ঢাকা ০২:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ জুন ২০২৪, ৯ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

মুরাদনগরে কৃষকদের থেকে ধান সংগ্রহ শুরু

মোঃ নাজিম উদ্দিন, বিশেষ প্রতিনিধিঃ

‘‘সরকারি গুদামে কৃষকের ধান, বাঁচবে কৃষক বাঁচবে প্রাণ’’ এই পতিপাদ্যকে সামনে রেখে অভ্যন্তরীন বোরো সংগ্রহ উপলক্ষে কুমিল্লায় নিবন্ধিত কৃষকদের কাছ থেকে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৩২টাকা কেজি দরে প্রতি মন ধান ১২৮০টাকায় ক্রয় শুরু করেছেন মুরাদনগর উপজেলা প্রশাসন ও খাদ্য বিভাগ।

আজ দুপুরে মুরাদনগর খাদ্য গুদামে বোরো ধান সংগ্রহ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সিফাত উদ্দিন।

খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সৈকত সেন গুপ্তের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা পাভেল খান পাপ্পু, সোনালী ব্যাংক মুরাদনগর শাখা ব্যবস্থাপক সফুর উদ্দিন ভূইয়া, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আবদুল হাই খান, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোহাম্মদ সেলিম মিঞা, নবীপুর পশ্চিম ইউপি চেয়ারম্যান জাকির হোসেন ভিপি, কৃষক সিরাজুল ইসলাম।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা প্রকৌশলী রায়হান আলম চৌধুরী, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা আবদুল আউয়াল, ফায়ার সার্ভিসের পরিদর্শক আমজাদ হোসেন, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা নাসির উদ্দিনসহ ধান বিক্রি করতে আসা কৃষকরা।

খাদ্য পরিদর্শক ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সৈকত সেন গুপ্ত জানান, কৃষকের অ্যাপসে নিবন্ধিত কৃষকদের থেকে লটারীর মাধ্যমে বিজয়ী প্রতিজন কৃষক থেকে ৩মেট্রিক টন করে প্রতি কেজি ৩২টাকা দরে ধান ক্রয় করা হবে। আমাদের এবছর ধান ক্রয়ের লক্ষ্যমাত্র ১হাজার ৭৬ মেট্রিকটন।

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মুরাদনগরে কৃষকদের থেকে ধান সংগ্রহ শুরু

আপডেট সময় ০৪:২৭:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ মে ২০২৪

মোঃ নাজিম উদ্দিন, বিশেষ প্রতিনিধিঃ

‘‘সরকারি গুদামে কৃষকের ধান, বাঁচবে কৃষক বাঁচবে প্রাণ’’ এই পতিপাদ্যকে সামনে রেখে অভ্যন্তরীন বোরো সংগ্রহ উপলক্ষে কুমিল্লায় নিবন্ধিত কৃষকদের কাছ থেকে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৩২টাকা কেজি দরে প্রতি মন ধান ১২৮০টাকায় ক্রয় শুরু করেছেন মুরাদনগর উপজেলা প্রশাসন ও খাদ্য বিভাগ।

আজ দুপুরে মুরাদনগর খাদ্য গুদামে বোরো ধান সংগ্রহ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সিফাত উদ্দিন।

খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সৈকত সেন গুপ্তের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা পাভেল খান পাপ্পু, সোনালী ব্যাংক মুরাদনগর শাখা ব্যবস্থাপক সফুর উদ্দিন ভূইয়া, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আবদুল হাই খান, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোহাম্মদ সেলিম মিঞা, নবীপুর পশ্চিম ইউপি চেয়ারম্যান জাকির হোসেন ভিপি, কৃষক সিরাজুল ইসলাম।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা প্রকৌশলী রায়হান আলম চৌধুরী, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা আবদুল আউয়াল, ফায়ার সার্ভিসের পরিদর্শক আমজাদ হোসেন, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা নাসির উদ্দিনসহ ধান বিক্রি করতে আসা কৃষকরা।

খাদ্য পরিদর্শক ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সৈকত সেন গুপ্ত জানান, কৃষকের অ্যাপসে নিবন্ধিত কৃষকদের থেকে লটারীর মাধ্যমে বিজয়ী প্রতিজন কৃষক থেকে ৩মেট্রিক টন করে প্রতি কেজি ৩২টাকা দরে ধান ক্রয় করা হবে। আমাদের এবছর ধান ক্রয়ের লক্ষ্যমাত্র ১হাজার ৭৬ মেট্রিকটন।