ঢাকা ১১:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুলাই ২০২৪, ৭ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

নেপালে পাহাড়ি নদীতে বাস পড়ে নিহত ১৭

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

নেপালে পাহাড়ি নদীতে যাত্রীবাহী বাস পড়ে শিশুসহ অন্তত ১৭ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছে অর্ধশতাধিক এবং বেশ কয়েকজন নিখোঁজ রয়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। রবিবার রাজধানী কাঠমান্ডুর উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের সিন্ধুপালচক জেলায় রাস্তা নিচের পাহাড়ি নদী সাঙ্কোসিতে বাসটি পড়ে গেলে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে।

জেলার কর্মকর্তা গোমা দেবি সেমজং জানিয়েছেন, পাহাড়ি রাস্তায় চলার পথে যাত্রীতে পরিপূর্ণ বাসটি ১৬৫ মিটার নিচের নদীতে পড়ে যায়। এতে এখন পর্যন্ত ৭ শিশুসহ ১৭ জন নিহত হয়েছেন। চালকসহ আহত হয়েছেন আরও প্রায় ৫০ জন। আহতদের চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

তিনি জানান, বাসে ঠিক কতো জন যাত্রী ছিল এ ব্যাপারে বাসমালিক কর্তৃপক্ষের কাছে কোনো তথ্য নেই, ফলে দুর্ঘটনায় কতো জন নিখোঁজ রয়েছেন তা বলা যাচ্ছে না।  দুর্ঘটনার পর উদ্ধারকাজে স্থানীয় মাঝিরা পুলিশ ও সেনাবাহিনীকে সহযোগিতা করে।  কর্তৃপক্ষ এখনও দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করতে পারেনি।

বেহাল রাস্তাঘাট, যানবাহন রক্ষণাবেক্ষণের অভাব ও বেপরোয়া গাড়ি চালানোর ফলে প্রায়ই হিমালয়ের এসব অঞ্চলে প্রাণঘাতী সড়ক দুর্ঘটনা হয়ে থাকে। গত মাসেও যাত্রীবাহী আরেকটি বাস নদীতে পড়ে ১১ জন নিহত হন।

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষার্থীদের উপর হামলার প্রতিবাদে মুরাদনগরে বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ

নেপালে পাহাড়ি নদীতে বাস পড়ে নিহত ১৭

আপডেট সময় ০৪:০২:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ নভেম্বর ২০১৯

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

নেপালে পাহাড়ি নদীতে যাত্রীবাহী বাস পড়ে শিশুসহ অন্তত ১৭ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছে অর্ধশতাধিক এবং বেশ কয়েকজন নিখোঁজ রয়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। রবিবার রাজধানী কাঠমান্ডুর উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের সিন্ধুপালচক জেলায় রাস্তা নিচের পাহাড়ি নদী সাঙ্কোসিতে বাসটি পড়ে গেলে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে।

জেলার কর্মকর্তা গোমা দেবি সেমজং জানিয়েছেন, পাহাড়ি রাস্তায় চলার পথে যাত্রীতে পরিপূর্ণ বাসটি ১৬৫ মিটার নিচের নদীতে পড়ে যায়। এতে এখন পর্যন্ত ৭ শিশুসহ ১৭ জন নিহত হয়েছেন। চালকসহ আহত হয়েছেন আরও প্রায় ৫০ জন। আহতদের চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

তিনি জানান, বাসে ঠিক কতো জন যাত্রী ছিল এ ব্যাপারে বাসমালিক কর্তৃপক্ষের কাছে কোনো তথ্য নেই, ফলে দুর্ঘটনায় কতো জন নিখোঁজ রয়েছেন তা বলা যাচ্ছে না।  দুর্ঘটনার পর উদ্ধারকাজে স্থানীয় মাঝিরা পুলিশ ও সেনাবাহিনীকে সহযোগিতা করে।  কর্তৃপক্ষ এখনও দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করতে পারেনি।

বেহাল রাস্তাঘাট, যানবাহন রক্ষণাবেক্ষণের অভাব ও বেপরোয়া গাড়ি চালানোর ফলে প্রায়ই হিমালয়ের এসব অঞ্চলে প্রাণঘাতী সড়ক দুর্ঘটনা হয়ে থাকে। গত মাসেও যাত্রীবাহী আরেকটি বাস নদীতে পড়ে ১১ জন নিহত হন।