ঢাকা ০৩:৫১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ জুন ২০২৪, ৬ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনে বিএনপি’র মনোনয়ন কে পাচ্ছেন?

ফয়সল আহমেদ খান,বাঞ্ছারামপুর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) থেকেঃ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬(বাঞ্ছারামপুর)আসনে খুব শীঘ্রই বিএনপি থেকে মনোনীত প্রার্থীর তালিকা ঘোষনা করা হবে বলে জানা গেছে।অন্তত আওয়ামীলীগের আগে তো অবশ্যই।বিএনপি কেন্দ্রীয় সূত্রে জানা গেছে,গত সংসদে দলটি অংশ গ্রহন না করার কারনে জনগনের সাথে নিবিঢ় সম্পর্ক গড়ে তোলা ও পিছিয়ে থাকার কারনে আগে-ভাগেই নাম ঘোষনা করা হচ্ছে।কিন্তু বিএনপি বাঞ্ছারামপুর আসনে বিএনপির ধানের শীষের প্রতীক নিয়ে মাঠে নামছে কে? এই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে দলটির মাঠ পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের মাঝে।

ইথারে ভেসে বেড়াচ্ছে নানা জনের নাম।তবে,এদিক দিয়ে বরাবরের মতোই এগিয়ে আছেন সাবেক এমপি ও দলের বর্তমান উপজেলা সভাপতি এম এ খালেক।আবার কেউ কেউ মনে করছেন বয়সের কারন ও এলাকায় নিয়মিত যাতায়াত না করার কারনে ভোটার সাথে তার একটি দূরত্ব সৃষ্টি হয়েছে।সে ক্ষেত্রে বর্তমান তরুন নেতা ও এলাকায় নেতাকর্মীদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষাকারী কৃষিবিদ মেহেদী হাসান পলাশ।তিনি সম্প্রতি বিশেষ করে রমজানের ঈদের পর থেকে দলীয় বিশেষ বিশেষ অনুষ্ঠান,ব্যানার -ফেষ্টুনে গোটা এলাকা ছেয়ে ফেলে দলীয় ভোটারদের দৃষ্টি কাড়তে সক্ষম হন বলে এলাকাবাসী মনে করেন।

২০০৮ সালে বিএনপি ক্ষমতা ছাড়ার পর,অর্থাৎ এমএ খালেক এমপি হতে সাবেক হবার পর,১/১১ সময় হতেই বাঞ্ছারামপুর বিএনপিতে দেখা দেয় ভাঙ্গন।ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে যে যার মতো।‘নিজে বাঁচলে বাপের নাম’-এই রীতিতে চলতে থাকে বিএনপি।সেই সময় দলের হাল ধরার মতো কেউ ছিলো না।সময়ের বিবর্তনে ভিপি মান্নান ১/১১ পর ধীরে-ধীরে নেতাকর্মীদের সাথে যোগযোগ রক্ষা করতে শুরু করেন।দলকে কঠিন সময়ে ধরে রাখার ক্রেডিট যদি কাউকে দেয়া হয়,তবে,সেটি ভিপি মান্নান একাই এই কাজটি করে দেখিয়েছেন।

আসন্ন নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সাথে ফাইট দিয়ে আসন পুনুরুদ্ধার করার মতো ব্যক্তিটি তা হলে কে ? আবার প্রশ্ন আসে আওয়ামীলীগ থেকে প্রার্থী হচ্ছেন টা কে? ক্যা.তাজ ,মহিউদ্দিন মহি না-কি সাঈদ আহমেদ বাবু!
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের নীতি-নির্ধারক পর্যায়ে বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক জিয়ার পর নেতাদের মধ্যে রয়েছেন বহু নেতা।তাদের মধ্য থেকে মির্জা ফখরুল ইসলাম, গয়েশ^র চন্দ্র রায়,ড.খন্দকার মোশাররফ হোসেন,আমীর মাহমুদ খসরু,পাপিয়া হারুন,খায়রুল কবীর খোকন এবং শওকত মাহমুদদের মতে এ বছর বাঞ্ছারামপুর আসনটি পুনরুদ্বার করতে হলে আমাদের ক্লীন ইমেজের প্রার্থী লাগবে।যার পেছনের কোন কালিমা নেই।হতে হবে সৎ,তরুন, এলাকাবাসীর কাছে গ্রহনযোগ্য এবং সর্বোপরী আর্থিকভাবে সামর্থবান। কারন,আওয়ামীলীগের সাথে ফাইট দিতে হলে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে যেমন যেতে হবে,তেমনি টাকাও থাকতে হবে।বহু ভোটার আছেন যারা আওয়ামীলীগ-বিএনপি বুঝেন না।বোঝেন নগদ অর্থ।যাকে যেভাবে ম্যানেজ করার,তাকে সেভাবেই করতেই হবে।

