ঢাকা ০৮:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০২৪, ৩ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

‘প্রতিরক্ষা সমঝোতা স্মারকে সই বিশ্বাসঘাতকতা’

জাতীয় ডেস্কঃ
ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা সহযোগিতায় সমঝোতা স্মারক বা চুক্তিতে স্বাক্ষর করে সরকার দেশের মানুষের সঙ্গে চরম বিশ্বাসঘাতকতা করেছে বলে অভিযোগ করেছে বিএনপি। বিএনপি বলেছে, প্রতিরক্ষা চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশের নিরাপত্তাকে আরও বেশি উন্মোচিত এবং দুর্বল করল সরকার। জনগণকে অন্ধকারে রেখেই এসব চুক্তির উদ্দেশ্য হলো অনির্বাচিত শাসকগোষ্ঠীর ক্ষমতাকে পোক্ত করা। জনগণের বাঁচামরার প্রশ্ন তিস্তা চুক্তি নিয়ে কথা বলছে না সরকার। কারণ কথা বললে তো তাদের বন্ধুরা বিরক্ত হবে, মনঃক্ষুন্ন হবে। এ জন্যই তারা তিস্তা নিয়ে কথা বলে না।
শনিবার বিকেলে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এসব বলেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন- বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ প্রমুখ।
রিজভী বলেন, চুক্তির নেতিবাচক দিক উপলব্ধি করা সত্ত্বেও শুধুমাত্র ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য প্রধানমন্ত্রী এসব চুক্তিতে সই করেছেন। আমরা যে বিষয়গুলো প্রতিদিন বলে আসছি, উচ্চারণ করছি এবং প্রতিবাদ করছি। বিশ্বাস কম ছিল কিন্তু কিঞ্চিত ধারণা ছিল হয়তোবা দেশ ও দেশের মানুষের কথা দৃঢ়ভাবে হলেও চিন্তা করে প্রধানমন্ত্রী প্রতিরক্ষার বিষয়ে সমঝোতা স্মারক বা চুক্তিতে সই করবেন না। কিন্তু জনগণকে অন্ধকারে রেখে, কোনো কিছু না জানিয়ে তিনি (প্রধানমন্ত্রী) গণমাধ্যমে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী ২২টি চুক্তি এবং ৪টি সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেছেন। এর মধ্যে প্রতিরক্ষা বিষয়ে দু’টি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে। তাই বিএনপি মনে করে এতে দেশ ও দেশের জনগণের প্রতি চরম বিশ্বাসঘাতকতা করা হয়েছে। এটা জনগণকে তাচ্ছিল্য করার শামিল।
ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষার্থীদের উপর হামলার প্রতিবাদে মুরাদনগরে বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ

‘প্রতিরক্ষা সমঝোতা স্মারকে সই বিশ্বাসঘাতকতা’

আপডেট সময় ০৫:৫৫:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ এপ্রিল ২০১৭
জাতীয় ডেস্কঃ
ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা সহযোগিতায় সমঝোতা স্মারক বা চুক্তিতে স্বাক্ষর করে সরকার দেশের মানুষের সঙ্গে চরম বিশ্বাসঘাতকতা করেছে বলে অভিযোগ করেছে বিএনপি। বিএনপি বলেছে, প্রতিরক্ষা চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশের নিরাপত্তাকে আরও বেশি উন্মোচিত এবং দুর্বল করল সরকার। জনগণকে অন্ধকারে রেখেই এসব চুক্তির উদ্দেশ্য হলো অনির্বাচিত শাসকগোষ্ঠীর ক্ষমতাকে পোক্ত করা। জনগণের বাঁচামরার প্রশ্ন তিস্তা চুক্তি নিয়ে কথা বলছে না সরকার। কারণ কথা বললে তো তাদের বন্ধুরা বিরক্ত হবে, মনঃক্ষুন্ন হবে। এ জন্যই তারা তিস্তা নিয়ে কথা বলে না।
শনিবার বিকেলে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এসব বলেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন- বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ প্রমুখ।
রিজভী বলেন, চুক্তির নেতিবাচক দিক উপলব্ধি করা সত্ত্বেও শুধুমাত্র ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য প্রধানমন্ত্রী এসব চুক্তিতে সই করেছেন। আমরা যে বিষয়গুলো প্রতিদিন বলে আসছি, উচ্চারণ করছি এবং প্রতিবাদ করছি। বিশ্বাস কম ছিল কিন্তু কিঞ্চিত ধারণা ছিল হয়তোবা দেশ ও দেশের মানুষের কথা দৃঢ়ভাবে হলেও চিন্তা করে প্রধানমন্ত্রী প্রতিরক্ষার বিষয়ে সমঝোতা স্মারক বা চুক্তিতে সই করবেন না। কিন্তু জনগণকে অন্ধকারে রেখে, কোনো কিছু না জানিয়ে তিনি (প্রধানমন্ত্রী) গণমাধ্যমে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী ২২টি চুক্তি এবং ৪টি সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেছেন। এর মধ্যে প্রতিরক্ষা বিষয়ে দু’টি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে। তাই বিএনপি মনে করে এতে দেশ ও দেশের জনগণের প্রতি চরম বিশ্বাসঘাতকতা করা হয়েছে। এটা জনগণকে তাচ্ছিল্য করার শামিল।