ঢাকা ১০:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৪, ৫ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ভারত বাংলাদেশকে ব্যবহার করবে : গয়েশ্বর রায়

জাতী ডেস্কঃ
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ভারতের উদ্দেশে বলেছেন, কাবিন দিয়ে যেমন দাম্পত্য জীবন সুনিশ্চিত করা যায়না, তেমনি চুক্তির বেড়াজালে বাংলাদেশের বন্ধুত্ব পাওয়া যাবে না। বরং দিনে দিনে ঘৃণা আরও বাড়বে। এই ঘৃণা এক সময় অগ্নিগিরির মত হবে। আর তখন ধ্বংস দেখার অপেক্ষা মাত্র।
গয়েশ্বর বলেন, এ প্রতিরক্ষা চুক্তি বাংলাদেশের নয়, এই চুক্তি ভারতের। বাংলাদেশের ভূ-খণ্ড ব্যবহার করে ভারত তার নিজস্ব ভূ-খণ্ড রক্ষায় প্রতিরক্ষা চুক্তি করেছে। ভারত বাংলাদেশকে অঙ্গরাজ্য হিসেবে ব্যবহার করবে। এই সমাঝোতা স্বাক্ষরের মাধ্যমে নিজেদেরকে ভারত নিরাপদ করল।
রবিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে রাজশাহী ইউনিভার্সিটি ন্যাশনালিস্ট এক্স স্টুডেন্টস এসোসিয়েশন আয়োজিত এক গোলটেবিল আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন। ‘জাতীয় সম্পদ, জাতীয় নিরাপত্তা ও গণতন্ত্র পুনঃউদ্ধারের সংগ্রামে দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার ডাক’ শীর্ষক এ সভায় তিনি বলেন, আমাদের চারিদিকে ভারত, আর ভারতের সঙ্গে আমাদের যুদ্ধ লাগবে না, তারা আমাদের বন্ধু রাষ্ট্র। চীনের সঙ্গেও যুদ্ধ হবে না। সুতরাং অন্যদেশের সঙ্গে যখন ভারতের যুদ্ধ লাগবে তখন বাংলাদেশকে তাদের রাষ্ট্রের অংশ হিসাবে ব্যবহার করবে।
তিনি বলেন, দক্ষিণ বঙ্গপোসাগর রক্ষার জন্য চীনের কাছ থেকে সাবমেরিন কিনে আমরা কোন অপরাধ করি নাই। আর এ জন্য অন্যদেশকে কেনো জবাব দিতে হবে। আর এর জবাব দেওয়ার জন্যই প্রধানমন্ত্রী ভারত গিয়েছেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ভারত অনেক সম্মান দিয়েছে। ব্যক্তিকে না কি রাষ্ট্র সম্মান দিয়েছেন? তবে ভারত যদি তিস্তা চুক্তি করতো তাহলে বাংলাদেশের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা হতো। ভারত বন্ধুত্বের নামে প্রভুত্ব দেখাচ্ছে। ভারতের নিরাপত্তা চুক্তির ইচ্ছার মধ্যে কূটকৌশল রয়েছে। ভারতের সাথে না কি বাংলাদেশের সম্পর্ক সর্বোচ্চ উচ্চ পর্যায়ে রয়েছে। তাহলে কেনো এতো অবিশ্বাস আর অবিশ্বাস না থাকলে, কেনো এত চুক্তি।
ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

মুরাদনগর ভয়াবহ আগুন কয়ক কাটি টাকার ক্ষতি 

ভারত বাংলাদেশকে ব্যবহার করবে : গয়েশ্বর রায়

আপডেট সময় ০৪:৩১:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ এপ্রিল ২০১৭
জাতী ডেস্কঃ
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ভারতের উদ্দেশে বলেছেন, কাবিন দিয়ে যেমন দাম্পত্য জীবন সুনিশ্চিত করা যায়না, তেমনি চুক্তির বেড়াজালে বাংলাদেশের বন্ধুত্ব পাওয়া যাবে না। বরং দিনে দিনে ঘৃণা আরও বাড়বে। এই ঘৃণা এক সময় অগ্নিগিরির মত হবে। আর তখন ধ্বংস দেখার অপেক্ষা মাত্র।
গয়েশ্বর বলেন, এ প্রতিরক্ষা চুক্তি বাংলাদেশের নয়, এই চুক্তি ভারতের। বাংলাদেশের ভূ-খণ্ড ব্যবহার করে ভারত তার নিজস্ব ভূ-খণ্ড রক্ষায় প্রতিরক্ষা চুক্তি করেছে। ভারত বাংলাদেশকে অঙ্গরাজ্য হিসেবে ব্যবহার করবে। এই সমাঝোতা স্বাক্ষরের মাধ্যমে নিজেদেরকে ভারত নিরাপদ করল।
রবিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে রাজশাহী ইউনিভার্সিটি ন্যাশনালিস্ট এক্স স্টুডেন্টস এসোসিয়েশন আয়োজিত এক গোলটেবিল আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন। ‘জাতীয় সম্পদ, জাতীয় নিরাপত্তা ও গণতন্ত্র পুনঃউদ্ধারের সংগ্রামে দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার ডাক’ শীর্ষক এ সভায় তিনি বলেন, আমাদের চারিদিকে ভারত, আর ভারতের সঙ্গে আমাদের যুদ্ধ লাগবে না, তারা আমাদের বন্ধু রাষ্ট্র। চীনের সঙ্গেও যুদ্ধ হবে না। সুতরাং অন্যদেশের সঙ্গে যখন ভারতের যুদ্ধ লাগবে তখন বাংলাদেশকে তাদের রাষ্ট্রের অংশ হিসাবে ব্যবহার করবে।
তিনি বলেন, দক্ষিণ বঙ্গপোসাগর রক্ষার জন্য চীনের কাছ থেকে সাবমেরিন কিনে আমরা কোন অপরাধ করি নাই। আর এ জন্য অন্যদেশকে কেনো জবাব দিতে হবে। আর এর জবাব দেওয়ার জন্যই প্রধানমন্ত্রী ভারত গিয়েছেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ভারত অনেক সম্মান দিয়েছে। ব্যক্তিকে না কি রাষ্ট্র সম্মান দিয়েছেন? তবে ভারত যদি তিস্তা চুক্তি করতো তাহলে বাংলাদেশের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা হতো। ভারত বন্ধুত্বের নামে প্রভুত্ব দেখাচ্ছে। ভারতের নিরাপত্তা চুক্তির ইচ্ছার মধ্যে কূটকৌশল রয়েছে। ভারতের সাথে না কি বাংলাদেশের সম্পর্ক সর্বোচ্চ উচ্চ পর্যায়ে রয়েছে। তাহলে কেনো এতো অবিশ্বাস আর অবিশ্বাস না থাকলে, কেনো এত চুক্তি।