ঢাকা ০৮:১৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুলাই ২০২৪, ৩১ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

মুরাদনগরে শেলি হত্যার ১৫দিনেও আটক হয়নি ঘাতক স্বামী

মুরাদনগর বার্তা ডেস্ক:

কুমিল্লার মুরাদনগরনগর উপজেলায় স্বামীর হাতে স্ত্রী খুনের ঘটনা ১৫দিন পেরিয়ে গেলেও  গাতক স্বামী আব্দুল কাদের জিলানী(৩২) কে আটক করতে পারেনি পুলিশ। হত্যাকারীর দৃষ্ঠান্তমূলক বিচারের অপেক্ষায় প্রহর গুনছেন শেলির বাবা-মাসহ স্বজনরা।

জানা যায়, উপজেলার নবীপুর পশ্চিম ইউনিয়নের রহিমপুর গ্রামের আব্দুস সোবহানের মেয়ে় সেলিনা আক্তার চার বছর পূর্বে নিজের পছন্দে বিয়ে করেন একই ইউনিয়নের নবীপুর গ্রামের মৃত শাহজাহান মিয়ার ছেলে আব্দুল কাদের জিলানীকে। বিবাহিত জীবনে তাদের ৩ বছরের একটি কন্যা সন্তান জন্ম হয়। বিয়ের কিছুদিন পরই শেলি জানতে পারে তার স্বামী আগেও একটি বিয়ে করেছেন, এবং ওই স্ত্রী রেখেই তাকে বিয়ে করে। নিজ পছন্দের বিয়ে বলে সব মেনে নিয়ে সংসার করে আসছিল শেলি। প্রথম সন্তানের ৩ বছর পর আবারও শেলি আবারও গর্ভবতী হন। আর বিয়ের পর থেকের সেলি বাবা বাড়িতে থাকতেন। প্রায় সময় কিস্তির টাকা নিয়ে উভয়ের মধ্যে ঝগড়া হতো। গত ১৭ সেপ্টেম্বর (মঙ্গলবার) রাতে শেলী ও তার স্বামীর মধ্যে মোবাইলের একটি সিমকাট নিয়ে কথা কাটাকাটি চলে। এক পর্যায়ে তাদের ঝগড়া চরমে পৌছলে শেলির পিতা আব্দুস সোবহান পাশের ঘর থেকে এসে সকালে এর মিমাংশা করে দিবেন বলে আশ্বস দেন। পরে গভীর রাতে ঘাতক স্বামী আব্দুল কাদের জিলানী তার স্ত্রী শেলিকে শ্বসরোধ করে হত্যা করে পালিয়ে যায়।

পরে শেলির পিতা বাদি হয়ে আব্দুল কাদের জিলানীকে আসামী করে মুরাদনগর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
নিহতের বাবা

এ বিষয়ে মুরাদনগর থানান এসআই ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নাজমূল আলম বলেন, আসামীকে আটক করার জন্য বেশ কয়েক যায়গায় অভিযান করা হয়েছে। কিন্তু তাকে পাওয়া যায়নি। আসামীকে ধরতে পুলিশের সর্বাত্বক চেষ্টা অবহ্যাত রয়ে়ছে।

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

মুরাদনগরে হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামী গ্রেফতার

মুরাদনগরে শেলি হত্যার ১৫দিনেও আটক হয়নি ঘাতক স্বামী

আপডেট সময় ০৩:০৯:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ অক্টোবর ২০১৯
মুরাদনগর বার্তা ডেস্ক:

কুমিল্লার মুরাদনগরনগর উপজেলায় স্বামীর হাতে স্ত্রী খুনের ঘটনা ১৫দিন পেরিয়ে গেলেও  গাতক স্বামী আব্দুল কাদের জিলানী(৩২) কে আটক করতে পারেনি পুলিশ। হত্যাকারীর দৃষ্ঠান্তমূলক বিচারের অপেক্ষায় প্রহর গুনছেন শেলির বাবা-মাসহ স্বজনরা।

জানা যায়, উপজেলার নবীপুর পশ্চিম ইউনিয়নের রহিমপুর গ্রামের আব্দুস সোবহানের মেয়ে় সেলিনা আক্তার চার বছর পূর্বে নিজের পছন্দে বিয়ে করেন একই ইউনিয়নের নবীপুর গ্রামের মৃত শাহজাহান মিয়ার ছেলে আব্দুল কাদের জিলানীকে। বিবাহিত জীবনে তাদের ৩ বছরের একটি কন্যা সন্তান জন্ম হয়। বিয়ের কিছুদিন পরই শেলি জানতে পারে তার স্বামী আগেও একটি বিয়ে করেছেন, এবং ওই স্ত্রী রেখেই তাকে বিয়ে করে। নিজ পছন্দের বিয়ে বলে সব মেনে নিয়ে সংসার করে আসছিল শেলি। প্রথম সন্তানের ৩ বছর পর আবারও শেলি আবারও গর্ভবতী হন। আর বিয়ের পর থেকের সেলি বাবা বাড়িতে থাকতেন। প্রায় সময় কিস্তির টাকা নিয়ে উভয়ের মধ্যে ঝগড়া হতো। গত ১৭ সেপ্টেম্বর (মঙ্গলবার) রাতে শেলী ও তার স্বামীর মধ্যে মোবাইলের একটি সিমকাট নিয়ে কথা কাটাকাটি চলে। এক পর্যায়ে তাদের ঝগড়া চরমে পৌছলে শেলির পিতা আব্দুস সোবহান পাশের ঘর থেকে এসে সকালে এর মিমাংশা করে দিবেন বলে আশ্বস দেন। পরে গভীর রাতে ঘাতক স্বামী আব্দুল কাদের জিলানী তার স্ত্রী শেলিকে শ্বসরোধ করে হত্যা করে পালিয়ে যায়।

পরে শেলির পিতা বাদি হয়ে আব্দুল কাদের জিলানীকে আসামী করে মুরাদনগর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
নিহতের বাবা

এ বিষয়ে মুরাদনগর থানান এসআই ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নাজমূল আলম বলেন, আসামীকে আটক করার জন্য বেশ কয়েক যায়গায় অভিযান করা হয়েছে। কিন্তু তাকে পাওয়া যায়নি। আসামীকে ধরতে পুলিশের সর্বাত্বক চেষ্টা অবহ্যাত রয়ে়ছে।