ঢাকা ০৪:৩৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ জুন ২০২৪, ৬ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

‘প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ নয়, আওয়ামী লীগ’–ফখরুল

জাতীয় ডেস্কঃ

খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবিতে সমাবেশ করতে না দেওয়ার প্রতিবাদে বিএনপির কালো পতাকা কর্মসূচিতে পুলিশি হামলা এবং নেতা-কর্মীদের গ্রেপ্তারের প্রতিবাদ জানিয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

শনিবার পুলিশের তৎপরতায় এই কর্মসূচি পণ্ড হয়ে যাওয়ার পর তার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে দুপুর ১২টায় নয়া পল্টনে দলীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন বিএনপি মহাসচিব।

ফখরুল বলেন, আমরা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে একটি জনসভা করতে চেয়েছিলাম, কিন্তু দেয়নি। তার প্রতিবাদে এক ঘণ্টার কালো পতাকা প্রদর্শনের কর্মসচি করতে চেয়েছিলাম। দুর্ভাগ্যজনকভাবে আমাদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে বিনা উসকানিতে পুলিশ হামলা করে। পুলিশ বেপরোয়াভাবে নেতা-কর্মীদের বেধড়ক লাঠিচার্জ এবং টেনে হিঁচড়ে ভ্যানে তুলতে শুরু করে। সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে পুলিশ বিনা উসকানিতে হামলা চালিয়ে প্রমাণ করল দেশ দুঃশাসনের করাল গ্রাসে।

সরকারের সমালোচনা করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক এখন জনগণ নয়, এখন প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক আওয়ামী লীগ।

সকাল ১১টায় এই কালো পতাকা প্রদর্শনের কর্মসূচি হওয়ার কথা ছিল নয়া পল্টনে। ফখরুলসহ বিএনপি নেতা-কর্মীরা তার আগেই সেখানে জড়ো হয়েছিলেন।

সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কয়েকশ কর্মী কার্যালয়ের সামনে সড়কে কালো পতাকা নিয়ে বসে পড়লে পুলিশ লাঠিপেটা শুরু করে, জলকামান থেকে রঙিন পানিও ছুড়তে থাকে।

লাঠিপেটায় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ফজূলুল হক মিলন, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আতাউর রহমান ঢালী ও সাবেক সংসদ সদস্য নীলোফার চৌধুরী মনিসহ কয়েকজন আহত হন।

কেন্দ্রীয় নেতা মোস্তাফিজুর রহমান বাবুলসহ বেশ কয়েকজনকে আটক করেছে পুলিশ। রঙিন পানিতে আক্রান্ত হন বিএনপি মহাসচিব ফখরুলসহ অন্য নেতারাও। তারা দলীয় কার্যালয়ের ভেতরে অবস্থান নিয়ে আছেন। বাইরে পুলিশ ঘিরে রেখেছে।

ঘটনাস্থলে থাকা ডিএমপির মতিঝিল বিভাগের উপ কমিশনার এ এস এম শিবলী নোমান সাংবাদিকদের বলেন, সড়ক দখল করে যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটানো শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি হতে পারে না। তাই আমরা ব্যবস্থা নিয়েছি।

খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে বিএনপি  গত ২২ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অথবা নয়া পল্টনে জনসভার অনুমতি চেয়েচিল। কিন্তু পুলিশ অনুমতি দেয়নি। এরপর তারা কালো পতাকা প্রদর্শনের কর্মসূচি দেয়।

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

‘প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ নয়, আওয়ামী লীগ’–ফখরুল

আপডেট সময় ০৭:০০:৪৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০১৮
জাতীয় ডেস্কঃ

খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবিতে সমাবেশ করতে না দেওয়ার প্রতিবাদে বিএনপির কালো পতাকা কর্মসূচিতে পুলিশি হামলা এবং নেতা-কর্মীদের গ্রেপ্তারের প্রতিবাদ জানিয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

শনিবার পুলিশের তৎপরতায় এই কর্মসূচি পণ্ড হয়ে যাওয়ার পর তার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে দুপুর ১২টায় নয়া পল্টনে দলীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন বিএনপি মহাসচিব।

ফখরুল বলেন, আমরা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে একটি জনসভা করতে চেয়েছিলাম, কিন্তু দেয়নি। তার প্রতিবাদে এক ঘণ্টার কালো পতাকা প্রদর্শনের কর্মসচি করতে চেয়েছিলাম। দুর্ভাগ্যজনকভাবে আমাদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে বিনা উসকানিতে পুলিশ হামলা করে। পুলিশ বেপরোয়াভাবে নেতা-কর্মীদের বেধড়ক লাঠিচার্জ এবং টেনে হিঁচড়ে ভ্যানে তুলতে শুরু করে। সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে পুলিশ বিনা উসকানিতে হামলা চালিয়ে প্রমাণ করল দেশ দুঃশাসনের করাল গ্রাসে।

সরকারের সমালোচনা করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক এখন জনগণ নয়, এখন প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক আওয়ামী লীগ।

সকাল ১১টায় এই কালো পতাকা প্রদর্শনের কর্মসূচি হওয়ার কথা ছিল নয়া পল্টনে। ফখরুলসহ বিএনপি নেতা-কর্মীরা তার আগেই সেখানে জড়ো হয়েছিলেন।

সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কয়েকশ কর্মী কার্যালয়ের সামনে সড়কে কালো পতাকা নিয়ে বসে পড়লে পুলিশ লাঠিপেটা শুরু করে, জলকামান থেকে রঙিন পানিও ছুড়তে থাকে।

লাঠিপেটায় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ফজূলুল হক মিলন, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আতাউর রহমান ঢালী ও সাবেক সংসদ সদস্য নীলোফার চৌধুরী মনিসহ কয়েকজন আহত হন।

কেন্দ্রীয় নেতা মোস্তাফিজুর রহমান বাবুলসহ বেশ কয়েকজনকে আটক করেছে পুলিশ। রঙিন পানিতে আক্রান্ত হন বিএনপি মহাসচিব ফখরুলসহ অন্য নেতারাও। তারা দলীয় কার্যালয়ের ভেতরে অবস্থান নিয়ে আছেন। বাইরে পুলিশ ঘিরে রেখেছে।

ঘটনাস্থলে থাকা ডিএমপির মতিঝিল বিভাগের উপ কমিশনার এ এস এম শিবলী নোমান সাংবাদিকদের বলেন, সড়ক দখল করে যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটানো শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি হতে পারে না। তাই আমরা ব্যবস্থা নিয়েছি।

খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে বিএনপি  গত ২২ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অথবা নয়া পল্টনে জনসভার অনুমতি চেয়েচিল। কিন্তু পুলিশ অনুমতি দেয়নি। এরপর তারা কালো পতাকা প্রদর্শনের কর্মসূচি দেয়।