ঢাকা ০৫:৩৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০২৪, ৩১ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বাঞ্ছারামপুরে যে কারনে মা সন্তানকে গলাটিপে হত্যা

ফয়সল অাহমেদ খান :

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে বিলের কচুরিপানার নিচ থেকে মোঃ রাফি নামের আড়াই বছরের এক শিশুর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে শনিবার বেলা ১১টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। 

তাদের ঘরে মোঃ ফাহিম (৬) ও মোঃ রাফি আড়াই বছরের ছেলে সন্তান ছিল। তার স্বামী ৬লক্ষ টাকা ঋণ করে সৌদি আরবে যায়৷ এরই মাঝে ছোট ছেলের মোঃ রাফির বিরল রোগ দেখা দেয়। মোঃ রাফি কোন স্থানে আঘাত পেলে কালসিটে হয়ে যেত ও কোন স্থান কেঁটে গেলে রক্ত পড়া বন্ধ হতো না। এই রোগের চিকিৎসা অনেক ব্যয়বহুল ছিল। তাই এই রোগের চিকিৎসা করাতে গিয়ে স্বামীর বিদেশ যাওয়ার সময় ঋণের টাকা পরিশোধ করতে পারছিলেন না। এই হতাশা থেকে গত বুধবার ভোরে ছেলে মোঃ রাফিকে কোলে করে বাড়ির পাশের বালিয়াদহ বিলে কাছে নিয়ে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করে বিলে ফেলে দেয়। ছেলেকে হত্যার পর বিলে ফেলে দিয়ে বাড়িরে ফিরে এসে অচেতন হয়ে যায় সেনোয়ারা বেগম। জ্ঞান ফিরে আসলে সে তার পরিবারের সদস্যদের জানায় রাফিকে খোঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। পরে বিভিন্ন জায়গায় খোজাখুজির পর বিলে কচুরিপানার নিচে শিশু রাফির মরদেহ পাওয়া যায়।

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

মুরাদনগরে হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামী গ্রেফতার

বাঞ্ছারামপুরে যে কারনে মা সন্তানকে গলাটিপে হত্যা

আপডেট সময় ০২:৪০:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ নভেম্বর ২০১৯

ফয়সল অাহমেদ খান :

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে বিলের কচুরিপানার নিচ থেকে মোঃ রাফি নামের আড়াই বছরের এক শিশুর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে শনিবার বেলা ১১টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। 

তাদের ঘরে মোঃ ফাহিম (৬) ও মোঃ রাফি আড়াই বছরের ছেলে সন্তান ছিল। তার স্বামী ৬লক্ষ টাকা ঋণ করে সৌদি আরবে যায়৷ এরই মাঝে ছোট ছেলের মোঃ রাফির বিরল রোগ দেখা দেয়। মোঃ রাফি কোন স্থানে আঘাত পেলে কালসিটে হয়ে যেত ও কোন স্থান কেঁটে গেলে রক্ত পড়া বন্ধ হতো না। এই রোগের চিকিৎসা অনেক ব্যয়বহুল ছিল। তাই এই রোগের চিকিৎসা করাতে গিয়ে স্বামীর বিদেশ যাওয়ার সময় ঋণের টাকা পরিশোধ করতে পারছিলেন না। এই হতাশা থেকে গত বুধবার ভোরে ছেলে মোঃ রাফিকে কোলে করে বাড়ির পাশের বালিয়াদহ বিলে কাছে নিয়ে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করে বিলে ফেলে দেয়। ছেলেকে হত্যার পর বিলে ফেলে দিয়ে বাড়িরে ফিরে এসে অচেতন হয়ে যায় সেনোয়ারা বেগম। জ্ঞান ফিরে আসলে সে তার পরিবারের সদস্যদের জানায় রাফিকে খোঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। পরে বিভিন্ন জায়গায় খোজাখুজির পর বিলে কচুরিপানার নিচে শিশু রাফির মরদেহ পাওয়া যায়।