ঢাকা ০২:৪২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

মুরাদনগর হায়দরাবাদ গ্রামে পুলিশ আতঙ্কে পুরুষ শূন্য

মুরাদনগর বার্তা ডেস্কঃ

কুমিল­ার মুরাদনগরে জালটাকাসহ চার পুলিশ সদস্যকে হাতে নাতে আটকের ঘটনায় অবশেষে মামলার আতঙ্কে অনেকটাই পুরুষ শূন্য হয়ে পড়েছে উপজেলার হয়দরাবাদ গ্রাম। এরই মধ্যে পুলিশের বিরুদ্ধে অর্থ বান্যিজেরও অভিযোগ উঠছে।

পুলিশের ভয়ে ঘনার পরদিন মঙ্গলবার সকাল থেকেই হায়দরাবাদের বাদামতলী বাজারে কোনো দোকান পাট খোলেছেনা ব্যবসায়ীরা। এতে করে বিপাকে পড়েছেন কেনাকাটা করতে আসা এলাকার জনসাধারণ।

স্থানীয়রা জানান, গত সোমবার সকালে  দু’লাখ টাকার জাল নোটসহ চার পুলিশ সদস্যকে আটকের ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিক্ষুব্ধ হাজারো জনতার ওপর পুলিশ নির্বিচারে গুলি চালালে ওই এলাকায় রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।

ওই ঘটনায় এলাকাবাসীকে আসামি করে উল্টো পুলিশই মামলা দায়ের করে। হায়দরাবাদ গ্রামের ২২জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরো একশ ২ শ’ জনকে আসামি করে সোমবার রাতে পৃথক দু’টি মামলা দায়ের করে বাঙ্গরা বাজার থানা পুলিশ।

এতে স্থানীয় বাজার ব্যবসায়ী ও হায়দরাবাদ গ্রামের লোকজনের মাঝে পুলিশের গ্রেফতারের ভয়ে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মো: ওমর ফারুক সরকার জানান, পুলিশি আতঙ্কে এলাকা পুরুষ শূন্য হয়ে পড়েছে। নারী ও শিশুরাও আতঙ্কে আছে।

স্থানীয় লোকজন মনে করে, জালটাকার বিষয়টি সঠিক তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হউক।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক সূত্র জানায়, মনির হোসেন পুলিশে একজন তালিকাভুক্ত আসামি। তার সাথে বাঙ্গরা বাজার থানার কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তার গোপন যোগাযোগ রয়েছে। সোমবারের ঘটনায় মনিরের হাত রয়েছে বলে স্থানীয় লোকজন জানায়।

বাঙ্গরা বাজার থানার ওসি মো: মোয়াজ্জেম হোসেন জানান, সোমবারের হায়দরাবাদের ঘটনায় জাল টাকা উদ্বার ও পুলিশ এসল্টে পৃথক দু’টি মামলা হয়েছে ও সপ্নাকে জালটাকাসহ গ্রেফতার করে তার বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা করা হয়েছে।

ট্যাগস

মুরাদনগর হায়দরাবাদ গ্রামে পুলিশ আতঙ্কে পুরুষ শূন্য

আপডেট সময় ০৩:৪২:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ অগাস্ট ২০১৬
মুরাদনগর বার্তা ডেস্কঃ

কুমিল­ার মুরাদনগরে জালটাকাসহ চার পুলিশ সদস্যকে হাতে নাতে আটকের ঘটনায় অবশেষে মামলার আতঙ্কে অনেকটাই পুরুষ শূন্য হয়ে পড়েছে উপজেলার হয়দরাবাদ গ্রাম। এরই মধ্যে পুলিশের বিরুদ্ধে অর্থ বান্যিজেরও অভিযোগ উঠছে।

পুলিশের ভয়ে ঘনার পরদিন মঙ্গলবার সকাল থেকেই হায়দরাবাদের বাদামতলী বাজারে কোনো দোকান পাট খোলেছেনা ব্যবসায়ীরা। এতে করে বিপাকে পড়েছেন কেনাকাটা করতে আসা এলাকার জনসাধারণ।

স্থানীয়রা জানান, গত সোমবার সকালে  দু’লাখ টাকার জাল নোটসহ চার পুলিশ সদস্যকে আটকের ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিক্ষুব্ধ হাজারো জনতার ওপর পুলিশ নির্বিচারে গুলি চালালে ওই এলাকায় রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।

ওই ঘটনায় এলাকাবাসীকে আসামি করে উল্টো পুলিশই মামলা দায়ের করে। হায়দরাবাদ গ্রামের ২২জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরো একশ ২ শ’ জনকে আসামি করে সোমবার রাতে পৃথক দু’টি মামলা দায়ের করে বাঙ্গরা বাজার থানা পুলিশ।

এতে স্থানীয় বাজার ব্যবসায়ী ও হায়দরাবাদ গ্রামের লোকজনের মাঝে পুলিশের গ্রেফতারের ভয়ে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মো: ওমর ফারুক সরকার জানান, পুলিশি আতঙ্কে এলাকা পুরুষ শূন্য হয়ে পড়েছে। নারী ও শিশুরাও আতঙ্কে আছে।

স্থানীয় লোকজন মনে করে, জালটাকার বিষয়টি সঠিক তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হউক।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক সূত্র জানায়, মনির হোসেন পুলিশে একজন তালিকাভুক্ত আসামি। তার সাথে বাঙ্গরা বাজার থানার কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তার গোপন যোগাযোগ রয়েছে। সোমবারের ঘটনায় মনিরের হাত রয়েছে বলে স্থানীয় লোকজন জানায়।

বাঙ্গরা বাজার থানার ওসি মো: মোয়াজ্জেম হোসেন জানান, সোমবারের হায়দরাবাদের ঘটনায় জাল টাকা উদ্বার ও পুলিশ এসল্টে পৃথক দু’টি মামলা হয়েছে ও সপ্নাকে জালটাকাসহ গ্রেফতার করে তার বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা করা হয়েছে।