ঢাকা ১১:০৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৪, ৬ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বিমানবন্দর সড়কের বাতি জ্বলেনি, মোবাইল জ্বালিয়ে বিএনপির প্রতিবাদ

জাতীয় ডেস্কঃ

লন্ডন সফর শেষে বুধবার বিকেল ৫টার পর হযরত শাহজালাল বিমান্দরে পৌঁছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। সেখানে আনুষ্ঠানিকতা শেষে সন্ধ্যায় বিমানবন্দর থেকে বের হয়ে গুলশানে বাসার উদ্দেশ্যে রওনা হন বেগম জিয়া। এদিন সন্ধ্যার পর থেকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সড়কের বাতি জ্বলেনি। ওই সড়কে উপস্থিত বিএনপির নেতাকর্মীরা মোবাইল ফোনের আলো জ্বালিয়ে বিষয়টির প্রতিবাদ করেছেন।

এদিকে খালেদা জিয়াকে অভ্যর্থনা জানাতে বিকেল থেকেই বিমানবন্দর সড়কে ভিড় জমান বিএনপির বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী। কিন্তু সন্ধ্যার পর বাতি না জ্বলায় বিপাকে পড়েন তারা।

সন্ধ্যা ৭টায় এ রিপোর্ট লেখার সময় গুলশানের পথে রয়েছেন খালেদা জিয়া। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত ওই সড়কের বাতি জ্বলেনি। সাড়ে ৬টার দিকে হঠাৎ আলো জ্বলে। তবে তা মাত্র পাঁচ মিনিট স্থায়ী ছিল। এরপর আবার নিভে যায় বাতি।

এর জন্য সরকারকেই দায়ী করেন বিএনপি নেতাকর্মী। হাতে থাকা মোবাইলের আলো জ্বালিয়ে সড়কেই মিছিল ও স্লোগান দিতে থাকেন তারা। অনেক নেতাকর্মী মোটরসাইকেলের হেড লাইট জ্বালিয়ে সংহতি প্রকাশ করেন।

ভাটারা থানা ছাত্রদলের সদস্য হাসিবুল ইসলাম বলেন, ‘শুভেচ্ছা জানাতে আসা নেতাকর্মীদের বিপাকে ফেলার জন্য ইচ্ছাকৃতভাবে সন্ধ্যার পর থেকে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ সড়কের মূল বাতি জ্বালানো হয়নি।’

গুলশান থানা বিএনপির সদস্য জাকিরুল ইসলাম বলেন, ‘বিমানবন্দর সড়কের বাতি না জ্বালানো সরকারের একটি ষড়যন্ত্র। তবু আমরা যারা এসেছি, আমাদের নিজ নিজ মোবাইলের আলোতে হাত উঁচু করে ধরেছি। নেত্রী বাসায় পৌঁছানো পর্যন্ত আলো দিয়ে যাব।’

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

মুরাদনগর ভয়াবহ আগুন কয়ক কাটি টাকার ক্ষতি 

বিমানবন্দর সড়কের বাতি জ্বলেনি, মোবাইল জ্বালিয়ে বিএনপির প্রতিবাদ

আপডেট সময় ০১:৫৪:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ অক্টোবর ২০১৭
জাতীয় ডেস্কঃ

লন্ডন সফর শেষে বুধবার বিকেল ৫টার পর হযরত শাহজালাল বিমান্দরে পৌঁছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। সেখানে আনুষ্ঠানিকতা শেষে সন্ধ্যায় বিমানবন্দর থেকে বের হয়ে গুলশানে বাসার উদ্দেশ্যে রওনা হন বেগম জিয়া। এদিন সন্ধ্যার পর থেকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সড়কের বাতি জ্বলেনি। ওই সড়কে উপস্থিত বিএনপির নেতাকর্মীরা মোবাইল ফোনের আলো জ্বালিয়ে বিষয়টির প্রতিবাদ করেছেন।

এদিকে খালেদা জিয়াকে অভ্যর্থনা জানাতে বিকেল থেকেই বিমানবন্দর সড়কে ভিড় জমান বিএনপির বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী। কিন্তু সন্ধ্যার পর বাতি না জ্বলায় বিপাকে পড়েন তারা।

সন্ধ্যা ৭টায় এ রিপোর্ট লেখার সময় গুলশানের পথে রয়েছেন খালেদা জিয়া। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত ওই সড়কের বাতি জ্বলেনি। সাড়ে ৬টার দিকে হঠাৎ আলো জ্বলে। তবে তা মাত্র পাঁচ মিনিট স্থায়ী ছিল। এরপর আবার নিভে যায় বাতি।

এর জন্য সরকারকেই দায়ী করেন বিএনপি নেতাকর্মী। হাতে থাকা মোবাইলের আলো জ্বালিয়ে সড়কেই মিছিল ও স্লোগান দিতে থাকেন তারা। অনেক নেতাকর্মী মোটরসাইকেলের হেড লাইট জ্বালিয়ে সংহতি প্রকাশ করেন।

ভাটারা থানা ছাত্রদলের সদস্য হাসিবুল ইসলাম বলেন, ‘শুভেচ্ছা জানাতে আসা নেতাকর্মীদের বিপাকে ফেলার জন্য ইচ্ছাকৃতভাবে সন্ধ্যার পর থেকে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ সড়কের মূল বাতি জ্বালানো হয়নি।’

গুলশান থানা বিএনপির সদস্য জাকিরুল ইসলাম বলেন, ‘বিমানবন্দর সড়কের বাতি না জ্বালানো সরকারের একটি ষড়যন্ত্র। তবু আমরা যারা এসেছি, আমাদের নিজ নিজ মোবাইলের আলোতে হাত উঁচু করে ধরেছি। নেত্রী বাসায় পৌঁছানো পর্যন্ত আলো দিয়ে যাব।’