ঢাকা ১০:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুলাই ২০২৪, ৩১ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

মুরাদনগরে অবৈধ ভূমি দখলদারের আতংক এসিল্যান্ড কমল

মো: সুমন সরকার, বিশেষ প্রতিনিধি:

কুমিল্লার মুরাদনগরে অবৈধ দখলদারের এক আতংকের নাম সহকারি কমিশনার (ভূমি) সাইফুল ইসলাম কমল। এ উপজেলায় যোগদান করেই পাল্টে দিয়েছেন ভূমি অফিসের সেবার চিত্র।

সরকারি বেদখল হয়ে যাওয়া খাল এবং দখলকৃত সরকারি খাস খতিয়ান ভূক্ত কোটি কোটি টাকা মূল্যের ভূমি উদ্ধার করে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছেন তিনি।

এছাড়া প্রতিনিয়ত ড্রেজারের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে এ উপজেলার সর্বস্তরের মানুষের মনে আস্থা অর্জন করেছেন। এদিকে মুরাদনগরে একাধিক এসিল্যান্ড দায়িত্ব পালনকালে দালাল সিন্ডিকেট কর্তৃক সেবা প্রত্যাশীদের হয়রানীর বিষয়টি তিনি আমলে নিয়ে উপজেলা ভূমি অফিসকে দালালমুক্ত এবং জনহয়রানী বন্ধের পদক্ষেপ গ্রহন করেন।

জানা যায়, এ বছরের ৩ এপ্রিল উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) হিসেবে যোগদান করেন সাইফুল ইসলাম কমল। যোগদানের পর থেকেই তিনি উপজেলার বিতর্কিত ভূমি সেক্টরে শৃংখলায় ফিরিয়ে আনতে নানামুখী উদ্যোগ গ্রহন করেন।

এ লক্ষ্যে তিনি উপজেলার সকল উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তাদেরকে নিয়ে দফায় দফায় বৈঠক করেন। দালাল এবং হয়রানীমুক্ত সেবা প্রদান ও সরকারী খাল,বিল, জলাশয়, জমি দখলমুক্ত করার লক্ষ্যে বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহন করেন।

তাছাড়া অনলাইনে শতভাগ ই-নামজারি আবেদন নিশ্চিত করেন। সম্প্রতি উপজেলা সদর বাজারে ৪শতাংশ, ধনিরামপুর বাজারে ১১শতাংশ, হারপাকনা এলাকায় ৫শতাংশ, মেটংঘর বাজারে ২০শতাংশ, শ্রীকাইলে ৮শতাংশ সরকারি খাস খতিয়ানভূক্ত যায়গা দখলমুক্ত করেন। তাছাড়া জাড্ডা, দইআড়া, বাঙ্গরা, চাপিতলা, দারোরা বাজারে সরকারি জায়গায় নির্মান করা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেন।

বিশেষ করে বাঙ্গরা বাজার থানা এলাকায় একাধিক প্রভাবশালীর অবৈধ স্থ্পনা উচ্ছেদ করে সরকারী জায়গা উদ্ধারের পর এসিল্যান্ডের প্রতি সচেতন মহলের ব্যপক আস্থার সৃষ্টি হয়।

এ বিষয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাইফুল ইসলাম কমল বলেন, ভূমি অফিসে সেবা প্রত্যাশীরা যেন কোন হয়রানির শিকার না হয় এজন্য নানা পদক্ষেপ নিয়েছি। উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে ড্রেজার এবং অবৈধ দখলদারের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নিয়ে কাজ করছি। আমি শতভাগ নিশ্চিত আমার অফিস দালাল মুক্ত।

তাছাড়া এখনো যারা সরকারি জায়গা দখল করে আছে তাদেরকে ছার দেওয়া হবে না। আমরা ইতিমধ্যে সরকারের মূল্যবান জমি এবং অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছি। আর যারা সরকারি যায়গা দখল করার পায়তারা করছেন তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

