ঢাকা ০৮:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৪, ৩ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

মুরাদনগরে মুক্তিযোদ্ধা না হয়েও জালিয়াতির মাধ্যমে ভাতার টাকা আত্মসাত

মো: মোশারফ হোসেন মনিরঃ

কুমিল্লা মুরাদনগর উপজেলার খোরশেদ আলম মুক্তিযোদ্ধ না করে জালিয়াতির মাধ্যমে মোক্তিযোদ্ধা সনদ তৈরী করে প্রায় ৮ বছর যাবত অবৈধ ভাবে সম্মানী ভাতা উত্তোলন করার অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি বিভিন্ন সময় প্রশাসনের কাছে লিখিত ভাবে অভিযোগ করা হলেও কোন প্রতিকার না পেয়ে পরে মুক্তিযোদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রি আ.ক.ম মোজাম্মেল হকের কাছে অভিযোগ করা হলে গত ২১ মার্চ বিষয়টি তদন্তের নির্দ্দেশ করা হলেও সেই নির্দ্দেশকে উপেক্ষিত করে প্রায় ১০ মাস পার হয়ে গেলেও রহস্যজনক কারনে কোন প্রকার ব্যবস্থা গ্রহন না হওয়ায় স্থানী মুক্তিযোদ্ধা ও পরিবারদের মাঝে চরম ক্ষোপ ও হত্যাশা বিরাজ করছে।

অভিযোগক্ত খেরশেদ আলম উপজেলার ধামঘর ইউনিয়নের পরমতলা গ্রামের মৃত আলতাফ হোসেনের ছেলে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, খোরশেদ আলম ভুল তথ্যের মাধ্যমে বিভিন্ন উপায়ে মুক্তিযোদ্ধা সনদ তৈরী করে। পরবর্তীতে সে ইউপি সচিব পদে কর্মরত অবস্থায় বেতন-বাতা পাওয়া সত্ত্বেও ২০০৯ সালের জুলাই মাস থেকে অবৈধ ভাকে ভাতা বহি নং-৬৩৯ এর মাধ্যমে মুক্তিযোদ্ধা সম্মানী ভাতার প্রায় ৮ লক্ষ ৬৪ হাজার টাকা ভোগ করেছেন। ২০১৩ সালে খোরশেদ আলমের বিরুদ্ধে ভূয়া মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কামান্ডার কার্যালয়ে একটি অভিযোগ দাখিল হলে এর পরিপেক্ষিতে ২০১৩ সালের ৫ জুলাই সরেজমিনে তদন্ত কালে অভিযোক্ত খোরশেদ আলম মুক্তিযোদ্ধ অংশ গ্রহন না করার কথা নিজের হাতে লিখিত ভাবে স্বীকারোক্তি প্রধান করে তদন্ত কমিটির কাছে। রহস্যজনক কারনে তদন্ত পর্যন্তই বিষয়টি থেমে থাকে। এখন প্রর্যন্ত প্রশাসনের কর্তা ব্যাক্তিরা কোন প্রয়োজনিয় ব্যবস্থা গ্রহন না করায় ও জালিয়াতির মাধ্যমে ভাতার টাকা আত্মসাত করায় অজানা আতংক ও হতাশার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে উপজেলার মুক্তিযোদ্ধারা। তারা অচিরেই ভূয়া মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে সনাক্তসহ আত্মসাতকৃত টাকা উদ্ধার করে দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহন করে মুক্তিযোদ্ধাদের মনোবল ফিরিয়ে আনার দাবি জানান।

অভিযোগক্ত খোরশেদ আলম বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনিত সকল অভিযোগ মিথ্যা। যুদ্ধ চলা কালে মুরাদনগর উপজেলার সিদ্বেশরি এলাকায় মুক্তিযোদ্ধাদের সহযোগিতা করেছি। আমার মুক্তিযোদ্ধা সনদ রয়েছে।

এ বিষয়ে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার হারুন অর রশিদ জানান, ভারতে যোদ্ধের প্রশিক্ষন নিয়েছেন কিন্তু দেশে এসে যুদ্ধে অংশ গ্রহন করে নাই তাদের নাম যদি ভারতের তালিকায় নাম থাকে তাহলে তাদেরকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবেই গ্রহন করা হবে।