তাদের কাছে গ্রহনযোগ্য পছন্দের সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকায় প্রথমেই রয়েছেন কৃষিবিদ মেহেদী হাসান পলাশ,এমএ খালেক।তারপর হয়তো-এডভোকেট রফিক শিকদার,এডভোকেট জিয়াউদ্দিন।রফিক শিকদারের রয়েছে গ্রামভিত্তক বেশ কিছু ভোট।একই রকম এডভোকেট জিয়াউদ্দিনের।সেগুলো ধর্র্তব্যেও মধ্যে পড়ে না বলে স্থানীয় নেতাকর্মীরা মনে করছেন।

ভোটারদেও সাথে কথা বলে জানা গেছে-তেজখালীতে কয়েকমাস আগে সাবেক এমপি এম এ খালেক দলের একীভূত করার প্রোগ্রাম ও দলীয় সংগ্রহ ও সদস্য সংগ্রহ নবায়ন অনুষ্ঠানটি তাকে ফের আলোচনায় নিয়ে আসে।একইভাবে,তারেক জিয়ার জন্মবার্ষিকী অনুষ্ঠানটি সাফল্যতায় মেহেদী হাসান পলাশ চলে আসেন ইতিবাচক ভূমিকায়।

কেন্দ্রƒীয় নেতাদের মধ্যে চট্রগ্রাম বিভাগের দায়িত্বে থাকা ড.খন্দকার মোশাররফ হোসেন, আমীর খসরু মাহমুদ এর পছন্দ কৃষিবিদ মেহেদী হাসান পলাশ।দলের প্রবীন নেতাসহ মির্জা ফখরুল ইসলামের পছন্দ এম এ খালেক।
অন্যদিকে,এম এ খালেক হলেন বর্তমান উপজেলা শাখার সভাপতি।সাবেক নির্বাচিত এমপি।তার রয়েছে ব্যাপক অভিজ্ঞতা।রয়েছে রেডিমেট কর্মী বাহিনী।সব দিক দিয়েই তিনি অগ্রগামী।সর্বোপরী,বলা যেতে পাওে দলের প্রথম পছন্দ হবেন নিশ্চিত এম এ খালেক তারপর,মেহেদী হাসান পলাশ।

সম্প্রতি বাঞ্ছারামপুরে আইয়ূবপুর ও দরিয়াদৌলত ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচনে বিজয়ী চেয়ারম্যানদের খরচ কতো করেছেন অনুমান করতে পারেন? ৫ থেকে ৬ কোটি টাকা!বিষয়টি প্রার্থীরা স্বীকার হয়তো করবে না,কিন্তু,বিশ^স্ত সূত্রে এমন তথ্য জানা গেছে।তা হলে,একজন এমপি প্রার্থীর খরচ কতো হতে পারে ? ১৩টি ইউনিয়ন হিসেবে।পত্রপত্রিকায় নানা লিখার সূত্রমতে,আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একেকজন এমপি প্রার্থীকে কমপক্ষ্যে ৬০ থেকে ১’শ কোটি টাকা ব্যয় করতে হতে পারে।

