ঢাকা ০৭:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ জুন ২০২৪, ৯ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

মুরাদনগরে নন ক্যাডার ও ফাংশনাল সার্ভিসের প্রতিবাদ সমাবেশ

Muradnagar-5-11-15

মো: আরিফুল ইসলাম, স্টাফ রির্পোটার, মুরাদনগরঃ

রোজ বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০১৫ ইং (মুরাদনগর বার্তা ডটকম):

উপজেলা পরিষদে হস্তান্তরিত ১৬টি দফতরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন ভাতা উত্তোলন, সিলেকশন গ্রেড ও টাইমস্কেল বাতিল বিষয়ে অনাকাঙ্খিত, অযৌক্তিক সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে সারাদেশের মতো বৃহস্পতিবার বিকেলে প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে মুরাদনগর উপজেলা প্রকৃচি-বিসিএস (২৬ ক্যাডার) এবং নন ক্যাডার ও ফাংশনাল সার্ভিসের কর্মকর্তা-কর্মচারিরা।

উপজেলা প্রকৃচি-বিসিএস (২৬ ক্যাডার) এবং নন ক্যাডার ও ফাংশনাল সার্ভিস কমিটির সভাপতি ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শহীদুল হকের সভাপতিত্বে উপজেলার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডাক্তার আব্দুর রহিম, উপজেলা প্রকৌশলী মুহাম্মদ আবুল মুনসুর মিয়া, পরিবার-পরিকল্পনা কর্মকর্তা জহিরুল ইসলাম ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা কেবিএম জাকির হোসেন প্রমুখ।

বক্তারা উপজেলা পরিষদে হস্তান্তরিত ১৬টি দফতরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন ভাতাসহ যে কোন অর্থ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার যৌথ স্বাক্ষরে আয়ন-ব্যয়ন কার্যক্রমের বিষয়টি অনাকাঙ্খিত, অযৌক্তিক, অনভিপ্রেত এবং উপজেলা পরিষদ আইন-১৯৯৮ এর সাথে সাংঘর্ষিক বলে মন্তব্য করেন। কারণ জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধি হিসেবে উপজেলা চেয়ারম্যানকে ক্ষমতায়ন ও সকল ক্যাডারদের জবাবদিহিতার বিষয় নিশ্চিতকরণ জরুরী। কিন্তুু হস্তান্তরিত ১৬টি বিভাগের মধ্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দফতর অন্তর্ভূক্ত থাকা সত্বেও একটি হস্তান্তরিত বিভাগের কর্মকর্তা অন্য ১৬টি হস্তান্তরিত বিভাগের আয়ন-ব্যয়ন এর দায়িত্ব পালন নিশ্চিয়ই উপজেলা পরিষদ আইন-১৯৯৮ কে সাপোর্ট করে না। তাই গত ৩১ আগষ্ট মন্ত্রী পরিষদের বৈঠকে স্থানীয় সরকার বিভাগের অনুমোদনকৃত অযৌক্তিক, সিদ্ধান্তটি অনতিবিলম্বে বাতিল করার জন্য বক্তারা সরকারের নিকট জোর দাবি জানানো হয়। এতে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা এএনএম মাহবুব আলম, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মমিনুল হক, মৎস্য সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মোজাম্মেল হক ও ইনস্ট্রাক্টর দেলোয়ার হোসেনসহ উপজেলা প্রকৃচি-বিসিএস (২৬ ক্যাডার) এবং নন ক্যাডার ও ফাংশনাল সার্ভিস সমন্বয় কমিটির নেতৃবৃন্দ ছাড়াও ১৬টি দফতরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

মুরাদনগরে নন ক্যাডার ও ফাংশনাল সার্ভিসের প্রতিবাদ সমাবেশ

আপডেট সময় ০৩:০২:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০১৫

Muradnagar-5-11-15

মো: আরিফুল ইসলাম, স্টাফ রির্পোটার, মুরাদনগরঃ

রোজ বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০১৫ ইং (মুরাদনগর বার্তা ডটকম):

উপজেলা পরিষদে হস্তান্তরিত ১৬টি দফতরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন ভাতা উত্তোলন, সিলেকশন গ্রেড ও টাইমস্কেল বাতিল বিষয়ে অনাকাঙ্খিত, অযৌক্তিক সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে সারাদেশের মতো বৃহস্পতিবার বিকেলে প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে মুরাদনগর উপজেলা প্রকৃচি-বিসিএস (২৬ ক্যাডার) এবং নন ক্যাডার ও ফাংশনাল সার্ভিসের কর্মকর্তা-কর্মচারিরা।

উপজেলা প্রকৃচি-বিসিএস (২৬ ক্যাডার) এবং নন ক্যাডার ও ফাংশনাল সার্ভিস কমিটির সভাপতি ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শহীদুল হকের সভাপতিত্বে উপজেলার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডাক্তার আব্দুর রহিম, উপজেলা প্রকৌশলী মুহাম্মদ আবুল মুনসুর মিয়া, পরিবার-পরিকল্পনা কর্মকর্তা জহিরুল ইসলাম ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা কেবিএম জাকির হোসেন প্রমুখ।

বক্তারা উপজেলা পরিষদে হস্তান্তরিত ১৬টি দফতরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন ভাতাসহ যে কোন অর্থ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার যৌথ স্বাক্ষরে আয়ন-ব্যয়ন কার্যক্রমের বিষয়টি অনাকাঙ্খিত, অযৌক্তিক, অনভিপ্রেত এবং উপজেলা পরিষদ আইন-১৯৯৮ এর সাথে সাংঘর্ষিক বলে মন্তব্য করেন। কারণ জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধি হিসেবে উপজেলা চেয়ারম্যানকে ক্ষমতায়ন ও সকল ক্যাডারদের জবাবদিহিতার বিষয় নিশ্চিতকরণ জরুরী। কিন্তুু হস্তান্তরিত ১৬টি বিভাগের মধ্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দফতর অন্তর্ভূক্ত থাকা সত্বেও একটি হস্তান্তরিত বিভাগের কর্মকর্তা অন্য ১৬টি হস্তান্তরিত বিভাগের আয়ন-ব্যয়ন এর দায়িত্ব পালন নিশ্চিয়ই উপজেলা পরিষদ আইন-১৯৯৮ কে সাপোর্ট করে না। তাই গত ৩১ আগষ্ট মন্ত্রী পরিষদের বৈঠকে স্থানীয় সরকার বিভাগের অনুমোদনকৃত অযৌক্তিক, সিদ্ধান্তটি অনতিবিলম্বে বাতিল করার জন্য বক্তারা সরকারের নিকট জোর দাবি জানানো হয়। এতে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা এএনএম মাহবুব আলম, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মমিনুল হক, মৎস্য সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মোজাম্মেল হক ও ইনস্ট্রাক্টর দেলোয়ার হোসেনসহ উপজেলা প্রকৃচি-বিসিএস (২৬ ক্যাডার) এবং নন ক্যাডার ও ফাংশনাল সার্ভিস সমন্বয় কমিটির নেতৃবৃন্দ ছাড়াও ১৬টি দফতরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।