ঢাকা ১২:৩৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ জুন ২০২৪, ৮ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

মুরাদনগরে ফসলি জমি দখল করে মাছ চাষের অভিযোগ

মুরাদনগর বার্তা ডেস্কঃ

কুমিল্লা মুরাদনগর উপজেলার পাহাড়পুর ইউনিয়নের ভিটি পাচঁপুকুরিয়া গ্রামে প্রায় ১০ বিঘা ফসলি জমি দখল করে দীর্ঘ ১৬ বছর যাবৎ মাছ চাষ করে আসছে এক প্রভাবশালী চক্র। স্থানীয় কৃষক ও জমির মালিকেরা বেশ কযেকবার প্রশাসনকে জানালেও অজ্ঞাত কারনে কোন প্রতিকার না পেয়ে গত ১৮ এপ্রিল কৃষি মন্ত্রনালয়, কুমিল্লা জেলা প্রশাসক, স্থানীয় সংসদ সদস্য, পুলিশ সুপার, জেলা কৃষি কর্মকর্তা, জেলা মৎস্য কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ঠ বিভিন্ন দপ্তরে দকল কারি চক্রের বিভিন্ন অপকর্মের চিত্র তুলে অভিযোগ করেন ভূক্তভোগী প্রায় তিন শত কৃষক।

অভিযোগ সূত্রে ও অনুসন্ধানে জানা যায়, উপজেলার ভিটি পাচঁপুকুরিয়া গ্রামে প্রায় ১৬ বছর পূর্বে জোরপূর্বক ফসলি জমি দখল ও বিভিন্ন ভাবে কৃষকদের লোভ দেখিয়ে ১০ বছরের জন্য ইজারা নিয়ে ১০ বিঘা জমিতে বহুমখী মৎস্য চাষ প্রকল্প নামে একটি মৎস্য খামার স্থাপন করে একটি প্রভাবশালী চক্র। কৃষকরা ন্যার্য্য দাবি পাওয়া থেকে বঞ্চিত হওয়া ও কিছু বহিরাগতদেও কারনে কৃষকদের ন্যায় কথা বলার সাহস পাচ্ছেনা। প্রকল্পটি শুরু হওয়ার পর থেকে নানা ধরনের বেআইনী কাজ ও আশান্তি শুরু হয় স্থানীয়দের মাঝে। গত ২০১২ সালে ইজারার মেযাদ শেষ হলেও জোরপূর্বক দখল করে মাছ চাষ চালিয়ে যাচ্ছে চক্রটি। এবং এ প্রকল্পটি কেন্দ্র করে স্থানীয় ইউপি সদস্য নিখিল বাবু, প্রকল্পের পরিচালক মোস্তাক হত্যাসহ মজলিশ মিয়া নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়। প্রকল্পের অর্থ বিভিন্ন অনিয়মের মাধ্যমে আতৎসাধ, কৃষকদের ধান চাষে বাধা, মাছ চাষের কারনে আশে পাশের সড়ক, বাড়ি-ঘর বছরের পর বছর ক্ষতি গ্রস্থ হলেও কোন প্রকার ক্ষতিপূরন না দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া য়ায়।

এ বিষয়ে মাৎস চাষ প্রকল্পের পক্ষ্যে মূল অভিযোগ কারি খোরশেদ আলম জানান, আমাদেরকে ঠকিয়ে জমি জোর করে দখল করে এ মৎস্য প্রকল্পটি স্থাপন করা হয়। আমাদের ঠিক সময়ে কৃষি কাজ করতে দেওয়ার কথা থাকলেও তা করতে দেয় একদল বহিরাগরা। আমারা যেন আমাদের জমি ফেরত পেয়ে আবার সেই জমিতে আবাধ করতে পারি। আমাদের ন্যায় দাবির বিষয়টি প্রশাসন সু-দৃস্টি কামনা করছি।

পাচঁপুকুরিয়া বহুমুখী মৎস্য চাষ প্রকল্পের সভাপতি আব্দুর রহমান সুধনের ব্যবহিত (০১৮১৮৮৯৫৯৬৩) মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করের যোগাযোগ সম্ভব হয়নি।

এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আল মামুন রাসেল বলেন, এব্যাপারে আমি অবহিত নই। লিখিত ভাবে অভিযোগ পেলে বিধি অনুযায়ি আমাদের যা করনিয় সেরকম সকল সহযোগিতা ও ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে।

এ বিষয়ে সিনিয়র মুরাদনগর উপজেলা ভারপ্রাপ্ত মৎস্য কর্মকর্তা মিজানুর রহমান    জানান, এ বিষয়ে একটি অভিযোগ আমরা পেয়েছি। উভয় পক্ষকে আমরা ঠেকেছি যারা অভিযোগ করেছে তাদের সাথে কথা হয়েছে কিন্তু আভিযোক্তদের সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তদন্ত করে  প্রয়োজনিয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিতু মরিয়ম জানান, অভিযোকটির স্থান সম্পর্কে দুদিন অফিস বন্ধ থাকায় আমি এখনু নিশ্চিত হতে পারিনি। এখন বিষটির সর্ম্পকে নিশ্চিত হয়ে প্রয়োজনিয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মুরাদনগরে ফসলি জমি দখল করে মাছ চাষের অভিযোগ

