংশের সভাপতি আমিনুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক আল মামুনের নেতৃত্বে সংগঠনের নেতাকর্মীরা ডাকসু ভবনে ঢুকে তাদের পেটান। এরপর ছাত্রলীগের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি সঞ্জিত চন্দ্র দাস ও সাধারণ সম্পাদক (ডাকসুর এজিএস) সাদ্দাম হুসাইন ঘটনাস্থলে আসেন। তাদের উপস্থিতিতে দ্বিতীয় দফায় হামলা ও মারধর করা হয়। এ সময় ডাকসু ভবনেও ভাঙচুর করেন ছাত্রলীগের কিছু নেতাকর্মী।

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

মুরাদনগরে হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামী গ্রেফতার

নুরদের ওপর হামলায় গ্রেপ্তার তিনজন রিমান্ডে

আপডেট সময় ০৪:০৭:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০১৯

জাতয়ি ডেস্ক:

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহ-সভাপতি (ভিপি) নুরুল হক নুরসহ তার সঙ্গীদের ওপর হামলার মামলায় তিন আসামির জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে তিন দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত।

পাঁচ দিন করে রিমান্ড আবেদনের শুনানি শেষে মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর হাকিম মাঈনুল ইসলাম এই রিমান্ডের আদেশ দেন।

রিমান্ডে যাওয়া আসামিরা হলেন, মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক আল মামুন, ঢাবি শাখার সাধারণ সম্পাদক ইয়াসির আরাফাত তূর্য ও মেহেদী হাসান শান্ত।

রাজধানীর শাহবাগ থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) আরিফুর রহমান সরদার আসামিদের আদালতে হাজির করে পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। রিমান্ডকৃতদের মধ্যে আসামি মামুন ও তূর্য এজাহারনামীয় আসামি।

এর আগে সোমবার আসামিদের গ্রেপ্তার করা হয়। পরে সোমবার রাত ১২টা ৪৫ মিনিটে শাহবাগ থানায় নীলক্ষেত পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই মো. রইচ হোসেন বাদী হয়ে এই মামলা দায়ের করেন।

মামলার এজাহারভুক্ত অপর আসামিরা হলেন-মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল, ঢাবি শাখার সভাপতি এ এস এম সনেট, এ এফ রহমান হল শাখা মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক ইমরান সরকার, কবি জসিম উদ্দিন হল শাখার সাধারণ সম্পাদক ইয়াদ আল রিয়াদ (হল থেকে অস্থায়ী বহিষ্কৃত), জিয়া হল শাখা মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের সভাপতি দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী তৌহিদুল ইসলাম মাহিম ও মাহবুব হাসান নিলয়। এছাড়া মামলার এজাহারে অজ্ঞাত আরও ৩০/৩৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।

গত রবিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি নুরুল হককে তার কক্ষে ঢুকে আলো নিভিয়ে পেটান মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের নেতাকর্মীরা। এই মঞ্চের অনেকেই ছাত্রলীগের নেতাকর্মী। এ সময় নুরুলের সঙ্গে থাকা বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের অন্তত ৩০ জনকে বেধড়ক মারধর করা হয়। তাদের মধ্যে ১৪ জন এখনো হাসপাতালে ভর্তি আছেন।

প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, দুই দফায় নুরুল হক ও তার সহযোগীদের রড, লাঠি ও বাঁশ দিয়ে পেটানো হয়। প্রথম দফায় মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের একাংশের সভাপতি আমিনুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক আল মামুনের নেতৃত্বে সংগঠনের নেতাকর্মীরা ডাকসু ভবনে ঢুকে তাদের পেটান। এরপর ছাত্রলীগের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি সঞ্জিত চন্দ্র দাস ও সাধারণ সম্পাদক (ডাকসুর এজিএস) সাদ্দাম হুসাইন ঘটনাস্থলে আসেন। তাদের উপস্থিতিতে দ্বিতীয় দফায় হামলা ও মারধর করা হয়। এ সময় ডাকসু ভবনেও ভাঙচুর করেন ছাত্রলীগের কিছু নেতাকর্মী।