ঢাকা ১২:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৪, ৬ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

মিরপুরের ‘জঙ্গি আস্তানায়’ সাতজনের দেহাবশেষ

জাতীয় ডেস্কঃ
রাজধানীর দারুস সালামের বর্ধন বাড়ি ‘জঙ্গি আস্তানা’ থেকে সাতটি পোড়া দেহাবশেষ উদ্ধার করেছে র‌্যাব। আজ বুধবার বিকাল চারটার দিকে ঘটনাস্থলে এক সংবাদ সম্মেলনে র‌্যাবের মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ এ তথ্য জানান। তিনি জানান, লাশের পরিচয় নিশ্চিত হতে ডিএনএ নমুনা পরীক্ষা করা হবে। লাশগুলি এমনভাবে পুড়েছে যে, তা সনাক্ত করার কোনো উপায় নেই।
ধারণা করা হচ্ছে, মৃতদেহগুলি জঙ্গি আবদুল্লা (৪৫), তার দুই স্ত্রী ফাতেমা (৩৪), নাসরিন (৩২), দুই সন্তান ওমর (১০), উসামা (৩) এবং দুই সহযোগীর মৃতদেহও হতে পারে।
প্রেস ব্রিফিংয়ে র‌্যাব মহাপরিচালক বলেন, সেখান থেকে সাতটি পোড়া দেহাবশেষ উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার রাতের আত্মঘাতি বিস্ফোরণের পর ওই বাড়ির পঞ্চমতলার সবকটি কক্ষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কক্ষের ফ্লর ধসে গিয়ে চারতলায় আগুন ছড়িয়ে পড়ে। বিস্ফোরণের পর সেখানকার তাপমাত্রা ৫০ থেকে ৫৫ ডিগ্রি রয়েছে। ফায়ার সার্ভিস পানি দিয়ে ঘটনাস্থল স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছে। এ কারণে সেখানে বেশিক্ষণ তল্লাশি করা সম্ভব হচ্ছেনা।
জঙ্গি আবদুল্লা সম্পর্কে বেনজীর আহমেদ বলেন, ২০০৫ সালে তার সঙ্গে জেএমবির সংশ্লিষ্টতার তথ্য পাওয়া যায়। ২০১৩ সালে নব্য জেএমবিতে আবদুল্লা যুক্ত হয়। সে নব্য জেএমবির সারোয়ার-তামিম গ্রুপের সদস্য ছিলো।
এর আগে আজ সকাল সাড়ে নয়টার দিকে ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট ওই বাড়িতে পানি ছিটিয়ে আগুন সম্পূর্ণভাবে নিভিয়ে ফেলে। সকাল ১০টার দিকে র‌্যাব সেখানে তল্লাশি শুরু করে। এ সময় র‌্যাব বাড়িটি ঘিরে ৫/৬ রাউন্ড ফাঁকা গুলি করে। এরপর সিআইডি ক্রাইমসিন সেখানে প্রবেশ করে বিস্ফোরণের আলামত সংগ্রহ করে।
বেলা ১২টার দিকে র‌্যাবের মিডিয়া শাখার পরিচালক কমান্ডার মুফতি মাহমুদ খান এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ওই বাড়ির একটি কক্ষে তিনি তিনটি পোড়া লাশ দেখতে পেয়েছেন।
ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

মুরাদনগর ভয়াবহ আগুন কয়ক কাটি টাকার ক্ষতি 

মিরপুরের ‘জঙ্গি আস্তানায়’ সাতজনের দেহাবশেষ

আপডেট সময় ১২:৩৩:২২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০১৭
জাতীয় ডেস্কঃ
রাজধানীর দারুস সালামের বর্ধন বাড়ি ‘জঙ্গি আস্তানা’ থেকে সাতটি পোড়া দেহাবশেষ উদ্ধার করেছে র‌্যাব। আজ বুধবার বিকাল চারটার দিকে ঘটনাস্থলে এক সংবাদ সম্মেলনে র‌্যাবের মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ এ তথ্য জানান। তিনি জানান, লাশের পরিচয় নিশ্চিত হতে ডিএনএ নমুনা পরীক্ষা করা হবে। লাশগুলি এমনভাবে পুড়েছে যে, তা সনাক্ত করার কোনো উপায় নেই।
ধারণা করা হচ্ছে, মৃতদেহগুলি জঙ্গি আবদুল্লা (৪৫), তার দুই স্ত্রী ফাতেমা (৩৪), নাসরিন (৩২), দুই সন্তান ওমর (১০), উসামা (৩) এবং দুই সহযোগীর মৃতদেহও হতে পারে।
প্রেস ব্রিফিংয়ে র‌্যাব মহাপরিচালক বলেন, সেখান থেকে সাতটি পোড়া দেহাবশেষ উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার রাতের আত্মঘাতি বিস্ফোরণের পর ওই বাড়ির পঞ্চমতলার সবকটি কক্ষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কক্ষের ফ্লর ধসে গিয়ে চারতলায় আগুন ছড়িয়ে পড়ে। বিস্ফোরণের পর সেখানকার তাপমাত্রা ৫০ থেকে ৫৫ ডিগ্রি রয়েছে। ফায়ার সার্ভিস পানি দিয়ে ঘটনাস্থল স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছে। এ কারণে সেখানে বেশিক্ষণ তল্লাশি করা সম্ভব হচ্ছেনা।
জঙ্গি আবদুল্লা সম্পর্কে বেনজীর আহমেদ বলেন, ২০০৫ সালে তার সঙ্গে জেএমবির সংশ্লিষ্টতার তথ্য পাওয়া যায়। ২০১৩ সালে নব্য জেএমবিতে আবদুল্লা যুক্ত হয়। সে নব্য জেএমবির সারোয়ার-তামিম গ্রুপের সদস্য ছিলো।
এর আগে আজ সকাল সাড়ে নয়টার দিকে ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট ওই বাড়িতে পানি ছিটিয়ে আগুন সম্পূর্ণভাবে নিভিয়ে ফেলে। সকাল ১০টার দিকে র‌্যাব সেখানে তল্লাশি শুরু করে। এ সময় র‌্যাব বাড়িটি ঘিরে ৫/৬ রাউন্ড ফাঁকা গুলি করে। এরপর সিআইডি ক্রাইমসিন সেখানে প্রবেশ করে বিস্ফোরণের আলামত সংগ্রহ করে।
বেলা ১২টার দিকে র‌্যাবের মিডিয়া শাখার পরিচালক কমান্ডার মুফতি মাহমুদ খান এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ওই বাড়ির একটি কক্ষে তিনি তিনটি পোড়া লাশ দেখতে পেয়েছেন।