অভিজ্ঞ মহল মনে করছেন,আসন্ন নির্বাচনে বেগম খালেদা জিয়া তারেক জিয়ার পরামর্শে প্রার্থী চুড়ান্ত করবেন।বিশেষ করে,বিভিন্ন আসনের প্রার্থীদের যারা তারেক রহমানের সাথে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রক্ষা করতে পারবেন এবং নির্বাচনে হাতির পোষার (বিশাল নির্বাচনী ব্যয়) সামর্থ্য থাকবে তাদের দেয়া হবে মনোনয়ন।ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬(বাঞ্ছারামপুর)আসনে খুব শীঘ্রই বিএনপি থেকে মনোনীত প্রার্থীর তালিকা ঘোষনা করা হবে বলে জানা গেছে।অন্তত আওয়ামীলীগের আগে তো অবশ্যই।বিএনপি কেন্দ্রীয় সূত্রে জানা গেছে,গত সংসদে দলটি অংশ গ্রহন না করার কারনে জনগনের সাথে নিবিঢ় সম্পর্ক গড়ে তোলা ও পিছিয়ে থাকার কারনে আগে-ভাগেই নাম ঘোষনা করা হচ্ছে।কিন্তু বিএনপি বাঞ্ছারামপুর আসনে বিএনপির ধানের শীষের প্রতীক নিয়ে মাঠে নামছে কে? এই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে দলটির মাঠ পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের মাঝে।

ইথারে ভেসে বেড়াচ্ছে নানা জনের নাম।তবে,এদিক দিয়ে বরাবরের মতোই এগিয়ে আছেন সাবেক এমপি ও দলের বর্তমান উপজেলা সভাপতি এম এ খালেক।আবার কেউ কেউ মনে করছেন বয়সের কারন ও এলাকায় নিয়মিত যাতায়াত না করার কারনে ভোটার সাথে তার একটি দূরত্ব সৃষ্টি হয়েছে।সে ক্ষেত্রে বর্তমান তরুন নেতা ও এলাকায় নেতাকর্মীদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষাকারী কৃষিবিদ মেহেদী হাসান পলাশ।তিনি সম্প্রতি বিশেষ করে রমজানের ঈদের পর থেকে দলীয় বিশেষ বিশেষ অনুষ্ঠান,ব্যানার -ফেষ্টুনে গোটা এলাকা ছেয়ে ফেলে দলীয় ভোটারদের দৃষ্টি কাড়তে সক্ষম হন বলে এলাকাবাসী মনে করেন।

২০০৮ সালে বিএনপি ক্ষমতা ছাড়ার পর,অর্থাৎ এমএ খালেক এমপি হতে সাবেক হবার পর,১/১১ সময় হতেই বাঞ্ছারামপুর বিএনপিতে দেখা দেয় ভাঙ্গন।ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে যে যার মতো।‘নিজে বাঁচলে বাপের নাম’-এই রীতিতে চলতে থাকে বিএনপি।সেই সময় দলের হাল ধরার মতো কেউ ছিলো না।সময়ের বিবর্তনে ভিপি মান্নান ১/১১ পর ধীরে-ধীরে নেতাকর্মীদের সাথে যোগযোগ রক্ষা করতে শুরু করেন।দলকে কঠিন সময়ে ধরে রাখার ক্রেডিট যদি কাউকে দেয়া হয়,তবে,সেটি ভিপি মান্নান একাই এই কাজটি করে দেখিয়েছেন।

আসন্ন নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সাথে ফাইট দিয়ে আসন পুনুরুদ্ধার করার মতো ব্যক্তিটি তা হলে কে ? আবার প্রশ্ন আসে আওয়ামীলীগ থেকে প্রার্থী হচ্ছেন টা কে? ক্যা.তাজ ,মহিউদ্দিন মহি না-কি সাঈদ আহমেদ বাবু!

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের নীতি-নির্ধারক পর্যায়ে বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক জিয়ার পর নেতাদের মধ্যে রয়েছেন বহু নেতা।তাদের মধ্য থেকে মির্জা ফখরুল ইসলাম, গয়েশ^র চন্দ্র রায়,ড.খন্দকার মোশাররফ হোসেন,আমীর মাহমুদ খসরু,পাপিয়া হারুন,খায়রুল কবীর খোকন এবং শওকত মাহমুদদের মতে এ বছর বাঞ্ছারামপুর আসনটি পুনরুদ্বার করতে হলে আমাদের ক্লীন ইমেজের প্রার্থী লাগবে।যার পেছনের কোন কালিমা নেই।হতে হবে সৎ,তরুন, এলাকাবাসীর কাছে গ্রহনযোগ্য এবং সর্বোপরী আর্থিকভাবে সামর্থবান। কারন,আওয়ামীলীগের সাথে ফাইট দিতে হলে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে যেমন যেতে হবে,তেমনি টাকাও থাকতে হবে।বহু ভোটার আছেন যারা আওয়ামীলীগ-বিএনপি বুঝেন না।বোঝেন নগদ অর্থ।যাকে যেভাবে ম্যানেজ করার,তাকে সেভাবেই করতেই হবে।

