ঢাকা ০৭:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ মে ২০২৪, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

মুরাদনগরে টয়লেটে ব্যালট পেপার

মুরাদনগর বার্তা ডেস্কঃ
কুমিল্লা: ছিনতাইয়ের ভয়ে কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার বাবুটিপাড়া ইউনিয়নের নরসিংহপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ব্যালট পেপার ও ভোটের অন্যান্য সরঞ্জাম টয়লেটে রাখা হয়েছে। ওই কেন্দ্রে এটিই সবচেয়ে নিরাপদ জায়গা বলে মনে হয়েছে।

শনিবার সকালে ওই কেন্দ্রে গিয়ে এমন দৃশ্য দেখা যায়।

কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা আনসার, পুলিশ, প্রিসাইডিং কর্মকর্তাসহ ২৫ জন জানান, জায়গা না থাকায় তাঁরা স্কুলের খোলা মাঠে রাত কাটিয়েছেন।

প্রিসাইডিং কর্মকর্তা বিপ্লব কান্তি দে বলেন, এই কেন্দ্র খুঁজে বের করতে তাঁদের অনেক ঝামেলা হয়েছে। এসে দেখেন, টিনের একটি স্কুলঘর। থাকার জায়গা নেই। ১৭ জন আনসার, পাঁচজন পুলিশ, তিনজন নির্বাচনী কর্মকর্তাসহ ২৫ জন গতকাল শুক্রবার সারা রাত মাঠে কাটিয়েছেন।

বিপ্লব কান্তি দে আরও বলেন, এ রকম একটি জায়গাকে কেন কেন্দ্র হিসেবে নির্বাচিত করা হলো, তা তাঁরা বুঝতে পারছেন না। ছিনতাই হওয়ার ভয়ে তাঁরা ব্যালট পেপার ও নির্বাচনী সরঞ্জাম টয়লেটে রেখেছেন। কারণ, এটিই সবচেয়ে সুরক্ষিত জায়গা।

এ রকম কেন্দ্র নির্বাচন করায় ভোটাররাও ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানান।

স্থানীয় লোকজন জানান, বিদ্যালয়টি আগে বেসরকারি ছিল। এ কারণে এটির এই দৈন্যদশা। সম্প্রতি এই বিদ্যালয় সরকারি করা হয়েছে।

এই কেন্দ্রে তিন মুন্সী নির্বাচন করছেন। তাঁরা হলেন, আওয়ামী লীগের প্রার্থী জাকির হোসেন মুন্সী, বিএনপির প্রার্থী সালাহউদ্দিন মুন্সী ও স্বতন্ত্র প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম মুন্সী।

বিএনপির প্রার্থীর সমর্থক শাহ আলমের অভিযোগ, এই কেন্দ্রে আওয়ামী লীগের লোকজন প্রকাশ্যে ব্যালটে সিল মারছে।

এ ব্যাপারে প্রিসাইডিং কর্মকর্তা বলেন, সকাল সাড়ে নয়টার দিকে কেন্দ্রে অনেক ভিড় ছিল। তখন কিছুটা ঝামেলা হয়। এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক।

ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

মুরাদনগরে টয়লেটে ব্যালট পেপার

আপডেট সময় ১১:১৬:৪১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ জুন ২০১৬
মুরাদনগর বার্তা ডেস্কঃ
কুমিল্লা: ছিনতাইয়ের ভয়ে কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার বাবুটিপাড়া ইউনিয়নের নরসিংহপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ব্যালট পেপার ও ভোটের অন্যান্য সরঞ্জাম টয়লেটে রাখা হয়েছে। ওই কেন্দ্রে এটিই সবচেয়ে নিরাপদ জায়গা বলে মনে হয়েছে।

শনিবার সকালে ওই কেন্দ্রে গিয়ে এমন দৃশ্য দেখা যায়।

কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা আনসার, পুলিশ, প্রিসাইডিং কর্মকর্তাসহ ২৫ জন জানান, জায়গা না থাকায় তাঁরা স্কুলের খোলা মাঠে রাত কাটিয়েছেন।

প্রিসাইডিং কর্মকর্তা বিপ্লব কান্তি দে বলেন, এই কেন্দ্র খুঁজে বের করতে তাঁদের অনেক ঝামেলা হয়েছে। এসে দেখেন, টিনের একটি স্কুলঘর। থাকার জায়গা নেই। ১৭ জন আনসার, পাঁচজন পুলিশ, তিনজন নির্বাচনী কর্মকর্তাসহ ২৫ জন গতকাল শুক্রবার সারা রাত মাঠে কাটিয়েছেন।

বিপ্লব কান্তি দে আরও বলেন, এ রকম একটি জায়গাকে কেন কেন্দ্র হিসেবে নির্বাচিত করা হলো, তা তাঁরা বুঝতে পারছেন না। ছিনতাই হওয়ার ভয়ে তাঁরা ব্যালট পেপার ও নির্বাচনী সরঞ্জাম টয়লেটে রেখেছেন। কারণ, এটিই সবচেয়ে সুরক্ষিত জায়গা।

এ রকম কেন্দ্র নির্বাচন করায় ভোটাররাও ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানান।

স্থানীয় লোকজন জানান, বিদ্যালয়টি আগে বেসরকারি ছিল। এ কারণে এটির এই দৈন্যদশা। সম্প্রতি এই বিদ্যালয় সরকারি করা হয়েছে।

এই কেন্দ্রে তিন মুন্সী নির্বাচন করছেন। তাঁরা হলেন, আওয়ামী লীগের প্রার্থী জাকির হোসেন মুন্সী, বিএনপির প্রার্থী সালাহউদ্দিন মুন্সী ও স্বতন্ত্র প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম মুন্সী।

বিএনপির প্রার্থীর সমর্থক শাহ আলমের অভিযোগ, এই কেন্দ্রে আওয়ামী লীগের লোকজন প্রকাশ্যে ব্যালটে সিল মারছে।

এ ব্যাপারে প্রিসাইডিং কর্মকর্তা বলেন, সকাল সাড়ে নয়টার দিকে কেন্দ্রে অনেক ভিড় ছিল। তখন কিছুটা ঝামেলা হয়। এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক।