ঢাকা ১০:১৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৪, ৩০ চৈত্র ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

মুরাদনগরে যুবককে হত্যা চেষ্টার ঘটনায় ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা

মো. হাবিবুর রহমান, বিশেষ প্রতিনিধিঃ

কুমিল্লা মুরাদনগর উপজেলার করিমপুর গ্রামে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে জাহিদ হাসান ওরফে জাহের নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা চেষ্টার ঘটনায় সোমবার বিকেলে ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

শুক্রবার বিকেলে প্রকাশ্য দিবালোকে এ ঘটনা ঘটে। তবে আসামীরা পলাতক থাকায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।

জানা যায়, গত শুক্রবার সকালে করিমপুর গ্রামের বাবুল মিয়ার ছেলে রাজু মিয়া (১২) ও আনিস মিয়ার ছেলে আরিফ (১৪) একই গ্রামের জাহিদ হাসান ওরফে জাহেরের ছেলে বিশাল মিয়াকে (১৩) মারধর করে। উক্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজুর মা সাবানা বেগম (৪৫) ও বিশাল মিয়ার বাবা জাহিদ হাসান ওরফে জাহেরের (৩৪) মধ্যে তর্ক-বিতর্ক ও হাতাহাতি হয়। এতে ক্ষীপ্ত হয়ে ঢাকাতে থাকা রাজুর বাবা বাবুল মিয়া (৫৩) ও ভাই জনি (৩০) ও রনিকে (২৭) খবর দিয়ে বাড়িতে আনা হয়। তারা ওইদিন বিকেলে ওই গ্রামে এসেই জাহিদ হাসান ওরফে জাহেরকে খোঁজাখুজি করতে থাকে। বাড়িতে না পেয়ে দুলাল মিয়ার মুদি দোকানের সামনে জাহিদ হাসানকে পাওয়া মাত্রই এলোপাতারী ছুরিকাঘাত করে হত্যার চেষ্টা চালায়। তারা জাহিদ হাসানের পেটে, পিঠে ও বাম হাতে ৫টি ছুরিকাঘাত করলে তার কাপড়-চোপড় রক্তাক্ত হয়ে যায়। তখন তার শোর-চিৎকারে এলাকার লোকজন জাহিদ হাসানকে উদ্ধার করে মুরাদনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কর্তব্যরত ডাক্তার তার অবস্থা আশংকাজনক দেখে ঢাকায় নেওয়ার সিদ্ধান্ত দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে একদল পুলিশ মুরাদনগর হাসপাতালে গিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে জরুরী ভিত্তিতে ঢামেক হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করে।

এ ব্যাপারে জাহিদ হাসান ওরফে জাহেরের মা মাজেদা খাতুন বাদী হয়ে ওই গ্রামের বাবুল মিয়ার ছেলে জনি মিয়া ও রনি মিয়া, মৃত লাল মিয়ার ছেলে মোস্তফা, আব্দুল হাকিমের ছেলে ইকবাল হোসেন, মোস্তফার ছেলে মোশারফ হোসেন ও মোতালেব মিয়া, মৃত মিন্নত আলীর ছেলে বাবুল মিয়া, হুমায়ুন কবিরের ছেলে দুলাল মিয়া এবং বাবুল মিয়ার স্ত্রী সাবানা বেগমসহ অজ্ঞাতনামা আরো ২/৩ জনের বিরুদ্ধে সোমবার বিকেলে মুরাদনগর থানায় মামলা করে।

মুরাদনগর থানার ওসি এসএম বদিউজ্জামান জানান, প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে। পুলিশ মুরাদনগর হাসপাতালে উপস্থিত থেকে গুরতর আহত জাহিদ হাসান ওরফে জাহেরকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ঢাকায় রেফার্ড করার ব্যবস্থা করে। উক্ত ঘটনায় জড়িত আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলে তিনি জানান।