তাদের কাছে গ্রহনযোগ্য পছন্দের সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকায় প্রথমেই রয়েছেন কৃষিবিদ মেহেদী হাসান পলাশ,এমএ খালেক।তারপর হয়তো-এডভোকেট রফিক শিকদার,এডভোকেট জিয়াউদ্দিন।রফিক শিকদারের রয়েছে গ্রামভিত্তক বেশ কিছু ভোট।একই রকম এডভোকেট জিয়াউদ্দিনের।সেগুলো ধর্র্তব্যেও মধ্যে পড়ে না বলে স্থানীয় নেতাকর্মীরা মনে করছেন।

ভোটারদেও সাথে কথা বলে জানা গেছে-তেজখালীতে কয়েকমাস আগে সাবেক এমপি এম এ খালেক দলের একীভূত করার প্রোগ্রাম ও দলীয় সংগ্রহ ও সদস্য সংগ্রহ নবায়ন অনুষ্ঠানটি তাকে ফের আলোচনায় নিয়ে আসে।একইভাবে,তারেক জিয়ার জন্মবার্ষিকী অনুষ্ঠানটি সাফল্যতায় মেহেদী হাসান পলাশ চলে আসেন ইতিবাচক ভূমিকায়।

কেন্দ্রƒীয় নেতাদের মধ্যে চট্রগ্রাম বিভাগের দায়িত্বে থাকা ড.খন্দকার মোশাররফ হোসেন, আমীর খসরু মাহমুদ এর পছন্দ কৃষিবিদ মেহেদী হাসান পলাশ।দলের প্রবীন নেতাসহ মির্জা ফখরুল ইসলামের পছন্দ এম এ খালেক।

অন্যদিকে,এম এ খালেক হলেন বর্তমান উপজেলা শাখার সভাপতি।সাবেক নির্বাচিত এমপি।তার রয়েছে ব্যাপক অভিজ্ঞতা।রয়েছে রেডিমেট কর্মী বাহিনী।সব দিক দিয়েই তিনি অগ্রগামী।সর্বোপরী,বলা যেতে পাওে দলের প্রথম পছন্দ হবেন নিশ্চিত এম এ খালেক তারপর,মেহেদী হাসান পলাশ।

সম্প্রতি বাঞ্ছারামপুরে আইয়ূবপুর ও দরিয়াদৌলত ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচনে বিজয়ী চেয়ারম্যানদের খরচ কতো করেছেন অনুমান করতে পারেন? ৫ থেকে ৬ কোটি টাকা!বিষয়টি প্রার্থীরা স্বীকার হয়তো করবে না,কিন্তু,বিশ^স্ত সূত্রে এমন তথ্য জানা গেছে।তা হলে,একজন এমপি প্রার্থীর খরচ কতো হতে পারে ? ১৩টি ইউনিয়ন হিসেবে।পত্রপত্রিকায় নানা লিখার সূত্রমতে,আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একেকজন এমপি প্রার্থীকে কমপক্ষ্যে ৬০ থেকে ১’শ কোটি টাকা ব্যয় করতে হতে পারে।

অভিজ্ঞ মহল মনে করছেন,আসন্ন নির্বাচনে বেগম খালেদা জিয়া তারেক জিয়ার পরামর্শে প্রার্থী চুড়ান্ত করবেন।বিশেষ করে,বিভিন্ন আসনের প্রার্থীদের যারা তারেক রহমানের সাথে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রক্ষা করতে পারবেন এবং নির্বাচনে হাতির পোষার (বিশাল নির্বাচনী ব্যয়) সামর্থ্য থাকবে তাদের দেয়া হবে মনোনয়ন।

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনে বিএনপি’র মনোনয়ন কে পাচ্ছেন?

