ঢাকা ০৫:৩২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ মে ২০২৪, ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

মুরাদনগরে বাবা কর্তৃক শিশু সন্তান খুন

file

মো: নাজিম উদ্দিন, স্টাফ রির্পোটার, মুরাদনগর ঃ

রোজ শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০১৫ ইং(মুরাদনগর বার্তা ডটকম):

কুমিল্লার মুরাদনগরে প্রথম স্ত্রীর পরামর্শে বাবা কর্তৃক দ্বিতীয় স্ত্রীর সন্তানকে হত্যা করার ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার ৪ দিন পর উপজেলার গোমতী নদী থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার বিকালে মুরাদনগর উপজেলার সিমান্তবর্তি  তিতাশ উপজেলার গোমতী নদীর মানিককান্দি এলাকা থেকে তিতাশ থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমেক হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মুরাদনগর উপজেলার জাহাপুর গ্রামের হোসেন মিয়া প্রথম স্ত্রী রেখে একই গ্রামের নিলুফা বেগমকে বিয়ে করে। এতে ওই পরিবারে কলহ শুরু হয়। তাই একমাত্র সন্তান ফয়সালকে (৭) নিয়ে সে বাবার বাড়িতে আশ্রয় নেয়।  গত মঙ্গলবার (২৮ জুলাই)  হোসেন মিয়া তার সহযোগীদের নিয়ে একই গ্রামের শ্বশুর বাড়ি থেকে ছেলে ফয়সাল (৭) কে অপহরণ করে নিয়ে যায়। এ বিষয়ে ঘটনায় তার স্ত্রী নিলুফা বেগম ছেলে অপহরণের অভিযোগ এনে তার স্বামী হোসেনসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে মুরাদনগর থানায় মামলা দায়ের করে। এরই মধ্যে পুলিশ মামলায় অভিযুক্ত হোসেন ও তার অপর সহযোগী নজরুলকে আটক করলেও তারা ফয়সালকে অপহরণের বিষয়টি এড়িয়ে যায়। এদিকে শুক্রবার বিকালে গোমতী নদীর মানিককান্দি এলাকায় নিহত ফয়সালের মৃত দেহ ভেসে উঠে। খবর পেয়ে তার মা ছেলের লাশ সনাক্ত করেন। নিহত শিশু সন্তানের মা নিলুফা বেগম জানান, তার স্বামী তাই প্রথম স্ত্রী ও সন্তানদের পরামর্শে সম্পত্তি থেকে আমার ছেলেকে বঞ্চিত করতে সন্তানকে হত্যা করা হয়েছে।

এ বিষয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস.আই মাহবুবুর রহমান জানান, পারিবারিক কলহের জের ধরে ২য় স্ত্রীর সন্তানকে খুন করে লাশ গোমতীতে ফেলে দেয় তার বাবা হোসেন ও সহযোগীরা। মামলায় অভিযুক্ত অপর আসামীদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।

ট্যাগস

মুরাদনগরে বাবা কর্তৃক শিশু সন্তান খুন

আপডেট সময় ০২:০৯:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০১৫

file

মো: নাজিম উদ্দিন, স্টাফ রির্পোটার, মুরাদনগর ঃ

রোজ শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০১৫ ইং(মুরাদনগর বার্তা ডটকম):

কুমিল্লার মুরাদনগরে প্রথম স্ত্রীর পরামর্শে বাবা কর্তৃক দ্বিতীয় স্ত্রীর সন্তানকে হত্যা করার ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার ৪ দিন পর উপজেলার গোমতী নদী থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার বিকালে মুরাদনগর উপজেলার সিমান্তবর্তি  তিতাশ উপজেলার গোমতী নদীর মানিককান্দি এলাকা থেকে তিতাশ থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমেক হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মুরাদনগর উপজেলার জাহাপুর গ্রামের হোসেন মিয়া প্রথম স্ত্রী রেখে একই গ্রামের নিলুফা বেগমকে বিয়ে করে। এতে ওই পরিবারে কলহ শুরু হয়। তাই একমাত্র সন্তান ফয়সালকে (৭) নিয়ে সে বাবার বাড়িতে আশ্রয় নেয়।  গত মঙ্গলবার (২৮ জুলাই)  হোসেন মিয়া তার সহযোগীদের নিয়ে একই গ্রামের শ্বশুর বাড়ি থেকে ছেলে ফয়সাল (৭) কে অপহরণ করে নিয়ে যায়। এ বিষয়ে ঘটনায় তার স্ত্রী নিলুফা বেগম ছেলে অপহরণের অভিযোগ এনে তার স্বামী হোসেনসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে মুরাদনগর থানায় মামলা দায়ের করে। এরই মধ্যে পুলিশ মামলায় অভিযুক্ত হোসেন ও তার অপর সহযোগী নজরুলকে আটক করলেও তারা ফয়সালকে অপহরণের বিষয়টি এড়িয়ে যায়। এদিকে শুক্রবার বিকালে গোমতী নদীর মানিককান্দি এলাকায় নিহত ফয়সালের মৃত দেহ ভেসে উঠে। খবর পেয়ে তার মা ছেলের লাশ সনাক্ত করেন। নিহত শিশু সন্তানের মা নিলুফা বেগম জানান, তার স্বামী তাই প্রথম স্ত্রী ও সন্তানদের পরামর্শে সম্পত্তি থেকে আমার ছেলেকে বঞ্চিত করতে সন্তানকে হত্যা করা হয়েছে।

এ বিষয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস.আই মাহবুবুর রহমান জানান, পারিবারিক কলহের জের ধরে ২য় স্ত্রীর সন্তানকে খুন করে লাশ গোমতীতে ফেলে দেয় তার বাবা হোসেন ও সহযোগীরা। মামলায় অভিযুক্ত অপর আসামীদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।