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

মুরাদনগর ভয়াবহ আগুন কয়ক কাটি টাকার ক্ষতি 

মুরাদনগরে যুবককে হত্যা চেষ্টার ঘটনায় ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা

আপডেট সময় ০৩:৩৬:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৭
মো. হাবিবুর রহমান, বিশেষ প্রতিনিধিঃ

কুমিল্লা মুরাদনগর উপজেলার করিমপুর গ্রামে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে জাহিদ হাসান ওরফে জাহের নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা চেষ্টার ঘটনায় সোমবার বিকেলে ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

শুক্রবার বিকেলে প্রকাশ্য দিবালোকে এ ঘটনা ঘটে। তবে আসামীরা পলাতক থাকায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।

জানা যায়, গত শুক্রবার সকালে করিমপুর গ্রামের বাবুল মিয়ার ছেলে রাজু মিয়া (১২) ও আনিস মিয়ার ছেলে আরিফ (১৪) একই গ্রামের জাহিদ হাসান ওরফে জাহেরের ছেলে বিশাল মিয়াকে (১৩) মারধর করে। উক্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজুর মা সাবানা বেগম (৪৫) ও বিশাল মিয়ার বাবা জাহিদ হাসান ওরফে জাহেরের (৩৪) মধ্যে তর্ক-বিতর্ক ও হাতাহাতি হয়। এতে ক্ষীপ্ত হয়ে ঢাকাতে থাকা রাজুর বাবা বাবুল মিয়া (৫৩) ও ভাই জনি (৩০) ও রনিকে (২৭) খবর দিয়ে বাড়িতে আনা হয়। তারা ওইদিন বিকেলে ওই গ্রামে এসেই জাহিদ হাসান ওরফে জাহেরকে খোঁজাখুজি করতে থাকে। বাড়িতে না পেয়ে দুলাল মিয়ার মুদি দোকানের সামনে জাহিদ হাসানকে পাওয়া মাত্রই এলোপাতারী ছুরিকাঘাত করে হত্যার চেষ্টা চালায়। তারা জাহিদ হাসানের পেটে, পিঠে ও বাম হাতে ৫টি ছুরিকাঘাত করলে তার কাপড়-চোপড় রক্তাক্ত হয়ে যায়। তখন তার শোর-চিৎকারে এলাকার লোকজন জাহিদ হাসানকে উদ্ধার করে মুরাদনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কর্তব্যরত ডাক্তার তার অবস্থা আশংকাজনক দেখে ঢাকায় নেওয়ার সিদ্ধান্ত দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে একদল পুলিশ মুরাদনগর হাসপাতালে গিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে জরুরী ভিত্তিতে ঢামেক হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করে।

এ ব্যাপারে জাহিদ হাসান ওরফে জাহেরের মা মাজেদা খাতুন বাদী হয়ে ওই গ্রামের বাবুল মিয়ার ছেলে জনি মিয়া ও রনি মিয়া, মৃত লাল মিয়ার ছেলে মোস্তফা, আব্দুল হাকিমের ছেলে ইকবাল হোসেন, মোস্তফার ছেলে মোশারফ হোসেন ও মোতালেব মিয়া, মৃত মিন্নত আলীর ছেলে বাবুল মিয়া, হুমায়ুন কবিরের ছেলে দুলাল মিয়া এবং বাবুল মিয়ার স্ত্রী সাবানা বেগমসহ অজ্ঞাতনামা আরো ২/৩ জনের বিরুদ্ধে সোমবার বিকেলে মুরাদনগর থানায় মামলা করে।

মুরাদনগর থানার ওসি এসএম বদিউজ্জামান জানান, প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে। পুলিশ মুরাদনগর হাসপাতালে উপস্থিত থেকে গুরতর আহত জাহিদ হাসান ওরফে জাহেরকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ঢাকায় রেফার্ড করার ব্যবস্থা করে। উক্ত ঘটনায় জড়িত আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলে তিনি জানান।