ঢাকা ১০:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ জুন ২০২৪, ২ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বিচার বিভাগ আবারও প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণে চলে গেলো: মির্জা ফখরুল

জাতীয় ডেস্কঃ
বিচার বিভাগ আবারও প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণে চলে গেছে বলে মন্তব্য করে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বিচার বিভাগ আর স্বাধীন রাখা গেলো না। বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিয়ে আমরা প্রচুর আন্দোলন করেছি।এ নিয়ে আইন পাস হয়েছে। নিম্ন আদালতের বিচারকদের শৃঙ্খলাবিধি আচারণের গেজেট প্রকাশের মধ্য দিয়ে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা আবারও প্রশাসনের হাতে চলে গেল। কোনোভাবেই এটাকে মুক্ত করা গেল না। সরকারের হাতেই থাকছে নিয়ন্ত্রণ। বিচারবিভাগের যে শৃঙ্খলা বিধান করেছে, এটি ভয়াবহ রকমের একটি বিচ্যুতি, চক্রান্ত। এর মাধ্যমে বিচারবিভাগকে নিয়ন্ত্রণ করেই ভিন্নমতকে তারা নিয়ন্ত্রণ করবে।
তিনি বলেন, বিচার বিভাগ স্বাধীন করতে গিয়ে প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা প্রধান বিচারপতির পদ হারিয়েছেন এবং দেশত্যাগে বাধ্য হয়েছেন। এসব অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে গেলে বিএনপির ওপর মামলার খড়গ নেমে আসে।
মঙ্গলবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবে জাতীয়তাবাদী পরিষদ আয়োজিত ঢাবি সিনেটের রেজিস্ট্রার গ্রাজুয়েট প্রতিনিধি নির্বাচন ২০১৭ প্যানেল পরিচিতির এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলে।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, নিম্ন আদালতের বিচারকদের চাকরির শৃঙ্খলা ও আচরণ বিধির গেজেট প্রকাশকে ‘ভয়াবহ চক্রান্ত’। বিচারবিভাগকে নিয়ন্ত্রণ করে বিরোধী মতকে দমন করতেই এটি করা হয়েছে। ১৮ বছর ধরে মামলা চললো। বিচারবিভাগের স্বাধীনতার মামলা। সেই মামলা রায় হয়ে গেলো যে, বিচারবিভাগকে সম্পূর্ণ স্বাধীন করতে হবে। বিচারবিভাগে প্রশাসনের কোনো কর্তৃত্ব থাকবে না। এ ব্যাপারে রায় দিয়েও দিয়েছিলেন, রায় বাস্তবায়নও করতে বলেছিলেন শাসনবিভাগকে। এই বলার কারণে আমাদের প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহাকে দেশ ছেড়ে চলে যেতে হয়েছে। এই হচ্ছে এদের স্বাধীন বিচার বিভাগের নমুনা।
ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

বিচার বিভাগ আবারও প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণে চলে গেলো: মির্জা ফখরুল

আপডেট সময় ০১:৩৩:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ ডিসেম্বর ২০১৭
জাতীয় ডেস্কঃ
বিচার বিভাগ আবারও প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণে চলে গেছে বলে মন্তব্য করে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বিচার বিভাগ আর স্বাধীন রাখা গেলো না। বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিয়ে আমরা প্রচুর আন্দোলন করেছি।এ নিয়ে আইন পাস হয়েছে। নিম্ন আদালতের বিচারকদের শৃঙ্খলাবিধি আচারণের গেজেট প্রকাশের মধ্য দিয়ে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা আবারও প্রশাসনের হাতে চলে গেল। কোনোভাবেই এটাকে মুক্ত করা গেল না। সরকারের হাতেই থাকছে নিয়ন্ত্রণ। বিচারবিভাগের যে শৃঙ্খলা বিধান করেছে, এটি ভয়াবহ রকমের একটি বিচ্যুতি, চক্রান্ত। এর মাধ্যমে বিচারবিভাগকে নিয়ন্ত্রণ করেই ভিন্নমতকে তারা নিয়ন্ত্রণ করবে।
তিনি বলেন, বিচার বিভাগ স্বাধীন করতে গিয়ে প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা প্রধান বিচারপতির পদ হারিয়েছেন এবং দেশত্যাগে বাধ্য হয়েছেন। এসব অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে গেলে বিএনপির ওপর মামলার খড়গ নেমে আসে।
মঙ্গলবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবে জাতীয়তাবাদী পরিষদ আয়োজিত ঢাবি সিনেটের রেজিস্ট্রার গ্রাজুয়েট প্রতিনিধি নির্বাচন ২০১৭ প্যানেল পরিচিতির এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলে।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, নিম্ন আদালতের বিচারকদের চাকরির শৃঙ্খলা ও আচরণ বিধির গেজেট প্রকাশকে ‘ভয়াবহ চক্রান্ত’। বিচারবিভাগকে নিয়ন্ত্রণ করে বিরোধী মতকে দমন করতেই এটি করা হয়েছে। ১৮ বছর ধরে মামলা চললো। বিচারবিভাগের স্বাধীনতার মামলা। সেই মামলা রায় হয়ে গেলো যে, বিচারবিভাগকে সম্পূর্ণ স্বাধীন করতে হবে। বিচারবিভাগে প্রশাসনের কোনো কর্তৃত্ব থাকবে না। এ ব্যাপারে রায় দিয়েও দিয়েছিলেন, রায় বাস্তবায়নও করতে বলেছিলেন শাসনবিভাগকে। এই বলার কারণে আমাদের প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহাকে দেশ ছেড়ে চলে যেতে হয়েছে। এই হচ্ছে এদের স্বাধীন বিচার বিভাগের নমুনা।