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

মুরাদনগর ভয়াবহ আগুন কয়ক কাটি টাকার ক্ষতি 

মুরাদনগরে মুক্তিযোদ্ধা না হয়েও জালিয়াতির মাধ্যমে ভাতার টাকা আত্মসাত

আপডেট সময় ০৩:১৮:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ জানুয়ারী ২০১৭
মো: মোশারফ হোসেন মনিরঃ

কুমিল্লা মুরাদনগর উপজেলার খোরশেদ আলম মুক্তিযোদ্ধ না করে জালিয়াতির মাধ্যমে মোক্তিযোদ্ধা সনদ তৈরী করে প্রায় ৮ বছর যাবত অবৈধ ভাবে সম্মানী ভাতা উত্তোলন করার অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি বিভিন্ন সময় প্রশাসনের কাছে লিখিত ভাবে অভিযোগ করা হলেও কোন প্রতিকার না পেয়ে পরে মুক্তিযোদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রি আ.ক.ম মোজাম্মেল হকের কাছে অভিযোগ করা হলে গত ২১ মার্চ বিষয়টি তদন্তের নির্দ্দেশ করা হলেও সেই নির্দ্দেশকে উপেক্ষিত করে প্রায় ১০ মাস পার হয়ে গেলেও রহস্যজনক কারনে কোন প্রকার ব্যবস্থা গ্রহন না হওয়ায় স্থানী মুক্তিযোদ্ধা ও পরিবারদের মাঝে চরম ক্ষোপ ও হত্যাশা বিরাজ করছে।

অভিযোগক্ত খেরশেদ আলম উপজেলার ধামঘর ইউনিয়নের পরমতলা গ্রামের মৃত আলতাফ হোসেনের ছেলে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, খোরশেদ আলম ভুল তথ্যের মাধ্যমে বিভিন্ন উপায়ে মুক্তিযোদ্ধা সনদ তৈরী করে। পরবর্তীতে সে ইউপি সচিব পদে কর্মরত অবস্থায় বেতন-বাতা পাওয়া সত্ত্বেও ২০০৯ সালের জুলাই মাস থেকে অবৈধ ভাকে ভাতা বহি নং-৬৩৯ এর মাধ্যমে মুক্তিযোদ্ধা সম্মানী ভাতার প্রায় ৮ লক্ষ ৬৪ হাজার টাকা ভোগ করেছেন। ২০১৩ সালে খোরশেদ আলমের বিরুদ্ধে ভূয়া মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কামান্ডার কার্যালয়ে একটি অভিযোগ দাখিল হলে এর পরিপেক্ষিতে ২০১৩ সালের ৫ জুলাই সরেজমিনে তদন্ত কালে অভিযোক্ত খোরশেদ আলম মুক্তিযোদ্ধ অংশ গ্রহন না করার কথা নিজের হাতে লিখিত ভাবে স্বীকারোক্তি প্রধান করে তদন্ত কমিটির কাছে। রহস্যজনক কারনে তদন্ত পর্যন্তই বিষয়টি থেমে থাকে। এখন প্রর্যন্ত প্রশাসনের কর্তা ব্যাক্তিরা কোন প্রয়োজনিয় ব্যবস্থা গ্রহন না করায় ও জালিয়াতির মাধ্যমে ভাতার টাকা আত্মসাত করায় অজানা আতংক ও হতাশার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে উপজেলার মুক্তিযোদ্ধারা। তারা অচিরেই ভূয়া মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে সনাক্তসহ আত্মসাতকৃত টাকা উদ্ধার করে দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহন করে মুক্তিযোদ্ধাদের মনোবল ফিরিয়ে আনার দাবি জানান।

অভিযোগক্ত খোরশেদ আলম বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনিত সকল অভিযোগ মিথ্যা। যুদ্ধ চলা কালে মুরাদনগর উপজেলার সিদ্বেশরি এলাকায় মুক্তিযোদ্ধাদের সহযোগিতা করেছি। আমার মুক্তিযোদ্ধা সনদ রয়েছে।

এ বিষয়ে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার হারুন অর রশিদ জানান, ভারতে যোদ্ধের প্রশিক্ষন নিয়েছেন কিন্তু দেশে এসে যুদ্ধে অংশ গ্রহন করে নাই তাদের নাম যদি ভারতের তালিকায় নাম থাকে তাহলে তাদেরকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবেই গ্রহন করা হবে।