আপডেট সময় ০৪:৪৬:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ এপ্রিল ২০১৮
মুরাদনগর বার্তা ডেস্কঃ

কুমিল্লা মুরাদনগর উপজেলার পাহাড়পুর ইউনিয়নের ভিটি পাচঁপুকুরিয়া গ্রামে প্রায় ১০ বিঘা ফসলি জমি দখল করে দীর্ঘ ১৬ বছর যাবৎ মাছ চাষ করে আসছে এক প্রভাবশালী চক্র। স্থানীয় কৃষক ও জমির মালিকেরা বেশ কযেকবার প্রশাসনকে জানালেও অজ্ঞাত কারনে কোন প্রতিকার না পেয়ে গত ১৮ এপ্রিল কৃষি মন্ত্রনালয়, কুমিল্লা জেলা প্রশাসক, স্থানীয় সংসদ সদস্য, পুলিশ সুপার, জেলা কৃষি কর্মকর্তা, জেলা মৎস্য কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ঠ বিভিন্ন দপ্তরে দকল কারি চক্রের বিভিন্ন অপকর্মের চিত্র তুলে অভিযোগ করেন ভূক্তভোগী প্রায় তিন শত কৃষক।

অভিযোগ সূত্রে ও অনুসন্ধানে জানা যায়, উপজেলার ভিটি পাচঁপুকুরিয়া গ্রামে প্রায় ১৬ বছর পূর্বে জোরপূর্বক ফসলি জমি দখল ও বিভিন্ন ভাবে কৃষকদের লোভ দেখিয়ে ১০ বছরের জন্য ইজারা নিয়ে ১০ বিঘা জমিতে বহুমখী মৎস্য চাষ প্রকল্প নামে একটি মৎস্য খামার স্থাপন করে একটি প্রভাবশালী চক্র। কৃষকরা ন্যার্য্য দাবি পাওয়া থেকে বঞ্চিত হওয়া ও কিছু বহিরাগতদেও কারনে কৃষকদের ন্যায় কথা বলার সাহস পাচ্ছেনা। প্রকল্পটি শুরু হওয়ার পর থেকে নানা ধরনের বেআইনী কাজ ও আশান্তি শুরু হয় স্থানীয়দের মাঝে। গত ২০১২ সালে ইজারার মেযাদ শেষ হলেও জোরপূর্বক দখল করে মাছ চাষ চালিয়ে যাচ্ছে চক্রটি। এবং এ প্রকল্পটি কেন্দ্র করে স্থানীয় ইউপি সদস্য নিখিল বাবু, প্রকল্পের পরিচালক মোস্তাক হত্যাসহ মজলিশ মিয়া নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়। প্রকল্পের অর্থ বিভিন্ন অনিয়মের মাধ্যমে আতৎসাধ, কৃষকদের ধান চাষে বাধা, মাছ চাষের কারনে আশে পাশের সড়ক, বাড়ি-ঘর বছরের পর বছর ক্ষতি গ্রস্থ হলেও কোন প্রকার ক্ষতিপূরন না দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া য়ায়।

এ বিষয়ে মাৎস চাষ প্রকল্পের পক্ষ্যে মূল অভিযোগ কারি খোরশেদ আলম জানান, আমাদেরকে ঠকিয়ে জমি জোর করে দখল করে এ মৎস্য প্রকল্পটি স্থাপন করা হয়। আমাদের ঠিক সময়ে কৃষি কাজ করতে দেওয়ার কথা থাকলেও তা করতে দেয় একদল বহিরাগরা। আমারা যেন আমাদের জমি ফেরত পেয়ে আবার সেই জমিতে আবাধ করতে পারি। আমাদের ন্যায় দাবির বিষয়টি প্রশাসন সু-দৃস্টি কামনা করছি।

পাচঁপুকুরিয়া বহুমুখী মৎস্য চাষ প্রকল্পের সভাপতি আব্দুর রহমান সুধনের ব্যবহিত (০১৮১৮৮৯৫৯৬৩) মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করের যোগাযোগ সম্ভব হয়নি।

এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আল মামুন রাসেল বলেন, এব্যাপারে আমি অবহিত নই। লিখিত ভাবে অভিযোগ পেলে বিধি অনুযায়ি আমাদের যা করনিয় সেরকম সকল সহযোগিতা ও ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে।

এ বিষয়ে সিনিয়র মুরাদনগর উপজেলা ভারপ্রাপ্ত মৎস্য কর্মকর্তা মিজানুর রহমান    জানান, এ বিষয়ে একটি অভিযোগ আমরা পেয়েছি। উভয় পক্ষকে আমরা ঠেকেছি যারা অভিযোগ করেছে তাদের সাথে কথা হয়েছে কিন্তু আভিযোক্তদের সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তদন্ত করে  প্রয়োজনিয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিতু মরিয়ম জানান, অভিযোকটির স্থান সম্পর্কে দুদিন অফিস বন্ধ থাকায় আমি এখনু নিশ্চিত হতে পারিনি। এখন বিষটির সর্ম্পকে নিশ্চিত হয়ে প্রয়োজনিয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।