মুরাদনগরে হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামী গ্রেফতার

মুরাদনগরে অবৈধ ভূমি দখলদারের আতংক এসিল্যান্ড কমল

আপডেট সময় ০১:৩৯:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ নভেম্বর ২০১৯

মো: সুমন সরকার, বিশেষ প্রতিনিধি:

কুমিল্লার মুরাদনগরে অবৈধ দখলদারের এক আতংকের নাম সহকারি কমিশনার (ভূমি) সাইফুল ইসলাম কমল। এ উপজেলায় যোগদান করেই পাল্টে দিয়েছেন ভূমি অফিসের সেবার চিত্র।

সরকারি বেদখল হয়ে যাওয়া খাল এবং দখলকৃত সরকারি খাস খতিয়ান ভূক্ত কোটি কোটি টাকা মূল্যের ভূমি উদ্ধার করে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছেন তিনি।

এছাড়া প্রতিনিয়ত ড্রেজারের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে এ উপজেলার সর্বস্তরের মানুষের মনে আস্থা অর্জন করেছেন। এদিকে মুরাদনগরে একাধিক এসিল্যান্ড দায়িত্ব পালনকালে দালাল সিন্ডিকেট কর্তৃক সেবা প্রত্যাশীদের হয়রানীর বিষয়টি তিনি আমলে নিয়ে উপজেলা ভূমি অফিসকে দালালমুক্ত এবং জনহয়রানী বন্ধের পদক্ষেপ গ্রহন করেন।

জানা যায়, এ বছরের ৩ এপ্রিল উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) হিসেবে যোগদান করেন সাইফুল ইসলাম কমল। যোগদানের পর থেকেই তিনি উপজেলার বিতর্কিত ভূমি সেক্টরে শৃংখলায় ফিরিয়ে আনতে নানামুখী উদ্যোগ গ্রহন করেন।

এ লক্ষ্যে তিনি উপজেলার সকল উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তাদেরকে নিয়ে দফায় দফায় বৈঠক করেন। দালাল এবং হয়রানীমুক্ত সেবা প্রদান ও সরকারী খাল,বিল, জলাশয়, জমি দখলমুক্ত করার লক্ষ্যে বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহন করেন।

তাছাড়া অনলাইনে শতভাগ ই-নামজারি আবেদন নিশ্চিত করেন। সম্প্রতি উপজেলা সদর বাজারে ৪শতাংশ, ধনিরামপুর বাজারে ১১শতাংশ, হারপাকনা এলাকায় ৫শতাংশ, মেটংঘর বাজারে ২০শতাংশ, শ্রীকাইলে ৮শতাংশ সরকারি খাস খতিয়ানভূক্ত যায়গা দখলমুক্ত করেন। তাছাড়া জাড্ডা, দইআড়া, বাঙ্গরা, চাপিতলা, দারোরা বাজারে সরকারি জায়গায় নির্মান করা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেন।

বিশেষ করে বাঙ্গরা বাজার থানা এলাকায় একাধিক প্রভাবশালীর অবৈধ স্থ্পনা উচ্ছেদ করে সরকারী জায়গা উদ্ধারের পর এসিল্যান্ডের প্রতি সচেতন মহলের ব্যপক আস্থার সৃষ্টি হয়।

এ বিষয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাইফুল ইসলাম কমল বলেন, ভূমি অফিসে সেবা প্রত্যাশীরা যেন কোন হয়রানির শিকার না হয় এজন্য নানা পদক্ষেপ নিয়েছি। উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে ড্রেজার এবং অবৈধ দখলদারের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নিয়ে কাজ করছি। আমি শতভাগ নিশ্চিত আমার অফিস দালাল মুক্ত।

তাছাড়া এখনো যারা সরকারি জায়গা দখল করে আছে তাদেরকে ছার দেওয়া হবে না। আমরা ইতিমধ্যে সরকারের মূল্যবান জমি এবং অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছি। আর যারা সরকারি যায়গা দখল করার পায়তারা করছেন তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।