আপডেট সময় ০২:৪৬:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ ডিসেম্বর ২০১৭
ফয়সল আহমেদ খান,বাঞ্ছারামপুর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) থেকেঃ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬(বাঞ্ছারামপুর)আসনে খুব শীঘ্রই বিএনপি থেকে মনোনীত প্রার্থীর তালিকা ঘোষনা করা হবে বলে জানা গেছে।অন্তত আওয়ামীলীগের আগে তো অবশ্যই।বিএনপি কেন্দ্রীয় সূত্রে জানা গেছে,গত সংসদে দলটি অংশ গ্রহন না করার কারনে জনগনের সাথে নিবিঢ় সম্পর্ক গড়ে তোলা ও পিছিয়ে থাকার কারনে আগে-ভাগেই নাম ঘোষনা করা হচ্ছে।কিন্তু বিএনপি বাঞ্ছারামপুর আসনে বিএনপির ধানের শীষের প্রতীক নিয়ে মাঠে নামছে কে? এই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে দলটির মাঠ পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের মাঝে।

ইথারে ভেসে বেড়াচ্ছে নানা জনের নাম।তবে,এদিক দিয়ে বরাবরের মতোই এগিয়ে আছেন সাবেক এমপি ও দলের বর্তমান উপজেলা সভাপতি এম এ খালেক।আবার কেউ কেউ মনে করছেন বয়সের কারন ও এলাকায় নিয়মিত যাতায়াত না করার কারনে ভোটার সাথে তার একটি দূরত্ব সৃষ্টি হয়েছে।সে ক্ষেত্রে বর্তমান তরুন নেতা ও এলাকায় নেতাকর্মীদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষাকারী কৃষিবিদ মেহেদী হাসান পলাশ।তিনি সম্প্রতি বিশেষ করে রমজানের ঈদের পর থেকে দলীয় বিশেষ বিশেষ অনুষ্ঠান,ব্যানার -ফেষ্টুনে গোটা এলাকা ছেয়ে ফেলে দলীয় ভোটারদের দৃষ্টি কাড়তে সক্ষম হন বলে এলাকাবাসী মনে করেন।

২০০৮ সালে বিএনপি ক্ষমতা ছাড়ার পর,অর্থাৎ এমএ খালেক এমপি হতে সাবেক হবার পর,১/১১ সময় হতেই বাঞ্ছারামপুর বিএনপিতে দেখা দেয় ভাঙ্গন।ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে যে যার মতো।‘নিজে বাঁচলে বাপের নাম’-এই রীতিতে চলতে থাকে বিএনপি।সেই সময় দলের হাল ধরার মতো কেউ ছিলো না।সময়ের বিবর্তনে ভিপি মান্নান ১/১১ পর ধীরে-ধীরে নেতাকর্মীদের সাথে যোগযোগ রক্ষা করতে শুরু করেন।দলকে কঠিন সময়ে ধরে রাখার ক্রেডিট যদি কাউকে দেয়া হয়,তবে,সেটি ভিপি মান্নান একাই এই কাজটি করে দেখিয়েছেন।

আসন্ন নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সাথে ফাইট দিয়ে আসন পুনুরুদ্ধার করার মতো ব্যক্তিটি তা হলে কে ? আবার প্রশ্ন আসে আওয়ামীলীগ থেকে প্রার্থী হচ্ছেন টা কে? ক্যা.তাজ ,মহিউদ্দিন মহি না-কি সাঈদ আহমেদ বাবু!
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের নীতি-নির্ধারক পর্যায়ে বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক জিয়ার পর নেতাদের মধ্যে রয়েছেন বহু নেতা।তাদের মধ্য থেকে মির্জা ফখরুল ইসলাম, গয়েশ^র চন্দ্র রায়,ড.খন্দকার মোশাররফ হোসেন,আমীর মাহমুদ খসরু,পাপিয়া হারুন,খায়রুল কবীর খোকন এবং শওকত মাহমুদদের মতে এ বছর বাঞ্ছারামপুর আসনটি পুনরুদ্বার করতে হলে আমাদের ক্লীন ইমেজের প্রার্থী লাগবে।যার পেছনের কোন কালিমা নেই।হতে হবে সৎ,তরুন, এলাকাবাসীর কাছে গ্রহনযোগ্য এবং সর্বোপরী আর্থিকভাবে সামর্থবান। কারন,আওয়ামীলীগের সাথে ফাইট দিতে হলে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে যেমন যেতে হবে,তেমনি টাকাও থাকতে হবে।বহু ভোটার আছেন যারা আওয়ামীলীগ-বিএনপি বুঝেন না।বোঝেন নগদ অর্থ।যাকে যেভাবে ম্যানেজ করার,তাকে সেভাবেই করতেই হবে।

