ঢাকা ০৩:৩৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ মে ২০২৪, ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

মাহমুদুর রহমান মান্না জামিনে মুক্ত

জাতীয় ডেস্ক রির্পোটঃ
নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না রবিবার সন্ধ্যায় ঢাকার কেরাণীগঞ্জে কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন।
এর আগে উচ্চ আদালতের জামিন আদেশের কাগজপত্র কেন্দ্রীয় কারাগারে পৌঁছায়। কাগজপত্র যাচাই শেষে সন্ধ্যা ছয়টা ৫০ মিনিটে কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পান আলোচিত এই রাজনৈতিক নেতা। কারাগারের সিনিয়র জেলসুপার জাহাঙ্গীর কবির সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
রাষ্ট্রদ্রোহ ও সেনা বিদ্রোহে উস্কানি দেয়ার অভিযোগে ২০১৫ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি ও ৫ মার্চ গুলশান থানায় দুটি মামলা করে পুলিশ। ওই বছরের ২৫ ফেব্রুয়ারি পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। নিউ ইয়র্কে অবস্থানরত বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সাদেক হোসেন খোকা এবং অন্য এক ব্যক্তির সঙ্গে মান্নার টেলিফোনে ব্যক্তিগত কথপোকথনকে কেন্দ্র করে তার বিরুদ্ধে এ দুটি মামলা করা হয়। একটিতে সেনা বিদ্রোহে উস্কানি এবং অন্যটিতে সরকারের উত্খাতের চেষ্টার জন্য রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ আনা হয়। কিন্তু এখন পর্যন্ত পুলিশ আদালতে দুটি মামলার কোনটিতেই তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেননি। ফলে দীর্ঘদিন ধরে তিনি বিনা বিচারে কারাগারে আটক ছিলেন মান্না।

গত ৩০ আগস্ট রাষ্ট্রদ্রোহ এবং সেনা বিদ্রোহের ষড়যন্ত্র ও উস্কানি দেয়ার অভিযোগের মামলায় গত ১০ নভেম্বর মান্নাকে জামিন দেয় হাইকোর্ট।

ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

মুরাদনগর বাবুটিপাড়া ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতির ইন্তেকাল

মাহমুদুর রহমান মান্না জামিনে মুক্ত

আপডেট সময় ০৩:০৯:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০১৬
জাতীয় ডেস্ক রির্পোটঃ
নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না রবিবার সন্ধ্যায় ঢাকার কেরাণীগঞ্জে কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন।
এর আগে উচ্চ আদালতের জামিন আদেশের কাগজপত্র কেন্দ্রীয় কারাগারে পৌঁছায়। কাগজপত্র যাচাই শেষে সন্ধ্যা ছয়টা ৫০ মিনিটে কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পান আলোচিত এই রাজনৈতিক নেতা। কারাগারের সিনিয়র জেলসুপার জাহাঙ্গীর কবির সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
রাষ্ট্রদ্রোহ ও সেনা বিদ্রোহে উস্কানি দেয়ার অভিযোগে ২০১৫ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি ও ৫ মার্চ গুলশান থানায় দুটি মামলা করে পুলিশ। ওই বছরের ২৫ ফেব্রুয়ারি পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। নিউ ইয়র্কে অবস্থানরত বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সাদেক হোসেন খোকা এবং অন্য এক ব্যক্তির সঙ্গে মান্নার টেলিফোনে ব্যক্তিগত কথপোকথনকে কেন্দ্র করে তার বিরুদ্ধে এ দুটি মামলা করা হয়। একটিতে সেনা বিদ্রোহে উস্কানি এবং অন্যটিতে সরকারের উত্খাতের চেষ্টার জন্য রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ আনা হয়। কিন্তু এখন পর্যন্ত পুলিশ আদালতে দুটি মামলার কোনটিতেই তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেননি। ফলে দীর্ঘদিন ধরে তিনি বিনা বিচারে কারাগারে আটক ছিলেন মান্না।

গত ৩০ আগস্ট রাষ্ট্রদ্রোহ এবং সেনা বিদ্রোহের ষড়যন্ত্র ও উস্কানি দেয়ার অভিযোগের মামলায় গত ১০ নভেম্বর মান্নাকে জামিন দেয় হাইকোর্ট।