তাদের কাছে গ্রহনযোগ্য পছন্দের সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকায় প্রথমেই রয়েছেন কৃষিবিদ মেহেদী হাসান পলাশ,এমএ খালেক।তারপর হয়তো-এডভোকেট রফিক শিকদার,এডভোকেট জিয়াউদ্দিন।রফিক শিকদারের রয়েছে গ্রামভিত্তক বেশ কিছু ভোট।একই রকম এডভোকেট জিয়াউদ্দিনের।সেগুলো ধর্র্তব্যেও মধ্যে পড়ে না বলে স্থানীয় নেতাকর্মীরা মনে করছেন।

ভোটারদেও সাথে কথা বলে জানা গেছে-তেজখালীতে কয়েকমাস আগে সাবেক এমপি এম এ খালেক দলের একীভূত করার প্রোগ্রাম ও দলীয় সংগ্রহ ও সদস্য সংগ্রহ নবায়ন অনুষ্ঠানটি তাকে ফের আলোচনায় নিয়ে আসে।একইভাবে,তারেক জিয়ার জন্মবার্ষিকী অনুষ্ঠানটি সাফল্যতায় মেহেদী হাসান পলাশ চলে আসেন ইতিবাচক ভূমিকায়।

কেন্দ্রƒীয় নেতাদের মধ্যে চট্রগ্রাম বিভাগের দায়িত্বে থাকা ড.খন্দকার মোশাররফ হোসেন, আমীর খসরু মাহমুদ এর পছন্দ কৃষিবিদ মেহেদী হাসান পলাশ।দলের প্রবীন নেতাসহ মির্জা ফখরুল ইসলামের পছন্দ এম এ খালেক।
অন্যদিকে,এম এ খালেক হলেন বর্তমান উপজেলা শাখার সভাপতি।সাবেক নির্বাচিত এমপি।তার রয়েছে ব্যাপক অভিজ্ঞতা।রয়েছে রেডিমেট কর্মী বাহিনী।সব দিক দিয়েই তিনি অগ্রগামী।সর্বোপরী,বলা যেতে পাওে দলের প্রথম পছন্দ হবেন নিশ্চিত এম এ খালেক তারপর,মেহেদী হাসান পলাশ।

সম্প্রতি বাঞ্ছারামপুরে আইয়ূবপুর ও দরিয়াদৌলত ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচনে বিজয়ী চেয়ারম্যানদের খরচ কতো করেছেন অনুমান করতে পারেন? ৫ থেকে ৬ কোটি টাকা!বিষয়টি প্রার্থীরা স্বীকার হয়তো করবে না,কিন্তু,বিশ^স্ত সূত্রে এমন তথ্য জানা গেছে।তা হলে,একজন এমপি প্রার্থীর খরচ কতো হতে পারে ? ১৩টি ইউনিয়ন হিসেবে।পত্রপত্রিকায় নানা লিখার সূত্রমতে,আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একেকজন এমপি প্রার্থীকে কমপক্ষ্যে ৬০ থেকে ১’শ কোটি টাকা ব্যয় করতে হতে পারে।

অভিজ্ঞ মহল মনে করছেন,আসন্ন নির্বাচনে বেগম খালেদা জিয়া তারেক জিয়ার পরামর্শে প্রার্থী চুড়ান্ত করবেন।বিশেষ করে,বিভিন্ন আসনের প্রার্থীদের যারা তারেক রহমানের সাথে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রক্ষা করতে পারবেন এবং নির্বাচনে হাতির পোষার (বিশাল নির্বাচনী ব্যয়) সামর্থ্য থাকবে তাদের দেয়া হবে মনোনয়ন।ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬(বাঞ্ছারামপুর)আসনে খুব শীঘ্রই বিএনপি থেকে মনোনীত প্রার্থীর তালিকা ঘোষনা করা হবে বলে জানা গেছে।অন্তত আওয়ামীলীগের আগে তো অবশ্যই।বিএনপি কেন্দ্রীয় সূত্রে জানা গেছে,গত সংসদে দলটি অংশ গ্রহন না করার কারনে জনগনের সাথে নিবিঢ় সম্পর্ক গড়ে তোলা ও পিছিয়ে থাকার কারনে আগে-ভাগেই নাম ঘোষনা করা হচ্ছে।কিন্তু বিএনপি বাঞ্ছারামপুর আসনে বিএনপির ধানের শীষের প্রতীক নিয়ে মাঠে নামছে কে? এই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে দলটির মাঠ পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের মাঝে।

ইথারে ভেসে বেড়াচ্ছে নানা জনের নাম।তবে,এদিক দিয়ে বরাবরের মতোই এগিয়ে আছেন সাবেক এমপি ও দলের বর্তমান উপজেলা সভাপতি এম এ খালেক।আবার কেউ কেউ মনে করছেন বয়সের কারন ও এলাকায় নিয়মিত যাতায়াত না করার কারনে ভোটার সাথে তার একটি দূরত্ব সৃষ্টি হয়েছে।সে ক্ষেত্রে বর্তমান তরুন নেতা ও এলাকায় নেতাকর্মীদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষাকারী কৃষিবিদ মেহেদী হাসান পলাশ।তিনি সম্প্রতি বিশেষ করে রমজানের ঈদের পর থেকে দলীয় বিশেষ বিশেষ অনুষ্ঠান,ব্যানার -ফেষ্টুনে গোটা এলাকা ছেয়ে ফেলে দলীয় ভোটারদের দৃষ্টি কাড়তে সক্ষম হন বলে এলাকাবাসী মনে করেন।

২০০৮ সালে বিএনপি ক্ষমতা ছাড়ার পর,অর্থাৎ এমএ খালেক এমপি হতে সাবেক হবার পর,১/১১ সময় হতেই বাঞ্ছারামপুর বিএনপিতে দেখা দেয় ভাঙ্গন।ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে যে যার মতো।‘নিজে বাঁচলে বাপের নাম’-এই রীতিতে চলতে থাকে বিএনপি।সেই সময় দলের হাল ধরার মতো কেউ ছিলো না।সময়ের বিবর্তনে ভিপি মান্নান ১/১১ পর ধীরে-ধীরে নেতাকর্মীদের সাথে যোগযোগ রক্ষা করতে শুরু করেন।দলকে কঠিন সময়ে ধরে রাখার ক্রেডিট যদি কাউকে দেয়া হয়,তবে,সেটি ভিপি মান্নান একাই এই কাজটি করে দেখিয়েছেন।

আসন্ন নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সাথে ফাইট দিয়ে আসন পুনুরুদ্ধার করার মতো ব্যক্তিটি তা হলে কে ? আবার প্রশ্ন আসে আওয়ামীলীগ থেকে প্রার্থী হচ্ছেন টা কে? ক্যা.তাজ ,মহিউদ্দিন মহি না-কি সাঈদ আহমেদ বাবু!

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের নীতি-নির্ধারক পর্যায়ে বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক জিয়ার পর নেতাদের মধ্যে রয়েছেন বহু নেতা।তাদের মধ্য থেকে মির্জা ফখরুল ইসলাম, গয়েশ^র চন্দ্র রায়,ড.খন্দকার মোশাররফ হোসেন,আমীর মাহমুদ খসরু,পাপিয়া হারুন,খায়রুল কবীর খোকন এবং শওকত মাহমুদদের মতে এ বছর বাঞ্ছারামপুর আসনটি পুনরুদ্বার করতে হলে আমাদের ক্লীন ইমেজের প্রার্থী লাগবে।যার পেছনের কোন কালিমা নেই।হতে হবে সৎ,তরুন, এলাকাবাসীর কাছে গ্রহনযোগ্য এবং সর্বোপরী আর্থিকভাবে সামর্থবান। কারন,আওয়ামীলীগের সাথে ফাইট দিতে হলে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে যেমন যেতে হবে,তেমনি টাকাও থাকতে হবে।বহু ভোটার আছেন যারা আওয়ামীলীগ-বিএনপি বুঝেন না।বোঝেন নগদ অর্থ।যাকে যেভাবে ম্যানেজ করার,তাকে সেভাবেই করতেই হবে।

তাদের কাছে গ্রহনযোগ্য পছন্দের সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকায় প্রথমেই রয়েছেন কৃষিবিদ মেহেদী হাসান পলাশ,এমএ খালেক।তারপর হয়তো-এডভোকেট রফিক শিকদার,এডভোকেট জিয়াউদ্দিন।রফিক শিকদারের রয়েছে গ্রামভিত্তক বেশ কিছু ভোট।একই রকম এডভোকেট জিয়াউদ্দিনের।সেগুলো ধর্র্তব্যেও মধ্যে পড়ে না বলে স্থানীয় নেতাকর্মীরা মনে করছেন।

ভোটারদেও সাথে কথা বলে জানা গেছে-তেজখালীতে কয়েকমাস আগে সাবেক এমপি এম এ খালেক দলের একীভূত করার প্রোগ্রাম ও দলীয় সংগ্রহ ও সদস্য সংগ্রহ নবায়ন অনুষ্ঠানটি তাকে ফের আলোচনায় নিয়ে আসে।একইভাবে,তারেক জিয়ার জন্মবার্ষিকী অনুষ্ঠানটি সাফল্যতায় মেহেদী হাসান পলাশ চলে আসেন ইতিবাচক ভূমিকায়।

কেন্দ্রƒীয় নেতাদের মধ্যে চট্রগ্রাম বিভাগের দায়িত্বে থাকা ড.খন্দকার মোশাররফ হোসেন, আমীর খসরু মাহমুদ এর পছন্দ কৃষিবিদ মেহেদী হাসান পলাশ।দলের প্রবীন নেতাসহ মির্জা ফখরুল ইসলামের পছন্দ এম এ খালেক।

অন্যদিকে,এম এ খালেক হলেন বর্তমান উপজেলা শাখার সভাপতি।সাবেক নির্বাচিত এমপি।তার রয়েছে ব্যাপক অভিজ্ঞতা।রয়েছে রেডিমেট কর্মী বাহিনী।সব দিক দিয়েই তিনি অগ্রগামী।সর্বোপরী,বলা যেতে পাওে দলের প্রথম পছন্দ হবেন নিশ্চিত এম এ খালেক তারপর,মেহেদী হাসান পলাশ।

সম্প্রতি বাঞ্ছারামপুরে আইয়ূবপুর ও দরিয়াদৌলত ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচনে বিজয়ী চেয়ারম্যানদের খরচ কতো করেছেন অনুমান করতে পারেন? ৫ থেকে ৬ কোটি টাকা!বিষয়টি প্রার্থীরা স্বীকার হয়তো করবে না,কিন্তু,বিশ^স্ত সূত্রে এমন তথ্য জানা গেছে।তা হলে,একজন এমপি প্রার্থীর খরচ কতো হতে পারে ? ১৩টি ইউনিয়ন হিসেবে।পত্রপত্রিকায় নানা লিখার সূত্রমতে,আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একেকজন এমপি প্রার্থীকে কমপক্ষ্যে ৬০ থেকে ১’শ কোটি টাকা ব্যয় করতে হতে পারে।

অভিজ্ঞ মহল মনে করছেন,আসন্ন নির্বাচনে বেগম খালেদা জিয়া তারেক জিয়ার পরামর্শে প্রার্থী চুড়ান্ত করবেন।বিশেষ করে,বিভিন্ন আসনের প্রার্থীদের যারা তারেক রহমানের সাথে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রক্ষা করতে পারবেন এবং নির্বাচনে হাতির পোষার (বিশাল নির্বাচনী ব্যয়) সামর্থ্য থাকবে তাদের দেয়া হবে মনোনয়ন।